সংবাদ শিরোনাম
আহলে সুন্নত ও হেফাজতের পাল্টাপাল্টি সমাবেশ, ১৪৪ ধারা জারি | আবারও বাড়ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি | ফুলবাড়ীতে চতুর্থ দফায় বন্যা, তলিয়ে গেছে ১ হাজার ৭শ হেক্টর আমনের ক্ষেত | সেই রাতে ছাত্রাবাসে কী ঘটেছিল, আদালতকে জানালেন ধর্ষণের শিকার তরুণী | প্রধানমন্ত্রীকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানালেন মোদি | প্রতিবেশীরা চাইলে আমাদের বিমানবন্দর ব্যবহার করতে পারেঃ প্রধানমন্ত্রী | ধর্ষণে ছাত্রলীগের জড়িত থাকা নতুন নয়: মির্জা ফখরুল | গ্রেফতার এড়াতে দাড়ি কেটে ফেলেছে ‘ধর্ষক’ সাইফুর! | বিচার বিভাগ নিয়ে পোস্ট: আইনজীবী ইউনুছ আলী সাময়িক বরখাস্ত | ধর্ষণের প্রতিবাদে সিলেটের মেয়র, কাউন্সিলরদের পদযাত্রা |
  • আজ ১২ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

মাছের মৃত্যুতে প্রেসিডেন্টের হৃদয়বিদারক শোকবার্তা

১২:১০ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ১০, ২০২০ Uncategorized

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ সম্প্রতি জাম্বিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম বিশ্ববিদ্যালয়ের পুকুরে বাস করা মাফিশি নামের একটি মাছ মারা গেছে। মাছটিকে সেই দেশের মানুষ সৌভাগ্যের প্রতীক বলে মনে করতেন।

এই মাছ মারা যাওয়ার পরে যাওয়ার পরে জাম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট তার ফেসবুকে এক হৃদয় বিদারক পোষ্ট করেন। এমনভাবে তিনি পোষ্টটি করেছেন যেন কেউ প্রথমে দেখলে মনে করবেন কোন মানুষের জন্য তিনি এটি লিখেছেন। কিন্তু মূলত তিনি পোষ্টটি করেছেন মাছের জন্য।

জাম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট এডগার লুঙ্গু তার এক ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘একটি জাতি কীভাবে প্রাণীদের সঙ্গে আচরণ করে তার মধ্যে দিয়ে তাদের মানসিকতা ও নৈতিক মূল্যবোধের পরিচয় পাওয়া যায়। আমি আনন্দিত এটা ভেবে যে তুমি বিদায় জানানোর পর উপযুক্ত সমাদর পেয়েছ। আমরা সবাই তোমাকে খুব মিস করব।’

মাছটির বয়স প্রায় ২২ বছর। প্রায় ২০ বছর ধরে মাছটি কপারবেল্ট ইউনিভার্সিটির (সিবিইউ) ক্যাম্পাসে একটি পুকুরে ছিল বলে জানা যায়।

গত দুই দশক ধরে সিবিউ এর শিক্ষার্থীরা মনে করেন, পরীক্ষায় তাদের জন্য সৌভাগ্য বয়ে আনে মাফিশি নামের এই মাছটি। স্থানীয় বাম্বা ভাষায় মাফিশি শব্দের অর্থ বিগ ফিশ বা বড় মাছ।

আফ্রিকা মহাদেশের দক্ষিণ অঞ্চলের দেশ জাম্বিয়ার মানুষ সৌভাগ্যের প্রতীক মাফিশি নামের এই মাছটির মৃত্যুতে গভীর শোকাহত। এমনকি, অনেকেই মাছটির ছবি শেয়ার করে শোকবার্তা লিখেছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়।

মাছটির মৃত্যুর কারণ এখনো জানা যায়নি। তা নিয়ে তদন্ত হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। তাই মাছটিকে এখনও সমাহিত করা হয়নি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্র লিখেছেন, ‘মাফিশিকে সাঁতার কাটতে দেখলেই মনে অদ্ভুত শান্তি পেতাম আমরা। পরীক্ষার আগে ওকে দেখতে পেলে আমাদের সৌভাগ্য সঙ্গে থাকত। তা ছাড়া ওকে দেখলে যেন মনের সব চাপ কেটে যেত। গত দুই দশক ধরে মাফিশির সঙ্গে ছাত্র-ছাত্রীদের বন্ধুত্ব গড়ে উঠেছিল।