সংবাদ শিরোনাম
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের অবনতি, মোদিকে দুষলেন রাহুল | ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনে কথা বললেন বাহরাইনের যুবরাজ | ভারতসহ তিন দেশের নাগরিকদের ওপর সৌদির ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা | আন্তর্জাতিক সংস্থার কাছে ‘হিডেন হিরো’ উপাধি পেল ঝিনাইগাতীর মোশারফ | মানিকগঞ্জে নতুন আরও ১৪ জনের করোনা শনাক্ত | হাতীবান্ধায় উপ-নির্বাচনে ১০ জনের মনোনয়ন পত্র দাখিল | বাগেরহাটে কোষ্টগার্ডের অভিযানে ৩ লাখ বাটা পোনা অবমুক্ত | সাওতাল কিশোরীকে ধর্ষণ, বিমান ও সেনা সদস্যসহ দুইজনের বিরুদ্ধে মামলা | ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রীকে নৌকায় তুলে ধর্ষণ! ধর্ষক গ্রেফতার | ‘দুর্নীতির প্রশ্নে কোনো ছাড় দেওয়া হচ্ছে না’- স্বাস্থ্যমন্ত্রী |
  • আজ ৯ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

ভালো নেই ফরিদপুরের ফার্নিচার ব্যবসায়ীরা, বাড়ছে হতাশা

১১:৫২ পূর্বাহ্ণ | শনিবার, আগস্ট ২৯, ২০২০ ঢাকা, দেশের খবর

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর প্রতিনিধি: বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের থাবা পড়েছে ফরিদপুরের ফার্নিচার ব্যবসায়। ফলে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে এই ব্যবসায়। চাহিদা কম থাকায় কারিগর, দোকানভাড়া জের টানতে গিয়ে অনেকেই পুঁজি সংকটে ভুগছেন। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য সহজ শর্তে ব্যাংক ঋণ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা।

ফার্নিচার ব্যবসায়ীদের দেওয়া তথ্যমতে, ফরিদপুর জেলায় ছোট-বড় মিলিয়ে তিন শতাধিক মত ফার্ণিচার দোকান রয়েছে। প্রতি মাসে একেকজন ব্যবসায়ী গড়ে ৪ থেকে ৫ লাখ টাকার ফার্নিচার বিক্রি করেন। বড় মাপের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো তার চেয়ে বেশি বিক্রি করতেন।

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরুর পর সরকারি নির্দেশনায় গত ২৬ মার্চ থেকে সব দোকান বন্ধ রাখা হয়। পরবর্তীতে সরকারি নির্দেশনায় আড়াই মাস পর দোকান খোলা হয়। কিন্তু বন্ধের সময় দোকান ভাড়া ও কারখানার ভাড়া ঠিকই গুণতে হয়েছে ব্যবসায়ীদের। এখন দোকান খুললেও আগের মতো ব্যবসা হচ্ছে না। এর ফলে ব্যবসায়ীরা অলস সময় পার করছেন। নানা দু:চিন্তায় হতাশায় ভুগছেন।

ফরিদপুর শহরের এলাকার কাঠ ও ফার্নিচারের ব্যবসায়ী মাহবুব হোসেন জানান, করোনাভাইরাসের আগে প্রতি মাসে কয়েক লাখ টাকার ফার্নিচার বিক্রি হতো তার দোকানে। এখন মাসে ২০ হাজার টাকার ফার্নিচারও বিক্রি করতে পারছেন না।

জেলা শহরের পশ্চিম খাবাসপুর এলাকার আরেক ব্যবসায়ী বলেন, করোনা ভাইরাসের কারণে লকডাইনের সময় দোকানে বিক্রির মত প্রচুর ফার্নিচার ছিল।

দীর্ঘসময় দোকান বন্ধ এখন দোকান খুলে রাখলেও ক্রেতা নেই বললেই চলে। পরিচিত দুই-একজন ক্রেতা আসে, দাম জিজ্ঞাসা করে চলে যায়। এভাবে চলতে থাকলে এ ব্যবসা করে জীবন ধারণ করা কঠিন হয়ে পড়বে। আবার করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরুর আগে তার দোকানে অনেক অর্ডার ছিল। কিন্তু করোনার কারণে আর্থিক সংকট থাকায় অনেকে এখন ফোন দিলে রিসিভ করেন না। সেই অর্ডারের মালামাল নিচ্ছে না অর্ডারকারীরা। ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেও আগের মতো ব্যবসা নেই।

ফরিদপুর ফার্নিচার ব্যবসায়ী সমিতির কয়েক নেতা গণমাধ্যমকে বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে দীর্ঘদিন দোকান বন্ধ রাখতে হয়েছে। এখন দোকান খুললেও বেচাকেনা নেই। প্রবাসীরা সমস্যায় থাকায় আমাদের ব্যবসা ৫০ শতাংশ কমে গেছে। কারণ আমাদের ক্রেতারে বড় অংশই প্রবাসীরা। আর ব্যবসার দূরাবস্থার কারণে কোন ধরণের ঋণও নিতে পারছি না।