সংবাদ শিরোনাম
সম্মেলন ডেকে হেফাজতের আমির নির্বাচন করা হবে: বাবুনগরী | সেনা কর্মকর্তা পরিচয়ে ৯ বছরে ৯ বিয়ে! অপেক্ষায় আরও ৪ | ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পুনর্নিয়োগ অনৈতিক ও বিধিবহির্ভূত: টিআইবি | চরফ্যাসনে ফার্মেসীতে র‍্যাবের অভিযান, দোকান বন্ধ করে পালাল ব্যবসায়ীরা | ইউএনও ওয়াহিদা ও তার স্বামীকে ঢাকায় বদলি | সবুজপাতা সফটওয়্যার ও মোবাইল অ্যাপসের উদ্বোধন করলেন রেলমন্ত্রী | ট্রাকচাপায় ছাগল মারা যাওয়ায় চালককে পিটিয়ে হত্যা | হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি শুরু | রংপুরে দুই বোনের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় হত্যা মামলা | ১৯ বছরেই সফল ডিজিটাল মার্কেটার তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থী তুহিন |
  • আজ ৫ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

‘আমার তো বয়স হয়েছে, আর কত’- প্রধানমন্ত্রী

৯:৪২ অপরাহ্ণ | বুধবার, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২০ আলোচিত বাংলাদেশ
pm

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, একটা দিকনির্দেশনা যদি সামনে থাকে তাহলে যে কোনো কাজ খুব সহজে যারাই ভবিষ্যতে আসুক তারাই করতে পারবে। কারণ আমাদের তো বয়স হয়ে গেছে। আমি তো..৭৪ বছর বয়স..কাজেই সেটাও মাথায় রাখতে হবে যে আর কত দিন। এরপরে যারা আসবে তারা যেন দিকহারা হয়ে না যায়। তাদেরও যেন একটা দিকনির্দেশনা থাকে।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সভার সূচনা বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন দলের সভাপতি শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “মহামারীতে দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে সরকার সহায়তা করেছে। আমার মনে হয় একমাত্র আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় ছিল বলে এইভাবে সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করেছে এবং মানুষকে সহযোগিতা করেছে।

“অন্য কোনো দল হলে এটা মোটেই করতো না বরং তারা দেখতো যে কীভাবে এখান থেকে কিছু ফায়দা লুটতে পারে কিনা,এটাই। কিন্তু আমরা আন্তরিকতার সাথে কাজ করেছি। এটা আমাদের নীতি, এটা আমাদের লক্ষ্য। এটা জাতির পিতা আমাদের শিখিয়েছেন। আমরা সেইভাবেই কাজ করে যাচ্ছি।”

শেখ হাসিনা বলেন, “আমাদের এক সময় প্রায় রপ্তানি থেমেই যাচ্ছিল। ইন্ডাস্ট্রিগুলো প্রায় বন্ধ ছিল। সীমিত আকারে আস্তে আস্তে ইন্ড্রাস্ট্রিগুলো আবার চালু করেছি। সেই সাথে ব্যবসা-বাণিজ্যটা যাতে সচল থাকে আর বিশেষ করে শ্রমিকদের বেতন দেওয়া, শ্রমিকদের পাশে দাঁড়ানো এবং কৃষকদের পাশে দাঁড়ানো। সেই ক্ষেত্রে আমরা প্রত্যেকের জন্য বিশেষ প্রণোদনা দিয়েছি। এই প্রণোদনা আমাদের বাজেটের প্রায় চার শতাংশ আমরা এই প্রণোদনা দেই।”

কোভিড-১৯ মহামারীর মধ্যেও সরকার ৫ লক্ষ কোটি টাকার মতো বিশাল বাজেট দিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “এত বড় বিশাল বাজেট। এটা দেওয়া কিন্তু কম কথা না। কিন্তু আমার কথা ছিল..জানি না করোনার জন্য কতটুকু করতে পারব না পারব কিন্তু আমার কথা ছিল আমাদের প্রস্তুতিটা থাকতে হবে সম্পূর্ণভাবে। যদি অবস্থা ভালো হয় আমরা সবটুকু অর্জন করতে পারব। যদি না পারি তারপরও তখন সেটা আমরা আবার দেখব। আমরা কিন্তু পিছিয়ে যাইনি। বাজেট আমরা ঘোষণা দিয়েছি দেশের জন্য।”

করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে বিভিন্ন দেশ থেকে প্রবাসীদের ফেরত আসতে হয়েছে জানিয়ে দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখা এই প্রবাসীদের ফেলে দিতে পারেন না জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, “অনেকের ধারণা ছিল আমাদের রেমিটেন্স কমে যাবে, রেমিটেন্স কিন্তু কমেনি। কারণ আমরা বিশেষ প্রনোদনা দিয়েছি ২ শতাংশ। তার ফলে রেমিটেন্স কিন্তু আমাদের বেড়েছে। এটা অনেকে ভাবতে পারেনি যে আমাদের রেমিটেন্স এত বাড়বে। রিজার্ভ এখন আমাদের ৩৯.৪ বিলিয়ন ইউএস ডলার। আমাদের রিজার্ভও কিন্তু ভালো রিজার্ভ আছে এটা আমি বলব। কাজেই সেদিক থেকে অর্থনীতি..আমরা মোটামুটি একটা ভালো অবস্থানে আছি। বাজেটের ডেফিসিট এবার আমরা ৬ শতাংশ ধরেছিলাম। এখানে আমার সিদ্ধান্ত ছিল দরকার হয় আমরা ১০ শতাংশ ধরব। কিন্তু সেটা আমাদের লাগেনি।”

দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ ও পরিকল্পনার কথাও সভায় তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সভায় শোষিত-বঞ্চিত মানুষের অধিকার আদায়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আজীবন সংগ্রাম ও পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট তাকে সপরিবারে হত্যার কথা তুলে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী।