সংবাদ শিরোনাম
ধর্ষণে অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা সাইফুরের রুম থেকে অস্ত্র উদ্ধার | স্ত্রী-সন্তান নিয়ে ভাঙা কুটিরে মানবেতর জীবন যাপন করছেন আ.লীগ নেতা বাচ্চু | উইঘুর সংস্কৃতি বিলুপ্ত করতেই হাজার মসজিদ ধ্বংস করে চীন | যে কারণে এই মুহূর্তে সরকার পতনের আন্দোলন করবেন না নুর | টাঙ্গাইলে বন্যায় সড়ক বিভাগের ৬০ কিলোমিটার রাস্তার ক্ষয়ক্ষতি | এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে গণধর্ষণ, ছাত্রলীগের যাদের খুঁজছে পুলিশ | মসজিদে নামাজ পড়তে আসলেই উপহার পাচ্ছে শিশুরা | স্কুলছাত্রী নীলা হত্যার প্রধান আসামি মিজান গ্রেফতার | করোনায় বিশ্বে ২০ লাখ মানুষের মৃত্যু হতে পারে: ডব্লিউএইচও | এমসি কলেজ হোস্টেলে স্বামীকে বেধে স্ত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগ ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে |
  • আজ ১১ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

চাঁদপুরে আমন চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ৭০ হাজার মেট্রিক টন

১০:৫২ অপরাহ্ণ | সোমবার, সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২০ চট্টগ্রাম
cal

এস. এম ইকবাল, চাঁদপুর প্রতিনিধিঃ চাঁদপুর জেলায় চলতি ২০২০-২১ অর্থবছর আমন চাষাবাদের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২৬ হাজার ৬শ ৫০ হেক্টর এবং উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা হচ্ছে ৭০ হাজার ৪শ ৯০ মেট্রিক টন চাল। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামারবাড়ি, চাঁদপুর ১৩ সেপ্টেম্বর এ তথ্য জানায়।

সুদীর্ঘ ৬০-৬৫ বছরের নদী ভাঙ্গনের ফলে চাঁদপুর মেঘনা নদীর পশ্চিম তীরে রয়েছে ১১টি বিচ্ছিন্ন চরাঞ্চল। চরাঞ্চলগুলোতে প্রচুর পরিমাণে কৃষি পণ্য উৎপাদন হয়ে থাকে। এর মধ্যে ধান, পাট, মরিচ, ভুট্টা, আলু, শাক-সবজি ও অন্যান্য রবি ফসল। পাশাপাশি রয়েছে গরু, ছাগল, মহিষ ও হাঁস-মুরগির প্রতিপালন।

প্রাপ্ত তথ্যমতে, চাঁদপুর জেলার মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্প চাঁদপুর ভেতরে এবং বিস্তীর্ণ নদীতীরবর্তী এলাকাগুলোতে এ রোপা আমন ধানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

রোববার ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১৯ হাজার ৪শ ৯০ হেক্টর জমিতে চাষাবাদ করা হয়েছে বলে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামারবাড়ি চাঁদপুরে কর্তব্যরত কৃষিবিদ আবদুল মান্নান জানিয়েছেন । আগামি ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিস্তীর্ণ এলাকায় এর চাষাবাদ বিদ্যমান থাকবে।

কৃষি বিভাগ সূত্র মতে, চাঁদপুরে কৃষি পণ্য উৎপাদনে ৫০ হাজার মে.টন রাসায়নিক সার বরাদ্দ দিয়েছে সরকার।

প্রণোদনা কমৃসূচির অধীন ২০২০-‘২১ অর্থবছরে ৩১৫ কেজি শাক-সবজির বীজও বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, চাঁদপুর দেশের অন্যতম কৃষি প্রধান অঞ্চল। এ জেলার ওপর দিয়ে মেঘনা, পদ্মা, ডাকাতিয়া ও মেঘনা-ধনাগোদা এ ৪টি নদী প্রবাহিত হওয়ায় এ অঞ্চলের জরবায়ু কৃষি পণ্য উৎপাদনে খুবই উপযোগী। মাটিও উর্বর।

নদীগুলোর জোয়ার-ভাটার পানিতে জমিগুলো প্রতিনিয়ত:ই কৃষি চাষাবাদে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।