সংবাদ শিরোনাম
  • আজ ৯ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

বন্যার পানি কমলেও বিলীন হয়েছে কৃষকের স্বপ্ন!

১০:১৪ অপরাহ্ণ | বুধবার, সেপ্টেম্বর ৯, ২০২০ রাজশাহী
kri

উজ্জ্বল অধিকারী (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি: যমুনা নদী কোলঘেষে সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলা। এই উপজেলাটি ৬ টি ইউনিয়ন ও ১ টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত। তার মধ্যে বেলকুচি সদর, রাজাপুর, বড়ধূল ইউনিয়ন ও পৌরসভার বেশিরভাগ এলাকা যমুনা নদীর শাখায় অবস্থিত হওয়ায় পানি বাড়ার সাথে সাথে বন্যার প্লাবিত হয়ে পড়ে।

যার ফলে আবাদি জমিতে ফলিত ধান, পাট, তিল, কাউন, ধানের বীজতলা সহ সবজিবাগান নষ্ট হয়ে গেছে। যমুনা নদীতে পানি বৃদ্ধি সাথে করে কৃষকের স্বপ্ন তলিয়ে গেছে। এমন অবস্থায় কৃষকদের স্বল্পসুদে ঋণ ব্যাতিত তাদের মুখে হাসি ফোটানো কষ্টকর।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরে ৪ দফায় যমুনা নদীতে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। যার কারণে বেলকুচি উপজেলার ১৮ হাজার ৮ শ ৩৫ জন কৃষকের ৩ হাজার ৬ শ ৭০ হেক্টর জমিতে ২ হাজার ৫ শ ২৭ লক্ষ টাকার ফসলের ক্ষতি হয়েছে। এতে করে যমুনার পানি বৃদ্ধি সাথে করে কৃষকের স্বপ্ন তলিয়ে গেছে মনে করছে স্থানীয় কৃষি নির্ভর মানুষেরা।

বেলকুচি সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মির্জা সোলাইমান হোসেন এই প্রতিবেদককে বলেন, যমুনা নদীর অববাহিকায় আমার ইউনিয়ন। এ বছর বর্ষার পানি বৃদ্ধির কারণে মানুষের বিঘা বিঘা আবাদি জমির ফসল নষ্ট হয়েছে। কৃষির উপর নির্ভরশীল মানুষগুলো হতাশাগ্রস্ত হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। সরকারের পক্ষ থেকে কৃষকদের স্বল্পসুদে ঋনদিলে তাদের জীবন যাত্রার উন্নতি হতো।

বড়ধূল ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মাসুদ রানা বলেন, পানি বৃদ্ধির কারণে আবাদি জমি ভেঙ্গে নদীগর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। আমার ইউনিয়নে প্রায় দেড়শতাধিক পরিবার ভূমিহীন হয়ে পরেছে।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কল্যান প্রসাদ পাল এই প্রতিবেদককে জানান, বর্ন্যার পানিতে কৃষকের আবাদি জমির ফসলের যে ক্ষতি হয়েছে তা পূরণের লক্ষ্যে ইতিমধ্যেই প্রায় ৩ শ ৩ জন কৃষকের মাঝে সার ও ৫ শ জন কৃষককে নাবী জাতের রোপা ধানের চারা বিতরণ করেছি।

তাছাড়াও বন্যার পানিতে তলিয়ে যাওয়া ফসলের ক্ষতি পরিমাণ প্রতিবেদন আকারে আমার উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। আশা করছি তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে এই উপজেলার কৃষকের জন্য সুখবরের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।