🕓 সংবাদ শিরোনাম

কোনো প্রকৃত আলেমকে গ্রেফতার করা হয়নি : সংসদে ধর্ম প্রতিমন্ত্রীএসএসসি-এইচএসসিতে বিকল্প মূল্যায়ন নিয়েও কাজ চলছে: শিক্ষামন্ত্রীটাঙ্গাইলে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর এক নারীর ধর্ষকদের গ্রেফতার দাবিতে মানববন্ধনপরীমনি ভাগ্যবতী, ত্ব-হা’র পরিবারের সেই সৌভাগ্য হয়নি: সংসদে রুমিন ফারহানাচট্টগ্রামে ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত ১৫৮ জনযাত্রাবাড়ী থেকে হেফাজত নেতা আজহারুল ইসলাম গ্রেফতারদালাল নির্মূলে মিটফোর্ড হাসপাতালে র‍্যাবের অভিযান, আটক ২৩সাইকেল চালিয়ে পদ্মা পাড়ি, পারেন প্লেন তৈরি করতেও!ত্রিশালের সাবেক এমপি এমএ হান্নান আর নেইনগদ টাকা ও ইয়াবা তৈরীর বিপুল পরিমাণ উপাদানসহ ৩ রোহিঙ্গা আটক

  • আজ মঙ্গলবার, ১ আষাঢ়, ১৪২৮ ৷ ১৫ জুন, ২০২১ ৷

করোনা ভাইরাস: লক্ষণ, সুরক্ষার উপায় এবং দন্ত চিকিৎসা ও প্রতিকার


❏ বুধবার, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২০ আপনার স্বাস্থ্য

বর্তমান বিশ্বের প্রধান আলোচ্য বিষয় করোনা ভাইরাস, যেটি ধারণ করেছে মহামারী ও ভয়াবহ রূপ। গঠনগতভাবে করোনা ভাইরাস একটি বিশাল (RNA) ভাইরাসের পরিবার।

‘করোনা’ শব্দের আক্ষরিক অর্থ হল মুকুট। ইলেকট্রন মাইক্রোস্কোপের তলায় এই পরিবারের ভাইরাসকে অনেকটা রাজার মাথার মুকুটের মতো দেখায়, সেই থেকে এই নামকরণ। অন্য সকল ভাইরাসের মতো এরাও জীবনধারণ ও বংশবৃদ্ধির জন্য কোন না কোন কোষের উপর নির্ভরশীল হয়ে থাকে।

রোগ প্রতিরোধের জন্য সব থেকে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল আত্মসচেতনতা। নতুন এই রোগটি প্রথম দিকে বিভিন্ন নামে পরিচিত ছিল, তবে সব থেকে গ্রহণযোগ্য বিশ্বব্যাপী হলো ”COVID-19″, যা নির্ধারিত হয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে।

তবে কিছু কিছু গবেষকের মতে এর স্থায়িত্ব ২৪ দিন পর্যন্ত থাকতে পারে। শুরুর দিকের উপসর্গ সাধারণত সর্দিজ্বর, অবসাদ, শ্বাসকষ্ট, কফ, মাংস পেশিতে ব্যাথার মাধ্যমে শুরু হয়। প্রধান লক্ষণ শ্বাস প্রশ্বাসের সমস্যা; মূলত এটি ফুসফুসে আক্রমণ করে। সাধারণত শুষ্ক কাশি ও জ্বরের মাধ্যমেই শুরু হয় উপসর্গ, পরে শ্বাস প্রশ্বাসে সমস্যা দেখা দেয়।

৫৬ হাজার আক্রান্ত রোগীর উপর চালানো এক জরিপ নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক পরিসংখ্যানে উঠে এসেছে, এই রোগে ৬% কঠিনভাবে অসুস্থ হয়- (ফুসফুস বিকল হওয়া, সেপটিক শক, অঙ্গ বৈকল্য এবং মৃত্যুর সম্ভাবনা। ১৪% এর মধ্যে তীব্রভাবে উপসর্গ দেখা যায়; মূলত শ্বাস প্রশ্বাসে সমস্যা তৈরী হয়। ৮০% হালকা উপসর্গ দেখা যায়- জ্বর এবং কাশি ছাড়াও কারো কারো নিউমোনিয়ার উপসর্গ দেখা দিতে পারে।

বাংলাদেশ প্রেক্ষাপটে প্রতিরোধ করার জন্য সামাজিক দূরত্ব, সীমাবদ্ধতা, নিজের আত্মসচেতন হওয়া আব্যশক। যেহেতু করোনা ছড়িয়ে পড়েছে তখন সাধারণত সংস্পর্শে থাকা অবস্থায় ১ মিটার (৩ ফুট) সীমাবদ্ধতা নিয়ে চলতে হবে। যখন থুতু ফেলা হয় সেটার মাধ্যমে রেসপাইরেটরিতে নিশ্বাসের মাধ্যমে প্রবেশ করে এবং জন থেকে জনে ছড়িয়ে পড়ছে।

সুতরাং ১ মিটার সীমাবদ্ধতা পালন করতে হবে। মুখে মাস্ক ব্যবহার করতে হবে মুখ এবং দাঁত সুরক্ষার জন্য। দুই হাতে গলবস ব্যবহার করতে হবে। হাত ধোয়ার জন্য হ্যানড স্যানিটাইজার ব্যবহার বাধ্যতামূলক।

কোন রোগীর সংস্পর্শ থাকলে সন্দেহজনিত কারণে অবশ্যই কোয়ারেন্টাইনের মাধ্যমে নিজেকে সুরক্ষিত করতে হবে। নিশ্বাসের মাধ্যমে প্রবেশ করলে মুখ গহ্বর ও দাঁত লালচে ও র‍্যাশ পড়ার সম্ভাবনা হয়, সুতরাং অবশ্যই মুখ গহ্বর ও দাঁতের রোগ প্রতিরোধ এর জন্য প্রতিষেধক নিজেকে নিতে হবে।

পরিশেষে এই ভাইরাসকে গুরুত্ব দিতে হবে। এর হাত থেকে বাঁচতে বার বার সাবান বা ৬০ শতাংশ আ্যালকোহল রয়েছে এমন স্যানিটাইজার দিয়ে হাত ধোয়া খুব জরুরি। শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে পারে স্বাস্থ্যকর খাওয়া-দাওয়া (ভিটামিন-সি), যা মাড়ি ও দাঁতের সুরক্ষা রাখে।

 

লেখক: ডাঃ কাজী সোমাইয়া মাহ্ নূর।

[email protected]

ওরাল কেয়ার, গ্রীন রোড, ১২০৫-ঢাকা।