সংবাদ শিরোনাম
ফরিদগঞ্জে অবৈধ ড্রেজিং করে বালু উত্তোলন চলছেই, নিরব ভূমিকায় প্রশাসন | সিলেটে ডাক্তার দম্পতির বাসা থেকে তরুণীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার | কিশোরগঞ্জে আইপিএল নিয়ে জুয়ার আড্ডায় অভিযান, ১৩ জনের জেল-জরিমানা | নিষ্ঠুর পিতার বিকৃত রুচি! নিজ মেয়েকে ধর্ষণের মামলায় পিতা কারাগারে | পুলিশ ও জনগণের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ সৃষ্টি করতে হবে: জিএমপি কমিশনার | মির্জাপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু | বাড়ছে ডেঙ্গু, ৩৭ রোগী হাসপাতালে ভর্তি | যমুনা নদী সুরক্ষা বাঁধ নির্মাণের দাবিতে নাগরপুরে মানববন্ধন | সারাদেশে ১০ হাজার কি.মি. নদী খনন করা হবে: নৌ প্রতিমন্ত্রী | আশুলিয়ায় চাঞ্চল্যকর শিশু আসিফ হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন |
  • আজ ১৫ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

একে একে ১২টি বিয়ে, মাইক্রো চালক স্বামীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান স্ত্রীরা

৫:৫৮ অপরাহ্ন | বুধবার, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২০ ঢাকা, দেশের খবর

মোল্লা তোফাজ্জল, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি- টাঙ্গাইলের সখীপুরে বিভিন্ন প্রতারণা করে শফিকুল ইসলাম নামের এক মাইক্রো চালকের বিরুদ্ধে ১২টি বিয়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত সোমবার ওই প্রতারক স্বামীর বিচার ও স্ত্রী অধিকার চেয়ে বর্তমান ৫ স্ত্রীর মধ্যে তিন স্ত্রী সখীপুর থানায়, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, প্রেসক্লাব ও মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন।

এতে প্রতারক শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে একাধিক বিয়ে, বিয়ের পর যৌতুকের দাবিতে মারধর, বিভিন্ন কৌশলে স্ত্রীদের কাছ থেকে টাকা আত্মসাৎ, মুখ খুললে হত্যার হুমকিসহ একাধিক অভিযোগ আনা হয়।

জানা যায়, উপজেলার যাদবপুর ইউনিয়নের শোলাপ্রতীমা দক্ষিণপাড়া গ্রামের নূরু মিয়ার ছেলে মাইক্রোচালক শফিকুল ইসলাম (৪০) ২০১৮ সালের ১৪ ডিসেম্বর মধুপুর উপজেলার ১নং কুড়ালিয়া ইউনিয়ন কাজী অফিসে ঘাটাইল উপজেলার হামিদপুর গ্রামের আঃ গফুরের মেয়ে বিউটি আক্তারকে বিয়ে করেন। ৮ মাস পর ২০১৯ সালের ৫ জুলাই প্রতারক শফিকুল ইসলাম গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার ৫,৬,৭ ও ৯নং ওয়ার্ড কাজী অফিসে গাজীপুরের ভাওরাইদ গ্রামের রফিজ উদ্দিনের মেয়ে খোদেজা আক্তারকে দুইলাখ টাকা দেনমোহরে বিয়ে করেন।

এরই ৫ মাস পর ওই প্রতারক টাঙ্গাইল পৌরসভার ১০নং ওয়ার্ড কাজী অফিসে ২০১৯ সালের ১২ ডিসেম্বর সখীপুর উপজেলার কাকড়াজান গ্রামের আক্কাস আলীর মেয়ে আকলিমা আক্তারকে তিন লাখ টাকা দেনমোহরে বিয়ে করেন। এছাড়াও প্রতারক শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে সুমি, আখি, খালেদা, শিল্পী, কহিনুর, ফেরদৌসি এবং শরীফা আক্তারসহ আরো একাধিক বিয়ের প্রমাণ পাওয়া যায়।

অভিযোগকারী বিউটি, খোদেজা ও আকলিমা আক্তার বলেন, শফিকুল প্রতারণা করে একে একে ১২টি বিয়ে করেছে। বর্তমানে আমরা তিনজনসহ তার ৫ জন স্ত্রী আছে। তারা প্রতারক শফিকুলকে দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

অভিযুক্ত শফিকুল ইসলামের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি একাধিক বিয়ে করার কথা স্বীকার করেন।

এ ব্যাপারে সখীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) বদিউজ্জামান লিখিত অভিযোগ পাওয়ার কথা স্বীকার করে বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান।

উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন সখীপুর শাখার সভাপতি জুলফিকার হায়দার কামাল লেবু বলেন, অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান।