সংবাদ শিরোনাম
গৃহবধূ গণধর্ষণের ঘটনায় ধর্ষকদের ফাঁসির দাবিতে আদালত প্রাঙ্গণে স্লোগান | এমসি কলেজে গণধর্ষণ: আসামিদের পক্ষে দাঁড়াননি কোনো আইনজীবী | করোনায় জাতীয় পার্টির সাবেক এমপি শামসুল হকের মৃত্যু | শেখ হাসিনাকে জন্মদিনের উপহার পাঠালেন মমতা ব্যানার্জি | সমঝোতা হয়নি, আপাতত টাইগারদের শ্রীলংকা সফর হচ্ছে না | হাসিনা-মোদি বৈঠক ডিসেম্বরে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী | পাকিস্তানে নওয়াজ শরিফের ভাই শেহবাজ গ্রেফতার | গ্রীসে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত মমিন ও শাহীনকে অশ্রুসিক্ত নয়নে শেষ বিদায় | মির্জাপুরে টিনশেট নামাতে গিয়ে বিদ্যুতস্পৃষ্টে কাঠমিস্ত্রির মৃত্যু | বগুড়ায় ৭৪ পাউন্ডের কেক কেটে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন পালন |
  • আজ ১৩ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

‘এবার রোহিঙ্গাদের ফিরে যাওয়া উচিত’- প্রধানমন্ত্রী

১০:৩৫ অপরাহ্ণ | সোমবার, সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২০ জাতীয়
pmm

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ রোহিঙ্গা সংকটসহ বিভিন্ন ইস্যুতে বাংলাদেশের পাশে থাকার জন্য তুর্কি জনগণ ও দেশটির সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে সব ধরনের সহায়তার জন্য ধন্যবাদ। আমি মনে করি প্রায় তিন বছর হতে চলেছে। রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর তাদের নিজ দেশে ফিরে যাওয়া উচিত। এই ইস্যুতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে তুরস্ক।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) প্রধানমন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে তুরস্কের আঙ্কারা মিশনের বাংলাদেশ চ্যান্সারি কমপ্লেক্স উদ্বোধনকালে একথা বলেন শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রায় ৫০ বছর আগে ১৯৭৪ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের সঙ্গে তুরস্কের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের শুরু হয়। তবে আমাদের সম্পর্কের শুরু ত্রয়োদশ শতাব্দীতে তুর্কি জেনারেল ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বখতিয়ার খিলজির বাংলা জয়ের মধ্যে দিয়ে। পাস্পরিক আস্থা-বিশ্বাসে ইতিহাস, বিশ্বাস ও ঐতিহ্যে ওপর ভিত্তি করে দু’দেশের সম্পর্কের শিকড় অনেক গভীরে।

দু’দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, দু’দেশের জনগণের দ্বিপক্ষীয় সুবিধার জন্য তুরস্কের সঙ্গে বাংলাদেশ সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে আগ্রহী। তুরস্কের সঙ্গে সম্পর্ক বাংলাদেশ বিশেষ গুরুত্ব দেয়।

২০১২ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ও বর্তমান প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের আমন্ত্রণে আঙ্কারা সফরের কথা উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আঙ্কারায় বাংলাদেশ দূতাবাস ভবন নির্মাণে তুর্কি কর্তৃপক্ষের সহযোগিতার প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। অত্যাধুনিক সুযোগ সুবিধা সংবলিত বাংলাদেশ দূতাবাস ভবনের প্রশংসাও করেন বাংলাদেশের সরকারপ্রধান।

শেখ হাসিনা বলেন, কোভিড-১৯ মহামারিতে বিশ্ব এক কঠিন সময় পার করছে। বাংলাদেশে আমরা সফলতার সঙ্গে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়া রোধ করতে পেরেছি। আমাদের সময়োপযোগী এবং সঠিক পদক্ষেপ এবং বিভিন্ন প্রণোদনা প্যাকেজ নেয়ার মাধ্যমে এই ভাইরাসের ধ্বংসাত্মক প্রভাব কিছুটা মোকাবিলা করতে পেরেছি।

তুর্কি প্রেসিডেন্ট এবং ফাস্ট লেডিকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সম্প্রতি লেবাননের বৈরুত বন্দরে বিস্পোরনে ক্ষতিগ্রস্থ নৌ বাহিনীর জাহাজ মেরামতের জন্য তুরস্ককে ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন ও তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত চাভুসগলু, তুরস্কে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম আল্লামা সিদ্দীকী।