১৯৬২’র যুদ্ধের পর সবচেয়ে খারাপ সম্পর্ক চীন-ভারতের

১০:২৮ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, আগস্ট ২৭, ২০২০ আন্তর্জাতিক
20 Indian soldiers killed in Galwan Valley standoff, toll may rise

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ লাদাখ সীমান্তে চীনের সঙ্গে সৃষ্ট উত্তেজনাকে ‘১৯৬২ সালের ভারত-চীন যুদ্ধের পর সবচেয়ে গুরুতর’ বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। একই সঙ্গে এই সীমান্তে উভয়পক্ষের সেনা মোতায়েনের ঘটনাকে নজিরবিহীন বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নিশ্চিতভাবে ১৯৬২ সালের পর সবচেয় খারাপ পরিস্থিতি এটা। বাস্তবতা হচ্ছে ৪৫ বছর পর সীমান্তে সামরিক সংঘাতের ঘটনা ঘটলো। লাইন অব কন্ট্রোলে উভয় দেশের সেনা মোতায়েন রয়েছে। যা নজিরবিহীন।

বৃহস্পতিবার ভারতীয় সংবাদমাধ্যম রেডিফকে দেয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে জয়শঙ্কর এসব কথা বলেন।

মে মাস থেকে উত্তপ্ত লাদাখ সীমান্ত। গালোয়ানে ভারত ও চীনের সংঘর্ষে প্রাণহানির খবর মিলেছে দুই পক্ষ থেকেই। তারপরেও একাধিক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক হলেও রফাসূত্র মেলেনি। ভারতের ভূখণ্ড দখল করে নিয়েছে, এমনও চাঞ্চল্যকর দাবি তুলেছিল বিরোধীরা। তবে কেন্দ্র বারবার বুঝিয়ে দিয়েছিল চীনের পাল্টা দিতে ছাড়েনি ভারতীয় সেনা।

কিন্তু মোদীর বিদেশমন্ত্রীর কথা অনুযায়ী ১৯৬২ এর যুদ্ধের পর এটাই “সবচেয়ে গুরুতর পরিস্থিতি।” তাহলে কি ৫৮ বছরের পর ভারত-চীন সীমান্তে শৃঙ্খলা রক্ষায় ব্যর্থ হলো মোদী সরকার! এ প্রশ্নও কিন্তু জয়শঙ্করের কাছে ব্যুমেরাংয়ের মতো ফেরত পাঠাচ্ছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

তবে মন্ত্রীর কথা অনুযায়ী ভারত স্পষ্ট ভাবেই চীনকে জানিয়েছে সীমান্ত এলাকায় শান্তিই দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের ভিত্তি। এস জয়শঙ্কর জানিয়েছেন গত দশকে ফিরে তাকালে দেখা যাবে, ডেপসাং, চুমার ও ডোকলাম সীমান্তে একাধিকবার সীমান্ত পরিস্থিতি কূটনীতির মাধ্যমে সমাধান করা হয়েছে।

এস জয়সঙ্কর বলেন, চুক্তি এবং সমঝোতার ভিত্তিতে চীনের সঙ্গে চলমান সংকটের সমাধান চায় ভারত। এক্ষেত্রে, একতরফা কোনো সিদ্ধান্ত সমর্থন করে না নয়াদিল্লি।