সংবাদ শিরোনাম
জামিনে এসে প্রবাসীর স্ত্রীকে নিয়ে মসজিদের ইমাম ‘উধাও’ | লিবিয়া উপকূলে নৌকা ডুবির ঘটনায় বাংলাদেশীসহ উদ্ধার-২২ | নোয়াখালীতে ছুরিকাঘাতে গৃহবধূ হত্যা | লালমনিরহাটে ট্রাকের ধাক্কায় ট্রেন ধরাশায়ী! | ‘দেশের সবগুলো নদী খনন করে বাঁধ নির্মাণ করা হবে’- পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী | শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে মাগুরায় দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ | “সৃষ্টিকর্তার রহমতে বাংলাদেশে ব্যাপক হারে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ হয়নি” | ভারতের ভ্যাকসিন সমগ্র মানবজাতির কল্যাণে ব্যয় করা হবে: মোদি | ‘সিগারেট খেয়েছি, ড্রাগস নয়..ড্রাগস নিত সুশান্ত’- সারা আলী খান | ৫ অক্টোবর ঢাকায় আসছেন ভারতের নতুন হাইকমিশনার |
  • আজ ১২ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

‘জিয়া, তার স্ত্রী এবং ছেলে সবার হাতেই রক্তের দাগ’- প্রধানমন্ত্রী

১১:৪৭ অপরাহ্ণ | সোমবার, আগস্ট ৩১, ২০২০ জাতীয়
pm

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান, তার স্ত্রী খালেদা জিয়া এবং তাদের ছেলে তারেক রহমান—সবার হাতে রক্তের দাগ রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সোমবার (৩১ আগস্ট) জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ছাত্রলীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জিয়াউর রহমান গুম-খুনের রাজনীতি শুরু করে গেছেন। যার ধারাবাহিকতায় খালেদা জিয়া অপারেশন ক্লিনহার্টের নামে মানুষ হত্যা করেছেন। আন্দোলনের নামে মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করেছেন।’

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জিয়া জড়িত ছিল না আজ বিএনপি অস্বীকার করে কীভাবে। খুনি রশিদ তার স্বীকারোক্তিতে বলেছে, জিয়াউর রহমান তাদের সঙ্গে ছিল। আত্মস্বীকৃত খুনিরা স্বীকারোক্তি দিয়েছে জিয়া তাদের সঙ্গে ছিল। বেঈমান মুশতাক রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে জিয়াকে বানালো সেনা প্রধান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জিয়াউর রহমান রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করে মুক্তিযোদ্ধা সেনা অফিসারদের হত্যা করে। ছাত্রদের হাতে অর্থ আর অস্ত্র তুলে দিয়ে বিপথে ঠেলে দিয়েছে। আওয়ামী লীগের মুক্তিযোদ্ধা নেতাকর্মীদের খুঁজে খুঁজে হত্যা করেছে। ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতে যা যা করার দরকার জিয়া করেছে। তার স্ত্রী খালেদা জিয়াও একই কাজ করেছে। খালেদা জিয়া বলেছিলো, আওয়ামী লীগকে শিক্ষা দেওয়ার জন্য ছাত্রদলই যথেষ্ঠ। এই খুন, গুম শুরু করেছে কে? জিয়াউর রহমানই করেছে। ক্ষমতাকে নিষ্কণ্টক করার জন্য সারা দেশকে রক্তাক্ত করেছে। জিয়া, জিয়ার স্ত্রী, জিয়ার ছেলে তাদের সবারই হাতে রক্তের দাগ। এভাবে তারা রাজনীতি করেছে। মানুষ হত্যা করেছে, অগ্নিসংযোগ করে পুড়িয়ে পুড়িয়ে মানুষ মেরেছে। বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার করেছি, খুনিদের শাস্তি হয়েছে। কয়েকজন পালিয়ে আছে। এক সময় না এক সময় তাদের পাওয়া যাবেই।

প্রধানমন্ত্রী ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, বঙ্গবন্ধুর লেখা বইগুলো পড়তে হবে। পাকিস্তান আমলের গোয়েন্দা রিপোর্ট পাওয়া গেছে। সেখানে সব জায়গায় বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে রিপোর্ট ছিল। বঙ্গবন্ধু নিজের জীবন উৎসর্গ করে গেছেন এ দেশের মানুষের জন্য। জাতির পিতা শুধু দিয়েই গেছেন, কোনো কিছু নিয়ে যাননি।

ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান জয়ের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন- আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। উপস্থিত ছিলেন- আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলির সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আফম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক প্রমুখ।