সংবাদ শিরোনাম
পুলিশি নির্যাতনে নিহত রায়হানের বাড়িতে সদর দফতরের তদন্ত দল | টাঙ্গাইলে ঘারিন্দা ইউপি উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জয়ী | সাতক্ষীরায় ৪ জন‌কে গলা ‌কে‌টে হত্যা: আরো তিনজন গ্রেপ্তার | দেবীগঞ্জে মাইকে সাবধান করে বসত ভিটায় হামলা! | দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে ৫ম শ্রেণীর মাদ্রাসা ছাত্র গ্রেপ্তার! | এক শিশু দিয়ে টানা একাধিক রাত তৃপ্তি খুঁজে পান না তিনি! | প্রাথমিকে শিক্ষক পদে আবেদন করবেন যেভাবে | এবার ভিসা ছাড়াই ভ্রমণে সম্মত আমিরাত-ইসরায়েল | দিনাজপুর সদরে আ.লীগের সোহাগ চিরিরবন্দরে বিএনপির এনামুল বিজয়ী | সন্ত্রাসবাদের মাধ্যমে মুসলিম ভ্রাতৃত্ববোধে ফাটল ধরানোর ষড়যন্ত্র চলছে: এরদোয়ান |
  • আজ ৫ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

ছাত্র অধিকার পরিষদের ৪ নেতাকে তুলে নেয়ার অভিযোগ

১০:১৯ পূর্বাহ্ণ | সোমবার, অক্টোবর ১২, ২০২০ আলোচিত বাংলাদেশ

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্রী ধর্ষণ মামলার দুই আসামি নাজমুল হুদা ও সাইফুল ইসলামসহ বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির চার নেতাকে পুলিশ তুলে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

গতকাল রোববার দুপুরের দিকে পরিষদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সহ-সভাপতি নাজমুল হুদাকে মগবাজার এলাকা থেকে সাদা পোশাকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ করেন তার মা মাসুমা বেগম। এরপর একে একে আরও তিন নেতাকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ তুলেছে পরিষদের নেতাকর্মীরা।

ছাত্র অধিকার পরিষদের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মুহাম্মদ রাশেদ খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম ও ঢাবি শাখার সহ-সভাপতি নাজমুল হুদার বিরুদ্ধে ধর্ষণে সহায়তার অভিযোগে মামলা আছে। এর মধ্যে নাজমুলকে দুপুরে কে বা কারা তুলে নিয়ে যায়। এ ছাড়া ছাত্র অধিকার পরিষদের দুই নেতা সোহরাব হোসেন ও আসিফ মাহমুদকে সাদা পোশাকে তুলে নিয়ে গেছে।

তিনি বলেন, ‘কোনো ধরনের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছাড়া ছাত্র অধিকার পরিষদের চার নেতাকে পুলিশ তুলে নেওয়ার অভিযোগ পেয়েছি। আমরা ও ভুক্তভোগীর পরিবার পুলিশ ও ডিবিতে খোঁজ করে পাচ্ছি না। পুলিশ যেহেতু তাদেরকে গ্রেপ্তারের কথা বলছে না, তাই আমরা ধরে নিয়েছি রাষ্ট্রীয় বাহিনী দ্বারা গুম হয়েছেন তারা। আমরা ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।’

সারা দেশে ধর্ষণ বিরোধী আন্দোলনকে দমানোর জন্য এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে দিতে সরকার এ কাজ করছে বলে অভিযোগ করেন রাশেদ খান।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডিবি রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) এইচ এম আজিমুল হক জানান, ধর্ষণ মামলায় তার টিম কাউকে আটক করেনি।

উল্লেখ্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজের এক ছাত্রী তার বিভাগেরই সদ্য সাবেক ছাত্র হাসানের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগ আনেন সম্প্রতি। গত ২১ ও ২৩ সেপ্টেম্বর রাজধানীর লালবাগ ও কোতোয়ালি থানায় ধর্ষণ, অপহরণ ও সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে চরিত্র হননের অভিযোগে দুটি মামলা করেন।

হাসানের পাশাপাশি পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক নাজমুল হাসান সোহাগের বিরুদ্ধেও ধর্ষণের অভিযোগ আনেন ওই ছাত্রী। আর এতে সহযোগিতার অভিযোগে আসামি করা হয় ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নূরসহ পরিষদের আরও তিন নেতাকে।