ইউএনওর উপর হামলার ঘটনায় যুবলীগের দুই নেতা বহিষ্কার

zuboo
❏ শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ৪, ২০২০ আলোচিত বাংলাদেশ

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াহিদা খানম ও তার বাবার উপর হামলা চালিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগে গ্রেফতার দুই যুবলীগ নেতাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

শুক্রবার (০৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে যুবলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মাইনুল হোসেন খান নিখিল এ তথ্য জানান। বহিষ্কৃত দুজন হলেন- উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম ও সদস্য আসাদুল ইসলাম।

যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, যুবলীগ একটি সুশৃঙ্খল সংগঠন। এখানে কোনো সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজদের ঠাঁই নেই। যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশের নির্দেশে ঘোড়াঘাট ইউএনওর উপর হামলার ঘটনায় গ্রেফতার যুবলীগ নেতা জাহাঙ্গীর আলম ও আসাদুল ইসলামকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

এর আগে দিনাজপুরের হাকিমপুর, বিরামপুর ও ঘোড়াঘাট থানা পুলিশ এবং র‌্যাব রংপুর-১৩ এর একটি দল যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে শুক্রবার ভোর ৪টা ৫০ মিনিটের দিকে হিলির কালিগঞ্জ এলাকায় বোনের বাড়ি থেকে আসাদুল ইসলামকে এবং জাহাঙ্গীর আলমকে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে। তাদেরকে রংপুরে র‌্যাব-১৩ এর কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

স্থানীয় নেতার অভিযোগ বলেন, ‘জাহাঙ্গীর এবং আসাদ- তাদের কোন সংগঠন নেই, তারা যুবলীগের নাম ভাঙিয়ে যে কাজগুলো করছে সত্যি নেক্কারজনক। সব সময় তারা চাঁদাবাজি, দখলবাজি, টেন্ডারবাজি কাজকর্ম করে আসছে। তাদেরকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি।’

পুলিশ জানায়, বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ৩টার দিকে দুষ্কৃতকারীরা ঘোড়াঘাট উপজেলা পরিষদ চত্বরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াহিদা খানমের সরকারি বাসভবনে প্রবেশ করে। হত্যার উদ্দেশ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও তার বাবা ওমর আলীকে কুপিয়ে ও হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করে গুরুতর জখম করে।

এ ঘটনায় বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) জাকির হোসেনকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন রংপুর বিভাগীয় কমিশনার। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- রংপুর ডিআইজির একজন প্রতিনিধি এবং দিনাজপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আসিফ মাহমুদ।

এছাড়া হামলার ঘটনায় ওয়াহিদা খানমের ভাই শেখ ফরিদ বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাতে ঘোড়াঘাট থানায় মামলা করেছেন।