সংবাদ শিরোনাম

ভ্যাকসিন নিরাপদ, অযথা ভয় পাবেন না: নরেন্দ্র মোদিসরাসরি সাক্ষাৎ করতে চান ট্রুডো ও বাইডেন, বৈঠক আগামী মাসেআজ আমার আনন্দের দিন: প্রধানমন্ত্রীরাজশাহীতে স্বামীর পুরুষাঙ্গ কেটে পালিয়েছে স্ত্রীকোম্পানীগঞ্জে রোববার আধাবেলা হরতালের ডাক দিলেন কাদের মির্জা৭০ হাজার গৃহহীন পরিবারকে পাকা ঘর উপহার দিলেন প্রধানমন্ত্রীএকরামুলের বহিষ্কার দাবিতে কাদের মির্জার অবস্থান কর্মসূচী অব্যাহতউখিয়ায় সংবাদকর্মীকে ফের অপহরণ করে হত্যা চেষ্টা, অবস্থা সংকটাপন্নসুনামগঞ্জে রেস্তোরাঁ থেকে কর্মচারীর লাশ উদ্ধারফটিকছড়িতে ‘মেহেদি হাসান বিপ্লব গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট’ উপলক্ষে মতবিনিময় সভা

  • আজ ৯ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

ওসি প্রদীপের স্থাবর-অস্থাবর সব সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ

◷ ৬:১৩ অপরাহ্ন ৷ রবিবার, সেপ্টেম্বর ২০, ২০২০ আলোচিত বাংলাদেশ
image 183958

সময়ের কণ্ঠস্বর, চট্রগ্রাম- অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যার আসামি টেকনাফের বরখাস্ত হওয়া ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকের করা অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলাটির এজাহারভুক্ত সম্পত্তি জব্দ করার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও দুদকের সহকারী পরিচালক মো. রিয়াজ উদ্দিনের করা আবেদনের প্রেক্ষিতে মহানগর সিনিয়র স্পেশাল দায়রা জজ শেখ আশফাকুর রহমানের আদালত এ আদেশ দেন।

দুদকের আইনজীবী কাজী সানোয়ার আহমেদ লাভলু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক মো. রিয়াজ উদ্দিনের করা আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত আসামি প্রদীপ কুমার দাশের সকল স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত ক্রোকের আদেশ দিয়েছেন। একই মামলায় আজ দুপুরে প্রদীপ কুমার দাশের জামিন আবেদনের ওপর শুনানি হয়। আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন।

এর আগে ১৪ সেপ্টেম্বর মহানগর সিনিয়র স্পেশাল দায়রা জজ শেখ আশফাকুর রহমানের আদালত দুদকের মামলায় প্রদীপ কুমার দাশকে গ্রেফতার দেখানোর আদেশ দেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানার পাথরঘাটা এলাকায় প্রদীপ কুমার দাশ ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ দিয়ে একটি ছয়তলা ভবন গড়ে তুলেছেন। যা গোপন করার জন্য ভবনটি তার শ্বশুরের নামে নির্মাণ করেন বলে উল্লেখ করা হয়। পরবর্তীতে ভবনটি প্রদীপের স্ত্রীকে ‍দান করেন শ্বশুর। দানপত্র দলিল হলেও ভবনটি প্রদীপ দাশ ও তার স্ত্রী চুমকির অর্জিত বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়।