২ জাতের পেঁয়াজ রফতানিতে ভারতের অনুমতি

peea
❏ রবিবার, অক্টোবর ১১, ২০২০ আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ভারত থেকে দুই ধরণের পেঁয়াজ রফতানির আনুমতি দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। শুক্রবার কেন্দ্রীয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বৈদেশিক বাণিজ্য দপ্তর (ডিজিএফটি) কর্তৃক জারী করা নোটিফিকেশনে পেয়াঁজ রফতানির ব্যাপারে এই নতুন সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।

সিদ্ধান্ত অনুযায়ি রফতানিকারকরা ভারত থেকে এখন দুই ধরণের পেঁয়াজ রফতানি করতে পারবেন। এই দুই ধরণের পেয়াজের মধ্যে বেঙ্গালুরুরে উৎপাদিত রোজ লাইন পেঁয়াজ ও অন্দ্রপ্রদেশের কৃষ্ণপুরাম জাতের পেঁয়াজ, যা একটি নির্দিষ্ট পরিমানে রফতানি করা যাবে।

গত ৯ অক্টোবর ভারতের বৈদেশিক বাণিজ্য শাখার এক আদেশে পেঁয়াজ রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা সংশোধন করে এই আদেশ জারি করা হয়।

তবে রপ্তানিতে দুটি শর্ত দেওয়া হয়েছে। সেগুলো হচ্ছে এসব পেঁয়াজ আমদানি করা যাবে প্রতি জাতের সর্বোচ্চ ১০ হাজার টন এবং জাহাজীকরণ হবে কেবল ভারতের চেন্নাই সমুদ্রবন্দর দিয়ে। আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত এই আদেশ বহাল থাকবে।

এমন শর্তের কারণে এই কায়দায় শেষ পর্যন্ত ভারতীয় পেঁয়াজ বাংলাদেশে আসবে কি না তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। কারণ ভারত থেকে বাংলাদেশে সব ধরনের পেঁয়াজ আমদানি হয় মূলত স্থলবন্দর দিয়ে; সমুদ্রবন্দর দিয়ে ভারত থেকে এ দেশে পেঁয়াজ আমদানির রেকর্ড নেই।

গতকাল (৯ অক্টোবর) ভারতের বৈদেশিক বাণিজ্য শাখার এক আদেশে বলা হয়, বেঙ্গালুরু জাতের পেঁয়াজ ১০ হাজার টন এবং কৃষ্ণাপুরাম জাতের পেঁয়াজ ১০ হাজার টন রপ্তানির সুযোগ দেওয়া হয়েছে। ৯ অক্টোবর থেকে ৩১ মার্চের মধ্যে এই পেঁয়াজ রপ্তানি সম্পন্ন করতে হবে। সব পেঁয়াজ জাহাজীকরণ হতে হবে ভারতের চেন্নাই সমুদ্রবন্দর দিয়ে।

এদিকে ভারতের বদলে বিকল্প ১৩ দেশ থেকে সাড়ে সাত লাখ টন পেঁয়াজ আমদানি করতে সরকার থেকে অনুমতি নিয়েছেন দেশের ব্যবসায়ীরা। এর মধ্যে সমুদ্রবন্দর দিয়ে দেশে পৌঁছেছে দুই হাজার টনের মতো। বাকি পেঁয়াজ ধারাবাহিকভাবে আমদানি নিশ্চিত করতে না পারলে সংকট প্রকট হবে।