সংবাদ শিরোনাম

‘ভারতে যারাই ক্ষমতায় এসেছে, তারাই মুসলমানদেরকে শিক্ষা থেকে দূরে রেখেছে’দাপুটে জয়ে সিরিজ শুরু বাংলাদেশেরসাজার বদলে আদালত থেকে দেয়া হলো বই, ১০ শর্তে মুক্তি পেলো ৪৯ শিশুকুয়াকাটায় সৈকতে ডিগবাজি দিতে গিয়ে পর্যটকের মৃত্যুঠাকুরগাঁওয়ে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ডশাহজাদপুরে বসতবাড়িতে চোরাই তেলের অবৈধ গোডাউনে ভয়াবহ আগুন, ৩ জন দগ্ধটাঙ্গাইলে ৫ম শ্রেণির ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে যুবক গ্রেফতারযুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ পরশ করোনা আক্রান্তযশোরের শার্শায় অবৈধ ক্লিনিক সিলগালা, ১ লাখ টাকা জরিমানাসাড়ে ৮ মাসের মধ্যে দেশে করোনায় সর্বনিম্ন মৃত্যু

  • আজ ৬ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

‘প্রত্যেক জেলায় পুলিশের উদ্যোগে মাদক নিরাময় কেন্দ্র চালু হবে’

◷ ৬:৩২ অপরাহ্ন ৷ সোমবার, সেপ্টেম্বর ৭, ২০২০ ঢাকা, দেশের খবর
Ig80986676

দেওয়ান আবুল বাশার, স্টাফ রিপোর্টার: মাদকসেবীদের পূর্নবাসন করতে প্রত্যেক জেলায় একটি করে মাদক নিরাময় কেন্দ্র চালু করার জন্য পুলিশ উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি হাবিবুর রহমান।

তিনি বলেন, মাদকের ভয়াবহতা দিন দিন বেড়েই চলছে। এই ভয়াবহতা পুলিশের একার পক্ষে নির্মুল করা সম্ভব নয়। পরিবার সমাজসহ সকলের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টাতেই কেবল মাদক নিরাময় সম্ভব।

সোমববার (০৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার ভাড়ারিয়া ইউনিয়নে মাদকাসক্ত নিরাময় ও পুনর্বাসন কেন্দ্রের প্রস্তাবিত জায়গা পরির্দশনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

ডিআইজি হাবিবুর রহমান বলেন, মাদক নির্মূলে পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতিতে চলছে। মাদকের সাথে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হচ্ছেনা।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, পুলিশ সুপার রিফাত রহমান শামীম, পুলিশ হেডকোয়াটার্স থেকে আগত মাদকাসক্ত ও পুনর্বাসন নিরাময় কেন্দ্রের প্রকল্প পরিচালক ও পুলিশ সুপার মো: শহীদুল ইসলাম, মানিকগঞ্জ জেলার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মাঈন উদ্দিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাফিজ উদ্দিন, জমিদাতা জলিল সিকদার, ফজলুল হক ও খয়ের উদ্দিনসহ পুলিশের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তা ও স্থাণীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

জানা গেছে, পুলিশ সুপার রিফাত রহমান শামীম, সদর থানার সাবেক ওসি রকিবুজ্জামান ও ভাড়ারিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল কাদেরের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ৮২.৫০ শতাংশ জমি মাদকাসক্ত নিরাময় ও পুনর্বাসন কেন্দ্রর নামে দানপত্র গ্রহণ করা হয়। বিল চর পাকশিয়া গ্রামের জলিল শিকদারের স্ত্রী মোছা: দেলোয়ারা বেগম ৬৫ শতাংশ এবং মোহাম্মদ ফজলুল হক ও আবুল খায়ের দুই ভাই কর্তৃক ১৭.৫০ শতাংশ সর্বমোট ৮২.৫০ শতাংশ জমি ইন্সপেক্টর জেনারেল বাংলাদেশ পুলিশ বরাবরে হস্তান্তর করা হয়।

এর আগে ডিআইজি জেলার গুরুত্বপূর্ন স্থাপনা ও স্থানে সিসি ক্যামেরা স্থাপন, জনগণের সাথে মতবিনিময় সভা, মৎস্য অবমুক্তকরণ ও এসি রবিউল ফটকে টেরাকোটা স্থাপন উদ্বোধন করেন।