সংবাদ শিরোনাম

বিয়ে পাগল স্বামীর গোপনাঙ্গ ব্লেড দিয়ে কেটে দিলেন স্ত্রী!সিরাজগঞ্জে আলাদা সড়ক দুর্ঘটনায় ব্যবসায়ী ও শিশু নিহতটিকা সবাইকে দিয়ে নিই, তারপর আমি নেবো: প্রধানমন্ত্রীসুনামগঞ্জে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী ২ মাসের অন্তঃসত্ত্বা, ১ জন আটকসংঘর্ষ, গোলাগুলি অতঃপর দুই লাশে শেষ হলো চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনরংপুরে ইটভাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ১৯ লাখ টাকা জরিমানানির্বাচন বর্জন করলেন ইসলামী আন্দোলনের মেয়র প্রার্থী জান্নাতুল ইসলামদেশের প্রথম করোনা টিকা নিলেন নার্স রুনুমুন্সিগঞ্জে শিশু ধর্ষণের দায়ে যুবকের যাবজ্জীবনদেশে করোনা টিকা কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

  • আজ ১৪ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

কালকিনিতে পুকুর থেকে অজ্ঞাত প্রতিবন্ধি যুবতীর লাশ উদ্ধার

◷ ৪:৪১ অপরাহ্ন ৷ বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ৩, ২০২০ ঢাকা, দেশের খবর
775a 1

এইচ এম মিলন, কালকিনি (মাদারীপুর) প্রতিনিধি- মাদারীপুরের কালকিনিতে একটি পুকুর থেকে ২৫ বছর বয়সী এক অজ্ঞাত মানসিক প্রতিবন্ধি যুবতীর লাশ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার (০৩ সেপ্টেম্বর) ভোরে নিহতের উদ্ধারকৃত লাশ মর্গে প্রেরণ করা হয়।

পুলিশ ও এলাকা সুত্রে জানাগেছে, বেশ কিছুদিন আগে এক অজ্ঞাত মানসিক প্রতিবন্ধি যুবতী স্বেচ্ছায় কালকিনি পৌর এলাকার কাশিমপুর গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা সেকান্দার সরদারের বাড়িতে আশ্রয় নেন। সেই বাড়িতে তিনি একটি পরিত্যক্ত ঘরে বসবাস করে আসছিলেন। এবং কি ওই বাড়ির লোকজন প্রতিবন্ধিকে থাকা খাওয়ার সকল সুব্যবস্থ্য করে দেন। এ সুবাধে ওই প্রতিবন্ধি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ওই বাড়ির পুকুর ঘাটে থালা ধুইতে গিয়ে পাঁ পিছলে পড়ে গিয়ে পানিতে ডুবে মারা যায়।

পরে কালকিনি থানা পুলিশ খবর পেয়ে প্রতিবন্ধি যুবতীর লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মাদারীপুর মর্গে প্রেরণ করেন। এদিকে ওই নিহত প্রতিবন্ধি যুবতীর কোন পরিচয় না মেলায় দাফন কার্যক্রম নিয়ে মহাবিপদে পড়েছেন থানা পুলিশ।

মুক্তিযোদ্ধা সেকান্দার সরদার বলেন, নিহত মানসিক প্রতিবন্ধি প্রথম আমাদের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিল। পুকুর ঘাটে সে কাজ করতে গিয়ে পানিতে ডুবে মারা গেছে। কিন্তু সে জীবিত থাকা অবস্থায় তার কোন পরিচয় আমাদের বলতে পারেনি। শুধু বলতে পারতো তার নাম সাবিনা। কিন্তু তাও সঠিক কিনা সন্দেহ আছে।

এ ব্যাপারে কালকিনি থানার ওসি মোঃ নাছির উদ্দিন মৃধা বলেন, নিহত মানসিক প্রতিবন্ধির ঠিকানা আমরা খুঁজছি। কিন্তু তার কোন ঠিকানা পাওয়া যাচ্ছেনা। তার সঠিক ঠিকান বা পরিচয় মিললে আমরা নিহতের লাশ বাড়িতে পৌছে দিতে পারতাম। এখন নিহতের লাশ নিয়ে আমরা মহা ঝামেলায় পড়েছি।