নুরকে ঢাবিতে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করলো ছাত্রলীগ

◷ ৯:৫৯ অপরাহ্ন ৷ রবিবার, সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২০ আলোচিত বাংলাদেশ
bsl

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ ডাকসুর সদ্য সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। একই সঙ্গে ধর্ষণ মামলার সব আসামিকে অবাঞ্ছিত করেছে সংগঠনটি।

রোববার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি সংলগ্ন সন্ত্রাস বিরোধী রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে এই ঘোষণা দেন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস।

এছাড়াও সিলেটের এমসি কলেজ, খাগড়াছড়ি ও সাভারে ধর্ষণের সাথে জড়িত সকলের গ্রেপ্তার ও বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয় সমাবেশে।

সভায় বক্তারা দাবি করেন, গত ১০- ১২ বছর ধরে সিলেটের এমসি কলেজে ছাত্রলীগের কোনো কার্যক্রম নেই। তাই সেখানে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্তদের সাথে ছাত্রলীগের নাম উদ্দেশ্যমূলকভাবে জড়ানো হচ্ছে।

এ সময় সংবাদ মাধ্যম ও সুশীল সমাজের সমালোচনা করে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় বলেন, ড. কামাল হোসেন ধর্ষকদের বলে তাদের আইনি সহায়তা দেবেন। এ ধরনের লোকদের যারা আইনি সবহায়তা দেয়, তাদরকে বয়কট করতে হবে। আমি আইনের ছাত্র হিসেবে লজ্জিত, তারা নাকি বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য লড়েছেন। আমরা তো বিশ্বাস করি না। তারা বঙ্গবন্ধুকে নিয়েও কথা বলেন। এই নুরু গঙরা, ড. কামাল হোসেনরা রাষ্ট্রের শত্রু। তাদের এ দেশে থাকার কোনো অধিকার নাই। তাদেরকে বয়কটের এখন সময় এসেছে। আমরা এই ক্যাম্পাসে তাদের অবাঞ্ছিত ঘোষণা করছি।’

মিডিয়ার সমালোচনা করে ছাত্রলীগ সভাপতি বলেন, ‘আামাদের মিডিয়া, তথাকথিত শিক্ষক, সুশীল সমাজ সিলেটে এমসি কলেজে ধর্ষক কে এটা দেখে, বারবার ছাত্রলীগকে দোষারোপ করে। ধর্ষকের তো কোনো দল নেই। সে যেই হোক, সে নিকৃষ্টতম প্রাণী, সে কুলাঙ্গার। তাদের অবশ্যই বিচার করতে হবে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন বলেন, “গণমাধ্যমের কর্মীদের আমি বলতে চাই, আপনারা সিলেক্টিভ নৈতিকতা না দেখিয়ে, আপনার নৈর্ব্যত্তিক নৈতিকতা দেখান। সিলেট এমসি কলেজের ঘটনা পত্রিকার লিড হবে, আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যায়ের ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনা নিম্নভাবে উপস্থাপন হবে, তা কেন? বিষয়টি আপনার ভেবে দেখবেন। ডাকসুর ভিপি নাটকবাজ নূর একেক সময় একেক কথা বলছে। তারা কথায় কোনা হিসাব মিলছে না। গণমাধ্যমের কাছে অনুরোধ সব ঘটনা যেন সমান গুরুত্ব পায়।”

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ আয়োজিত এ সমাবেশে বিশ্ববিদ্যালয় ও হল শাখাগুলোর ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের দুই শতাধিক নেতা-কর্মীর পাশাপাশি কেন্দ্রীয় নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।