• আজ ১৩ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

দেশে এখনও চলছে ক্যাসিনো, অভিযান অব্যাহত: র‌্যাব

১০:১৯ অপরাহ্ন | বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০ ঢাকা
rab

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকাঃ র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ বলেছেন, দেশে এখনও চলছে ক্যাসিনো ব্যবসা। তবে এবার তা হচ্ছে অনলাইনে। কোনোভাবেই যেনো এর লাগাম টেনে ধরা যাচ্ছে না। দেশি-বিদেশি বিভিন্ন ডোমেইন থেকে ‘অনলাইন ক্যাসিনো’ চলার তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাতে র‌্যাব সদরদপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এসব অনলাইন ক্যাসিনোর ব্যাপারে গোয়েন্দা নজরদারি রয়েছে বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, দেশে অনলাইনভিত্তিক ক্যাসিনোর অভিযান মূলত র‌্যাবই প্রথম শুরু করে। এতে মূল আসামি সেলিম প্রধান বর্তমানে কারাগারে আছেন। বর্তমান সময়ে ছোটখাটো অনলাইনভিত্তিক যেসব অভিযোগ আমরা পাচ্ছি, তা বড় ধরনের সংগঠিত নয়। আমরা দেখছি বিভিন্ন বিদেশি ডোমেইন থেকে এসব অনলাইন ক্যাসিনো পরিচালিত হচ্ছে। এরকম বেশকিছু বিষয় আমাদের নজরে এসেছে। এ বিষয়ে র‌্যাব কাজ করছে।

আশিক বিল্লাহ বলেন, ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গতবছর ক্যাসিনো বিরোধী ১১টি অভিযান করে র‌্যাব। এর মধ্যে ঢাকা শহরে ৮টি এবং চট্টগ্রামে ৩টি। এসব অভিযানে আটক করা হয় ২০১ জনকে। এদের বেশির ভাগকে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে সাজা প্রদান করা হয়।

ওইসব অভিযানে অবৈধ অস্ত্র, মাদকদ্রব্য ছাড়াও সর্বমোট প্রায় ২৭২ কোটি টাকার এফডিআর এবং নগদ টাকা উদ্ধার হয়। অভিযানে ৩২টি নিয়মিত মামলা করে র‌্যাব। পরবর্তীতে আদালত ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের নির্দেশে ১৪টি মামলা তদন্তের অনুমতি পায় র‌্যাব। এর মধ্যে ১৩টি মামলার চার্জশিট আদালতে দাখিল করা হয়েছে। বাকি ১টি মামলার কার্যক্রম আদালতের নির্দেশে স্থগিত রয়েছে।

২০১৯ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরুর প্রথম দিনই ফকিরাপুলের ইয়াংমেন্স ক্লাবে অভিযান চালানো হয়। ওই দিন সন্ধ্যায় গুলশানের বাসা থেকে যুবলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর ৬ অক্টোবর কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের সীমান্ত এলাকা থেকে র‍্যাব গ্রেফতার করে যুবলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটকে।

শুদ্ধি অভিযানের মধ্য দিয়ে বেরিয়ে আসে গণপূর্তের ঠিকাদার এস এম গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জি কে শামীমের টেন্ডার বাণিজ্য। জি কে শামীম ও খালেদ মাহমুদ গণপূর্তের ৩ হাজার কোটি টাকার বিভিন্ন গ্রুপের কাজের টেন্ডারবাজি নিয়ন্ত্রণ করে।

গ্রেফতার হন মোহামেডান ক্লাবের পরিচালক মো. লোকমান হোসেন ভূইয়া, ঢাকা ওয়ান্ডারার্স ক্লাবের ক্যাসিনো পরিচালনাকারী এনামুল হক আরমান, কলাবাগান ক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ শফিফুল আলম ফিরোজ, অনলাইন ক্যাসিনোর প্রধান সমন্বয়কারী সেলিম প্রধান, ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাবিবুর রহমান মিজান ওরফে পাগলা মিজান, মোহাম্মদপুরের ওয়ার্ড কাউন্সিলর তারেকুজ্জামান রাজীব ও ওয়ার্ড কাউন্সিলর আওয়ামী লীগ নেতা ময়নুল হক মনজু।

বাঘাইর মাছ পদ্মায় ধরা পড়েছে বিশালাকৃতির এক বাঘাইর মাছ

বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২০