‘স্কুল খোলার মত পরিবেশ এখনো তৈরি হয়নি’

৮:৫৮ অপরাহ্ণ | বুধবার, সেপ্টেম্বর ৯, ২০২০ শিক্ষাঙ্গন
school

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব আকরাম-আল-হোসেন বলেছেন, এখন পর্যন্ত স্কুল খোলার পরিবেশ তৈরি হয়নি। স্কুল খোলার সিদ্ধান্তও এখনো হয়নি। তবে স্কুল খোলার আগে প্রতিটি স্কুলের প্রধান শিক্ষক কোন কোন নির্দেশনা অনুসরণ করবেন, সেটি জানিয়ে দেয়া হয়েছে।

‘কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে জনস্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিদ্যালয় পুনরায় চালুর নির্দেশিকা’ প্রকাশের পরদিন বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের একথা জানান সিনিয়র সচিব।

ওই নির্দেশিকায় বলা হয়, যখন খুলবে, তখন সব শিক্ষক, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীকে বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক পরতে হবে এবং হাত ধোয়াসহ স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে। বিদ্যালয়ের অবকাঠামো ও শিক্ষার্থীর সংখ্যা বিবেচনায় নিয়ে একাধিক পালা বা সপ্তাহের একেক দিন একেক শ্রেণি শিক্ষার্থীদের পাঠদানের ব্যবস্থা করবে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এতে বলা হয়, বিদ্যালয় পুনরায় চালু করার সিদ্ধান্ত হলে নিরাপদ এলাকা ও পরিস্থিতি বিবেচনায় এলাকাভিত্তিক বিদ্যালয় চালু করা যেতে পারে।

এতে আরও বলা হয়, ‘সরকার কোনো এলাকাকে ‘রেড জোন’ ঘোষণা করলে সেই এলাকায় বিদ্যালয় খোলা রাখা যাবে না। ছেলে ও মেয়েদের জন্য পৃথক শৌচাগার স্থাপন বা সম্প্রসারণ, মেয়েশিশুর ঋতুকালীন স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা রাখতে হবে। বিদ্যালয় খোলার আগে অবশ্যই বিদ্যালয় প্রাঙ্গণসহ শ্রেণিকক্ষ, অফিসকক্ষ ও টয়লেটগুলো স্বাস্থ্যসম্মত ও জীবাণুমুক্ত করতে হবে। আর পাঠ পরিকল্পনায় পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার দিতে হবে। এ রকম অন্তত ৩৫টি নির্দেশনা মানার কথা বলা হয়েছে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশিকায়।’

সচিব বলেন, ‍এখনো অনেক সময়। তবে স্কুল খোলার আগে প্রতিটি স্কুলের প্রধান শিক্ষক কোন কোন নির্দেশনা অনুসরণ করবেন, সেটি জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। পুনরায় স্কুল খোলার সেই পরিকল্পনায় বলা হয়েছে, স্কুলগুলো পরিষ্কার করতে হবে। হাত ধোয়ার ব্যবস্থা থাকতে হবে। নিরাপত্তার জন্য মাস্ক নিশ্চিত করতে হবে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে স্কুল খোলার পরিকল্পনা করবে।

স্কুল খোলার ব্যাপারে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি জানিয়ে সচিব বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বসে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

আগামী ৩ অক্টোবর পর্যন্ত স্কুল বন্ধ- এত আগে নির্দেশনা জারি প্রসঙ্গে সিনিয়র সচিব বলেন, স্কুলের শিক্ষকরা কিন্তু সরকারি কর্মচারী। লকডাউনের সময় অফিসগুলো বন্ধ ছিল। আমরা এখন অফিসগুলো খুলে সরকারি কাজ করছি।