সংবাদ শিরোনাম

ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়, ত্যাগের মহিমায় জীবন সাজান: কাদেরআল্লাহ’র সঙ্গে শিরক, নিষিদ্ধ হলো তুরস্কের বিখ্যাত ‘ইভিল আই’ তাবিজক্ষমা চাইলেন এমপি একরামুলএবার এসএসসি-এইচএসসিতে অটোপাস সম্ভব নয়: শিক্ষামন্ত্রীবাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দনসৈয়দপুর-রংপুর মহাসড়ক থেকে অজ্ঞাত লাশ উদ্ধারনন্দীগ্রামে আন্তজেলা ডাকাত দলের সদস্য গ্রেফতারশাহজাদপুরে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তাদের অর্থায়নে পাকা ঘর পাচ্ছে প্রতিবন্ধী দম্পতিবাংলাদেশে পরীক্ষা চালানোর জন্য ২০ লাখ টিকা দিয়েছে ভারত: রিজভীফরিদপুরের ভাঙ্গায় ট্রাক-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষ: ২ স্কুলছাত্র নিহত

  • আজ ১২ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

মসজিদে বিস্ফোরণ: তিতাসের সেই ৮ কর্মকর্তা-কর্মচারী জামিনে মুক্ত

◷ ৭:৪৪ অপরাহ্ন ৷ সোমবার, সেপ্টেম্বর ২১, ২০২০ আলোচিত
Ima6666666

সময়ের কণ্ঠস্বর, নারায়ণগঞ্জ- নারায়ণগঞ্জে মসজিদে বিস্ফোরণের ঘটনায় তিতাসের চার কর্মকর্তাসহ ৮ জনের জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত। আসামিদের দুইদিনের রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করা হলে আদালত জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নারায়ণগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আফতাবুজ জামানের আদালত শুনানি শেষে এই আদেশ দেন। পরে তারা জামিনে মুক্ত হন।

বিবাদী পক্ষের আইনজীবী বলেন, মসজিদের ভেতরে তিতাসের কোন লাইন ছিল না। তিতাস কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে বৈধ কোন সংযোগ নেয়নি কেউ। মসজিদে বিস্ফোরণের অবহেলাজনিত কারণে গ্রেফতারকৃত তিতাসের আট কর্মকর্তাদের বিষয়ে উপস্থাপনের পর শুনানি শেষে আদালত তাদেরকে জামিন দিয়েছেন। এ মামলায় পরবর্তী ধার্য তারিখ আগামী ২৮ অক্টোবর।

জামিন প্রাপ্তরা হলেন- তিতাসের ফতুল্লা অঞ্চলের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মো. সিরাজুল ইসলাম, উপব্যবস্থাপক মাহামুদুর রহমান রাব্বী, সহকারী প্রকৌশলী এসএম হাসান শাহরিয়ার, সহকারী প্রকৌশলী মানিক মিয়া, সিনিয়র সুপারভাইজার মো. মুনিবুর রহমান চৌধুরী, সিনিয়র উন্নয়নকারী মো. আইউব আলী, হেল্পার মো. হানিফ মিয়া ও কর্মচারী মো. ইসমাইল প্রধান।

এর আগে, গত ১৯ সেপ্টেম্বর সকালে মসজিদে বিস্ফোরণের ঘটনায় পুলিশের দায়ের করা মামলায় ফতুল্লার বিভিন্ন এলাকা থেকে তিতাসের ৮ কর্মকর্তা কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করে সিআইডি। ওইদিন বিকেলে তাদের পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে হাজির করা হলে আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

উল্লেখ্য, ৪ সেপ্টেম্বর রাতে সদর উপজেলার পশ্চিম তল্লা এলাকায় বাইতুস সালাত জামে মসজিদে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী, সাংবাদিক ও শিশুসহ ৪০ জন দগ্ধ হন। তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শেখ হাসিনা প্লাস্টিক সার্জারি ও বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। এ পর্যন্ত ৩৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় ৫ সেপ্টেম্বর ফতুল্লা থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) হুমায়ুন কবির বাদী হয়ে অজ্ঞাতদের আসামি করে ফতুল্লা থানায় মামলা করেন। পরে মামলার তদন্তের দায়িত্ব সিআইডিকে দেয়া হয়।