সংবাদ শিরোনাম
ধর্মনিরপেক্ষতার পরিবর্তে ভারতে হিন্দুত্ববাদ প্রতিষ্ঠা পেয়েছে: ইমরান খান | অ্যাটর্নি জেনারেল ভেন্টিলেশন সাপোর্টে, দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা | চাকরি হারাচ্ছেন মাদকাসক্ত ২৬ পুলিশ সদস্য | করোনায় আরও ৩৬ জনের মৃত্যু | টাঙ্গাইলে আল্লামা আলাউদ্দিন জিহাদীর মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন | ছাত্রাবাসে গণধর্ষণের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ, বিক্ষোভ | সিলেটে ছাত্রাবাসে গণধর্ষণ: অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় ছাত্রলীগের সাইফুরের বিরুদ্ধে মামলা | ধর্ষণে অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা সাইফুরের রুম থেকে অস্ত্র উদ্ধার | স্ত্রী-সন্তান নিয়ে ভাঙা কুটিরে মানবেতর জীবন যাপন করছেন আ.লীগ নেতা বাচ্চু | উইঘুর সংস্কৃতি বিলুপ্ত করতেই হাজার মসজিদ ধ্বংস করে চীন |
  • আজ ১১ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

বঙ্গবন্ধুর সামগ্রিক জীবনটাই হচ্ছে বাংলাদেশের ইতিহাস: মোস্তাফা জব্বার

২:৫৪ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ১, ২০২০ জাতীয়

নিজস্ব প্রতিবেদক, সময়ের কণ্ঠস্বর- ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর সামগ্রিক জীবনটাই হচ্ছে বাংলাদেশের ইতিহাস। তিনি বাঙালি জাতি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ইতিহাসের মহানায়ক। তিনি ছাত্রজীবন থেকে শুরু করে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত একটি জাতিকে দূরদর্শীতার সাথে নেতৃত্ব দিয়ে গেছেন। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তিনি শোষিত মানুষের পক্ষে থেকে গেছেন। এরকম একজন মানুষকে তুলনা করার জন্য পৃথিবীতে আর একজন রাজনীতিককে খুঁজে পাওয়া যাবেনা।

সোমবার (৩১ আগস্ট) রাতে বঙ্গবন্ধুর ৪৫তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে ওয়েবিনারে বাংলাদেশ পোস্ট অফিস কর্মচারি ইউনিয়ন আয়োজিত বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ শীর্ষক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী দেশ বিভাগের পর ১৯৪৭ সালে বাংলা ভাষার দাবি, ৪৮ সালে ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠা এবং ৪৯ সালে আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধুর ভূমিকা তুলে ধরে বলেন, বঙ্গবন্ধু দূরদর্শীতার সাথে একটি অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য সুদূরপ্রসারি পরিকল্পনা নিয়ে প্রতি ইঞ্চি মেপে মেপে পা ফেলেছেন। সে কারণে আজকে বঙ্গবন্ধুকে যখন স্মরণ করি তখন ভাবতে হবে বঙ্গবন্ধুর নীতি –আদর্শ নিয়ে আলোচনা খুবই জরুরী।

মোস্তাফা জব্বার বলেন, বঙ্গবন্ধু ৪৭ সাল থেকেই বাংলাদেশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম শুরু করেছিলেন। ১৯৪০ সালের লাহোর প্রস্তাব পাশ কাটিয়ে দুটি সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা বঙ্গবন্ধু মেনে নেননি। ৪৭ থেকে ৭১ পর্যন্ত জনগণকে সংগঠিত করে জনগণকে সাথে নিয়ে স্বাধীনতার লড়াই করেছেন তিনি। এই ভূ-খণ্ডের গোটা জনগোষ্ঠী বঙ্গবন্ধুর কালজয়ী নেতৃত্ব অন্ধের মতো অনুসরণ করেছে। প্রতিটি ক্ষেত্রে অসীম দূরদর্শিতার মধ্য দিয়ে স্বাধীনতার লড়াইকে এগিয়ে নিয়েছেন।

তিনি বলেন, বাঙালি ভাগ্যবান তারা একজন বঙ্গবন্ধুকে পেয়েছিল। আমরা ভাগ্যবান তার রক্তের উত্তরসূরী শেখ হাসিনাকে পেয়েছি। তার হাত ধরেই জাতির পিতার লালিত স্বপ্নের সোনার বাংলা বাস্তবায়িত হচ্ছে। উন্নয়নের চলমান ধারা অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের রূপান্তরের জন্য ২০ বছরের দরকার নেই। আমরা ২০৪১ সালের আগেই জ্ঞানভিত্তিক ডিজিটাল সাম্য সমাজ প্রতিষ্ঠায় সক্ষম হবো।

মন্ত্রী আরও বলেন, অতীতের তিনটি শিল্প বিপ্লব মিস করেও আমরা শেখ হাসিনার শাসনকালের ১৬ বছরে বিস্ময়কর অগ্রগতি অর্জন করতে সক্ষম হয়েছি। করোনাকালে যতটা ডিজিটাল পর্যায়ে চলা উচিৎ সেদিক থেকে পৃথিবীর উন্নত দেশ গুলোর তুলনায় পিছিয়ে নেই।

তিনি বলেন, পঁচাত্তর থেকে ৮১ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের এ দেশীয় দোসররা বঙ্গবন্ধু কন্যাকে দেশে আসতে দেয়নি। ৮১ সালে তিনি দেশে প্রত্যাবর্তনের পর ৯৬ সাল পর্যন্ত জনগণকে সংগঠিত করতে তিনি বঙ্গবন্ধুর পথে হেটেছেন।

আজকের এই বাংলাদেশের ভিত্তিপ্রস্তর ৯৬ সালে সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্থাপন করেছিলেন উল্লেখ করে মোস্তাফা জব্বার বলেন, বাংলাদেশে রাজনীতিবিদদের মধ্যে তিনিই প্রথম ব্যক্তি যিনি নিজের হাতে কম্পিউটার এবং ডায়াল আপ ইন্টারনেট ব্যবহার করেছেন।