সংবাদ শিরোনাম
সরকার টিকে আছে সন্ত্রাসীদের মাধ্যমে: নুরুল হক | সিলেটে রায়হান হত্যা: কনস্টেবল টিটু পাঁচদিনের রিমান্ডে | সিলেটে বিক্ষোভে পুলিশের গাড়িতে হামলা | পিরোজপুরে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে জীবিকা নির্বাহ উপকরণ দিল নৌবাহিনী | নওগাঁর মান্দায় ভোট বর্জনের ঘোষণা বিএনপি প্রার্থীর | এসআই আকবর গ্রেফতারের খবরে সিলেটে তোলপাড় | পুনরায় নির্বাচনের দাবিতে মির্জাপুরে বিএনপির মানববন্ধন ও সমাবেশ | ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন তালিকা, বাদ পড়বে ৫ থেকে ৭ ভাগ মুক্তিযোদ্ধা | চুয়াডাঙ্গা জেলার প্রথম ইউ‌নিয়‌নে প্রথম ভোট গ্রহণ চল‌ছে ই‌ভিএম এ | পাবনায় একসাথে জন্ম নেয়া ৩ সন্তান নিয়ে বিপাকে দিনমজুর দম্পতি |
  • আজ ৪ঠা কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

ঈশ্বরদীতে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে শিকল দিয়ে বেঁধে নির্মম নির্যাতন

১০:০৭ অপরাহ্ণ | শনিবার, অক্টোবর ১০, ২০২০ রাজশাহী
mad

পাবনা প্রতিনিধিঃ পাবনার ঈশ্বরদীতে মোবারক হোসেন (১১) নামের এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে শিকল দিয়ে তিনদিন বেঁধে রেখে পেটানোর অভিযোগ উঠেছে শিক্ষকের বিরুদ্ধে। ঘটনা জানার পর মাদ্রাসার অধ্যক্ষসহ তিনজনকে থানা হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী মোবারক হোসেন জেলার আটঘরিয়া উপজেলার চাঁদভা ইউনিয়নের বাঁচামরা গ্রামের নজরুল ইসলাম ও মুর্শিদা খাতুন দম্পতির ছেলে।

শনিবার (১০ অক্টোবর) বিকেলে ঈশ্বরদী থানায় অভিযোগ দিতে এসে নির্যাতিত শিক্ষার্থী মোবারকের বাবা নজরুল ইসলাম ও মা মূর্শিদা খাতুন জানান, উপজেলায় সাহাপুর ইউনিয়নের কদিমপাড়া বুড়া দেওয়ান নূরানী হাফিজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থী মোবারক মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে দাশুড়িয়ায় তার খালার বাড়িতে যায়।

সেখান থেকে বুঝিয়ে তাকে গত বুধবার (০৭ অক্টোবর) মাদ্রাসায় ফেরত পাঠানো হয়। মাদ্রাসায় যাওয়ার পর মোবারককে লোহার শিকল দিয়ে বেঁধে রেখে তিনদিন ধরে নির্মমভাবে পেটানো হয়। মারধর ছাড়াও ৭ বার থুতু ফেলে সেই থুতু তাকে দিয়ে চাটানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেন মোবারকের বাবা-মা।

শুক্রবার (০৯ অক্টোবর) জুমার নামাজ আদায়ের সময় মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে যায় মোবারক। শিকলবাঁধা অবস্থায় তাকে এলাকার লোকজন উদ্ধার করে পরিবারকে খবর দেয়। মোবারকের পেছন দিকে কোমরের নীচে পা পর্যন্ত আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে।

শিক্ষার্থী মোবারক জানায়, মাদ্রাসায় প্রতিদিনই মারধর করা হতো। এইজন্য সে পালিয়ে যায়।

এ ব্যাপারে অধ্যক্ষ আবদুল করিমের কাছে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি ব্যস্ত আছেন, পরে কথা বলবেন বলে ফোন কেটে দেন।

এ বিষয়ে ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফিরোজ কবীর জানান, নির্যাতনের খবর পেয়ে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ হাফেজ আব্দুল মমিন, শিক্ষক পিয়ারুল ইসলাম ও সিনিয়র শিক্ষার্থী সাব্বির আহম্মেদকে থানা হেফাজতে আনা হয়েছে।

মোবারকের পিতা বাদি হয়ে শিক্ষক পিয়ারুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়েছেন। মামলা রুজুর বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।