‘স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভালো বলে করোনা রোগীদের তাঁবুতে থাকতে হয়নি’- স্বাস্থ্যমন্ত্রী

১১:৪৪ অপরাহ্ণ | শনিবার, সেপ্টেম্বর ৫, ২০২০ ঢাকা
sas

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভালো ছিল বিধায় করোনা আক্রান্ত হয়ে কোনো মানুষকে তাঁবুতে থাকতে হয়নি। বরং করোনা আক্রান্তদের হাসপাতালে রেখেই চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়েছে। আমাদের দেশের চেয়ে বহির্বিশ্বে করোনায় বেশি আক্রান্ত হওয়ায় তাদের তাঁবুতে রেখে চিকিৎসা দিতে হয়েছে। বাংলাদেশে তা হয়নি।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সাটুরিয়ার বটতলায় আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে সাটুরিয়া ও বালিয়াটি বাজারের জন্য প্রায় ৮ কোটি টাকার তিনটি উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিএনপির প্রতি ইঙ্গিত করে বলেন, করোনা নিয়ে অযথা মিথ্যাচার করবেন না। আপনাদের কাজ হচ্ছে ফেসবুক আর টেলিভিশনে সরকারের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করা। করোনাকালে বিএনপি কারও পাশে না দাঁড়িয়ে সরকারের সমালোচনা নিয়ে এই দলের নেতারা ব্যস্ত থাকেন। তারাই আবার রাষ্ট্র পরিচালনা করতে চায়। যে দলটির দুর্নীতির দায়ে তাদের নেত্রী এখন সাজাপ্রাপ্ত হয়েছেন।

মন্ত্রী তার বক্তৃতায় আরও বলেন, পাশের দেশ ভারতে প্রতিদিন ৭০ হাজারের বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হচ্ছে। প্রতিদিন মারা যাচ্ছে এক হাজারের বেশি মানুষ। সে তুলনায় বাংলাদেশে ১৬ কোটি মানুষের মধ্যে ৩০ থেকে ৪০ জনের মধ্যে মৃত্যু ওঠানামা করছে। মোট ৪ হাজার মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। সুস্থতার হার ৭০ ভাগের ওপরে। অন্যান্য দেশের তুলনায় আমাদের দেশে করোনার প্রাদুর্ভাব কমে আসছে। সেই সঙ্গে মৃত্যুর হারও কমে গেছে।

টিকা প্রসঙ্গে জাহিদ মালেক বলেন, ইতোমধ্যে চীনের ভ্যাকসিন পরীক্ষার জন্য অনুমতি দেওয়া হয়েছে। আরও দেশের সঙ্গে ভ্যাকসিন পেতে আলোচনা চলছে। করোনা ঠেকাতে সবাইকে মাস্ক পরে বাইরে বের হওয়ার আহ্বান জানান মন্ত্রী।

সাটুরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আব্দুল মজিদ ফটো, প্রকল্প পরিচালক মো. মনজুরুল ইসলাম, ইউএনও আশরাফুল আলম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাবিহা ফাতেমা তুজ জোহরা, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান মো. আফাজ উদ্দিন, সাটুরিয়ার ইউপি চেয়ারম্যান মো. আনোয়ার হোসেন পিন্টু, ইউপি চেয়ারম্যান মো. রহুল আমিন, গোলাম হোসেন গোলামসহ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতারা।