সংবাদ শিরোনাম
মানবদেহ সম্পর্কে কিছু বিস্ময়কর তথ্য যা অনেকেরই অজানা | রোহিঙ্গাদের ৩৪ কোটি ডলার সহায়তা দেবে যুক্তরাষ্ট্র ইইউ ও ব্রিটেন | ঢামেক হাসপাতালকে পাঁচ হাজার শয্যায় উন্নীত করা হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী | ‘রোহিঙ্গাদের যত দ্রুত সম্ভব তাদের নিজ দেশে ফিরে যেতে হবে’- পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী | নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ মাছ ধরায় ১৮ জেলের কারাদণ্ড! | দেশের মানুষের নিকট জাতীয় পার্টি ছাড়া বিকল্প কোনো পার্টি নেই: জিএম কাদের | বয়স চার হলেই স্কুলে যাবে শিশুরা, ২ বছরের প্রাক-প্রাথমিক | পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যে বিক্ষুব্ধ সিলেটের টেলিভিশন সাংবাদিকরা | ‘আজারবাইজানের সহায়তায় সেনা পাঠাতে দ্বিধা করবে না তুরস্ক’ | ‘আসসালামু আলাইকুম’ ও ‘আল্লাহ হাফেজ’ বলাকে জঙ্গিবাদের চর্চা বলায় লিগ্যাল নোটিশ |
  • আজ ৭ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

একমাস পর হাসপাতাল ছাড়লেন ইউএনও ওয়াহিদা

৪:৫১ পূর্বাহ্ণ | শুক্রবার, অক্টোবর ২, ২০২০ রংপুর
unoo

শাহ আলম শাহী, স্টাফ রিপোর্টার, দিনাজপুর থেকেঃ প্রায় একমাস পর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার সাবেক নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াহিদা খানম।

বৃহস্পতিবার সকালে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স অ্যান্ড হসপিটাল থেকে তাঁকে রিলিজ দেওয়া হয়। সেখান থেকে তাঁকে মিরপুর সিআরপিতে (পক্ষাঘাতগ্রস্তদের পুনর্বাসন কেন্দ্র বা সেন্টার ফর দ্য রিহ্যাবিলিটেশন অব দ্য প্যারালাইজড) নেওয়া হয়েছে।

ওয়াহিদাকে বিদায় জানানোর সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তাঁর চিকিৎসায় গঠিত মেডিক্যাল বোর্ড প্রধান ও ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স অ্যান্ড হসপিটালের অধ্যাপক ডা. জাহেদ হোসেন।

তিনি বলেন, এক মাস আগে আমাদের এই হাসপাতালে এসেছিলেন ওয়াহিদা। তখন তার অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন ছিল। তিনি অস্ত্রোপচারে যাওয়ার মতো অবস্থায় ছিলেন না। প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে অপারেশনের উপযোগী অবস্থায় নিয়ে আসি। তখন তার জ্ঞানের মাত্রা ঠিক ছিল না। পরে স্থিতিশীল অবস্থায় আসেন।

‘প্রথমদিকে শরীরের ডানপাশ একদম নাড়াতে পারছিলেন না। তবে এক সপ্তাহ পর থেকে ডান হাত ও পরে ডান পা নাড়াতে শুরু করেন। গত তিন সপ্তাহে তিনি শরীরের ডান অংশ পুরোটাই নাড়াতে পারছেন ও হাঁটতে পারছেন।’

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, ‘ওয়াহিদার অস্ত্রোপচার শতভাগ সফল হয়েছে। তার শারীরিক পরিস্থিতি এখন ভালো। শক্তি ফিরে এসেছে। সামান্য বাকি আছে। সেজন্য সিআরপিতে রেফার করেছি। সেখানে ফিজিওথেরাপি নিলে আশা করি বাকি বলটুকুও ফিরে আসবে। আগামী দুই-এক সপ্তাহে ফুল রিকভার হয়ে যাবেন।’

আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘তার কোনও ডিজ্যাবিলিটি নেই, থাকবেও না। এক মাস পরে তাকে ফলোআপে আসতে বলা হয়েছে।’

প্রসঙ্গত, গত ২ সেপ্টেম্বর দিনগত রাত তিন্টার দিকে উপজেলা পরিষদ চত্বরে ইউএনও’র সরকারি বাসভবনে ঢুকে হামলা করে দুর্বৃত্তরা। ভারী ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে এবং আঘাত করে ইউএনও ওয়াহিদাকে গুরুতর আহত করে তারা। এ সময় মেয়েকে বাঁচাতে এলে বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা ওমর আলী শেখকে (৭০) জখম করে দুর্বৃত্তরা। পরে তারা অচেতন হয়ে পড়লে মৃত ভেবে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। ভোরে স্থানীয়রা টের পেয়ে তাদের উদ্ধার করে।

ওয়াহিদা ও তাঁর বাবাকে প্রথমে রংপুরে ও পরে রংপুর থেকে ঢাকায় আনা হয়। তার বাবা ওমর আলী শেখ এখনও নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। চিকিৎসায় সুবিধার জন্য ওয়াহিদা ও তার স্বামীকে ঢাকায় বদলি করে আনেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।