সংবাদ শিরোনাম
সাকিবের নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ায় মাগুরায় আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ | বগুড়ায় ‘এক ঘণ্টার ডিসি’ হলেন পুষ্পা | প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটুক্তির প্রতিবাদে বগুড়ায় বিক্ষোভ | মির্জাপুরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আইল্যান্ডে ট্রাক, অজ্ঞাত যুবকের মৃত্যু | যমুনায় ইলিশ ধরার অপরাধে ১৫ জেলের কারাদণ্ড, জব্দকৃত মাছ মাদ্রাসায় বিতরণ | রংপুরে সংঘবদ্ধভাবে কিশোরী ধর্ষণে এএসআইয়ের সম্পৃক্ততা আদালতে স্বীকার | অবশেষে ডিবির এএসআই রাহেনুল গ্রেফতার | ফ্রান্সের ম্যাগাজিন শার্লি হেবদোর বিরুদ্ধে মামলা করলেন এরদোয়ান | এরদোয়ানের বিরুদ্ধে ইউরোপীয় ইউনিয়নে ম্যাক্রোঁর নালিশ | এবার ফ্রান্সের পণ্য বয়কটের ডাক দিলেন জাকির নায়েক |
  • আজ ১৩ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

বৈদেশিক মুদ্রা মজুতে নতুন উচ্চতায় বাংলাদেশ

১:১৪ অপরাহ্ন | শুক্রবার, অক্টোবর ৯, ২০২০ অর্থনীতি
remitens

অর্থনীতি ডেস্কঃ বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার মজুত (রিজার্ভ) ৪০ বিলিয়ন ডলার বা ৪ হাজার কোটি ডলার ছাড়িয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দিন শেষে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ ৪০ অতিক্রম করেছে বিলিয়ন ডলার।

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ বাড়ায় এবং খরচ কমার কারণে এর পরিমাণ বাড়ছে বলে বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র জানিয়েছে। গত বছরের এ সময়ে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩ হাজার ২০০ কোটি ডলার। এক বছরের ব্যবধানে বেড়েছে ৮০০ কোটি ডলার।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্র জানায়, অক্টোবর জুড়ে রিজার্ভের পরিমাণ বাড়তে পারে। কারণ এ মাসে বড় ধরনের কোনো দেনা শোধ করতে হবে না। নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর ২ মাসের এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের দেনা শোধ করতে হবে। তখন রিজার্ভের পরিমাণ সামান্য কমতে পারে। প্রতি ২ মাস পর পর আকুর দেনা শোধ করা হয়। এ বাবদ প্রতি ২ মাসে গড়ে ৭৫ থেকে ৯০ কোটি ডলারের দেনা শোধ করতে হয়।

রিজার্ভের বেশ কয়েকটি উৎস রয়েছে। এর মধ্যে বর্তমানে বড় ভূমিকা রাখছে প্রবাসী আয়। প্রবাসীরা অর্থ পাঠানো বাড়িয়ে দিয়েছেন। গত জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে প্রবাসী আয়ে প্রবৃদ্ধি ৪৬ শতাংশ। রপ্তানিও ঋণাত্মক ধারা থেকে ফিরে এসেছে। এখন পর্যন্ত রপ্তানির প্রবৃদ্ধি প্রায় ২ শতাংশ। তবে আমদানিতে তেমন গতি নেই। আবার মহামারীর কারণে দাতাদের কাছ থেকে পাওয়া গেছে ঋণসহায়তা। বিদেশে যাওয়ায় প্রায় বন্ধ। ফলে ডলারের ওপর চাপ নেই। এসব কারণেই নতুন নতুন রেকর্ড করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ।

ব্যাংকাররা বলছেন, সংকটে পড়লে এই রিজার্ভ অর্থনীতির গতি ধরে রাখতে কাজে দেবে। আমদানি দায় মেটাতে সমস্যায় পড়তে হবে না।প্রবাসী আয় বাড়াতে ২০১৯-২০ অর্থবছর থেকে ২ শতাংশ প্রণোদনা দেয়া শুরু করে সরকার। এরপর থেকেই প্রবাসী আয়ে গতি এসেছে। তবে করোনার পরে তাতে নতুন মাত্রা দেখা দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, কাজ হারানোর আশঙ্কায় অনেকে সব বিক্রি করে টাকা পাঠাচ্ছেন। সুতরাং সামনের দিনগুলোতে প্রবাসী আয়ের এই গতি ধরে রাখা যাবে কি না, এ নিয়ে সংশয় রয়েছে।

মূলত ২০১৪ সাল থেকেই দেশে রিজার্ভের পরিমাণ বেশি করে বাড়তে শুরু করে। ওই বছরের ১০ এপ্রিল রিজার্ভ ২ হাজার কোটি ডলার ছাড়িয়ে যায়। ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে তা ২ হাজার ৫০০ কোটি ডলার ছাড়ায়। আর ২০১৬ সালের জুনে রিজার্ভ বেড়ে হয় ৩ হাজার কোটি ডলার।