সংবাদ শিরোনাম
ঋণের কিস্তি ডিসেম্বর পর্যন্ত পরিশোধ না করলেও খেলাপি নয় | আশুলিয়ায় ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে তরুণী ধর্ষণের অভিযোগ, মামলা তদন্ত করছে পিবিআই | রাজশাহীতে রোপা আমনের বাম্পার ফলনে আশাবাদী কৃষক ও কৃষি দপ্তর | এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে ধর্ষণের ঘটনায় আসামি মাহফুজুর রহমান গ্রেফতার | গাজীপুরে পিবিআইয়ের অভিযানে অপহরণকারী চক্রের  ২সদস্য গ্রেফতার | সিলেট এবং খাগড়াছড়িতে ধর্ষণের প্রতিবাদে গাজীপুরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ | শিল্পপতি হাসান মাহমুদ চৌধুরীর মৃত্যুতে ভূমিমন্ত্রীর শোক | বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড দলকে অভিনন্দন জানালেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী | ‘শেখ হাসিনার জন্যই গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা পেয়েছে’- মেয়র তাপস | ‘নভেম্বরে আসতে পারে করোনার ভ্যাকসিন’- স্বাস্থ্যমন্ত্রী |
  • আজ ১৪ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

‘দিল্লির দাঙ্গায় মুসলিমদের বিরুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছে পুলিশ’- অ্যামনেস্টি

৬:৩২ অপরাহ্ণ | শুক্রবার, আগস্ট ২৮, ২০২০ আন্তর্জাতিক
dilli

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে সাম্প্রতিক দাঙ্গায় মুসলিমবিরোধী অবস্থান ছিল পুলিশের। মুসলিমদের বিরুদ্ধে সক্রিয়ভাবে দাঙ্গায় অংশ নিয়েছে পুলিশ। এক তদন্তে এর সত্যতা পেয়েছে মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।

ভারতের বিতর্কিত নাগারিকত্ব আইনকে কেন্দ্র করে হিন্দু-মুসলমানের মধ্যে দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়ে। এতে অন্তত ৪০ জন নিহত হন। যাদের বেশিরভাগ মুসলমান। পুড়িয়ে দেয়া হয় মুসলমানদের বাড়িঘর। জানিয়েছে অ্যামনেস্টি।

অ্যামনেস্টির বিবৃতিতে বলা হয়, তারা দাঙ্গায় বেচে যাওয়া ব্যক্তি, প্রত্যক্ষদর্শী, মানবাধিকার কর্মী, অবসরে যাওয়া পুলিশ কমর্কর্তার সঙ্গে কথা বলে এবং দাঙ্গার একাধিক ভিডিও যাচাই বাছাই করে দেখেছে। তাতে প্রমাণ হয়েছে, পুলিশ মুসলমানদের বিরুদ্ধে সক্রীয় ছিল। তারা মুসলিমবিরোধী দাঙ্গাকারীদের সহযোগিতা করেছে।

অ্যামনেস্টি ওই ঘটনায় ভারত সরকারের প্রতি নিরপেক্ষ তদন্তের এবং দোষি পুলিশ সদস্যদের শাস্তির আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছে।

ভারতে অ্যামনেস্টির নির্বাহী পরিচালক অবিনাশ কুমার বলেন, কয়েক দশকের মধ্যে রাজধানীতে এমন নৃশংস দাঙ্গা ঘটলেও দিল্লি পুলিশের দায়ী ব্যক্তিদের এখনো কোনো জবাবদিহির আওতায় আনেনি ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়।

অ্যামনেস্টির প্রতিবেদনের ব্যাপারে এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি প্রশাসন বা দিল্লি পুলিশ। দিল্লি পুলিশ বরাবরই বলে আসছে, তারা দাঙ্গার সময় কোনো ভুল কাজ করেনি। এ ছাড়া গত ছয় মাসেও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে কোনো ধরনের তদন্ত করেনি পুলিশ।