সংবাদ শিরোনাম
মানবদেহ সম্পর্কে কিছু বিস্ময়কর তথ্য যা অনেকেরই অজানা | রোহিঙ্গাদের ৩৪ কোটি ডলার সহায়তা দেবে যুক্তরাষ্ট্র ইইউ ও ব্রিটেন | ঢামেক হাসপাতালকে পাঁচ হাজার শয্যায় উন্নীত করা হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী | ‘রোহিঙ্গাদের যত দ্রুত সম্ভব তাদের নিজ দেশে ফিরে যেতে হবে’- পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী | নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ মাছ ধরায় ১৮ জেলের কারাদণ্ড! | দেশের মানুষের নিকট জাতীয় পার্টি ছাড়া বিকল্প কোনো পার্টি নেই: জিএম কাদের | বয়স চার হলেই স্কুলে যাবে শিশুরা, ২ বছরের প্রাক-প্রাথমিক | পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যে বিক্ষুব্ধ সিলেটের টেলিভিশন সাংবাদিকরা | ‘আজারবাইজানের সহায়তায় সেনা পাঠাতে দ্বিধা করবে না তুরস্ক’ | ‘আসসালামু আলাইকুম’ ও ‘আল্লাহ হাফেজ’ বলাকে জঙ্গিবাদের চর্চা বলায় লিগ্যাল নোটিশ |
  • আজ ৭ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

‘নভেম্বরে আসতে পারে করোনার ভ্যাকসিন’- স্বাস্থ্যমন্ত্রী

১০:৫৯ অপরাহ্ণ | সোমবার, সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২০ জাতীয়
sas

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ রাশিয়ার উদ্ভাবিত করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন আগামী নভেম্বরের শেষ নাগাদ বাংলাদেশ পেতে পারে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে নিজ দফতরে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ সময় আসন্ন শীতে করোনা পরিস্থিতি এবং স্বাস্থ্য খাতের বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতি নিয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বিশ্বে যে কয়েকটি দেশ করোনাভাইরাসের টিকা উদ্ভাবন করে তৃতীয় ধাপের ট্রায়াল শেষ করেছে, তাদের মধ্যে রাশিয়ার টিকা এগিয়ে আছে। আগামী নভেম্বরের শেষ দিকে এ টিকা বাজারজাত হতে পারে। অগ্রাধিকারভিত্তিতে আমরা এ টিকা পাওয়ার চেষ্টা করছি।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বিশ্বে ১০টির মতো সংস্থা করোনার টিকা নিয়ে কাজ করেছে। এরমধ্যে ৪-৫টি সংস্থা তাদের তৃতীয় ধাপের ট্রায়াল শেষ করেছে। আমরা এদের সবার সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি। চিঠি চালাচালিও হচ্ছে। এ প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে যারা আমাদের স্থানীয় ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে এখানে টিকা উৎপাদন করবে আমরা তাদের সঙ্গে চুক্তিতে যাব। এতে আমাদের টিকা পেতে সহজ হবে। এটিকেই আমরা অগ্রাধিকার দিচ্ছি।

শীতকালে করোনা নিয়ন্ত্রণে রাখার আশা ব্যক্ত করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আসন্ন শীতে এমনিতেই আমাদের সামাজিক অনুষ্ঠান বেশি হয়। যেমন বিয়ে, পিকনিক, ভ্রমণ- এগুলো শীতকালেই বেশি হয়। এতে মানুষের মাঝে যোগাযোগ বেশি হয়। তাছাড়া শীতকালে ঠান্ডাজনিত রোগব্যাধিও হয়। এসব দিক মাথায় রেখে আমরা আমাদের কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। প্রধানমন্ত্রীও আমাদের এ বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছেন।