শূন্য থেকে সফল ব্যবসায়ী মেহেদী হাসান বিপ্লব

১০:৫৪ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ১, ২০২০ সাফল্যের বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক, সময়ের কণ্ঠস্বর- মো: মেহেদী হাসান বিপ্লব, মাত্র ৩৫ বছর বয়সেই একজন সফল ব্যবসায়ী। সহজ-সরল, বিনয়ী ও মিষ্টভাষী একজন মানুষ। এক কথায় ভীষণ মিশুক। ব‌্যবসায় সফল তরুণদের এগিয়ে যাওয়ার তালিকায় মেহেদী হাসান বিপ্লব একটি তারার নাম। বর্তমানে আন্তর্জাতিক কোল এনার্জি কোম্পানি জেএইচএম ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর (ডিএমডি) তিনি।

প্রথমে সাধারণভাবে ছোট একটি ব্যবসার মাধ্যমে জীবন যাপন শুরু করলেও কিছু দিনের মাথায় মেহেদী হাসান বিপ্লব ভারতীয় কোম্পানী জেএইচএম ইন্টারন্যাশনালকে (যার কিছু শাখা পৃথিবীর কয়েকটি দেশে রয়েছে) বাংলাদেশে ব্যবসার করার প্রস্তাব দিলে তারা বাংলাদেশ বিনিয়োগ করতে রাজি হয়। সেইসূত্রে অল্প সময়ের মধ্যে জেএইচএম ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশে তাদের বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা শুরু করে এবং ব্যাপক সফলতা অর্জন করে। যার ফলে মেহেদী হাসান বিপ্লবের জীবনেও বড় সফলতা আসে এবং তাকে কোম্পানিটির বাংলাদেশ শাখার ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর হিসেবেও নিযুক্ত করা হয়।

এরই ধারাবাহিকতায় তিনি একে একে বেশ কয়েকটি ছোট ছোট ব্যবসা শুরু করেন, যার সফলতাও তিনি দু-হাত ভরে পেয়েছেন। তবে তার এই সফলতা তিনি একার মধ্যে রাখেননি, ছোট ছোট ব্যবসার গড়ার মাধ্যমে অনেককেই করেছে উদ্যোক্তা।

মেহেদী হাসান বিপ্লব শুধু ব্যবসায়ী মহলেই পরিচিত নন, তিনি মানবতার ফেরিওয়ালাদের মধ্যেও একজন। মহামারি করোনাকালীন সময়ে তিনি নিম্ন আয়ের মানুষদের পাশে ত্রাণকর্তা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিলেন।

তার সবগুলো অফিসের মাধ্যমে জানা গেছে, করোনাকালীন সময়ে তিনি তার আয়ের একটি বিরাট অংশ দান করেছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষদের মাঝে। তার কিছু সাইট ব্যবসা বন্ধ থাকার পরও নিয়মিত বেতন দিয়েছেন কর্মচারীদের।

জানা যায়, করোনাকালে জেএইচএম ইন্টারন্যাশনালের উদ্যোগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের কাছে প্রায় দুই হাজার দুস্থ মানুষের জন্য খাদ্যসামগ্রীর প্যাকেট হস্তান্তর করেছেন মেহেদী হাসান বিপ্লব। এছাড়া রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় নিম্নবিত্তদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন।

মেহেদী হাসান বিপ্লব বলেন, আমি জীবনে যা কিছু করেছি মন দিয়ে করার চেষ্টা করেছি। যার সফলতাও আমি দু-হাত ভরে পেয়েছি। ফলে যতটুকু পেরেছি মানুষের উপকার করার চেষ্টা করেছি। টাকা তো মানুষ কবরে নিয়ে যেতে পারে না। যা আয় করেছি সেই আয়ের কিছু অংশ মানুষকে এখন দান করার চেষ্টা করছি। কিন্তু ভবিষ্যতে আমার ইচ্ছা আরও অনেক বড়। যাতে জীবনের অর্জিত সকল অর্থ মানুষের জন্য দান করে যেতে পারি।

তিনি জানান, আগামীতে রাস্তার টোকাইদের পড়ালেখার জন্য তিনি একটি এতিমখানা চালু করবেন। যাতে তিনি আজীবন রাস্তার খেতে না পাওয়া ছেলেমেদের জীবনে শিক্ষার আলোর পাশাপাশি তাদের কর্মজীবনের ব্যবস্থা করতে পারেন। এছাড়াও এরকম আরও কয়েকটি চিন্তাধারা নিয়ে তিনি একটি ফাউন্ডেশন চালু করবেন। যাতে দেশের নিম্ন শ্রেণির মানুষদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবেন।