সংবাদ শিরোনাম
এবার পাকিস্তানের মানচিত্র থেকে কাশ্মীর বাদ দিলো সৌদি আরব | আবারও ফেসবুকে ‘ইসলামবিরোধী’ পোস্ট, সেই যুবকের রিমান্ড চায় পুলিশ | শরীয়তপু‌রে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে নিহত ১, আহত ২ | আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে শনিবার বসবে পদ্মা সেতুর ৩৫তম স্প্যান | তুরস্কে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত ৬, আহত দুই শতাধিক | ‘মানুষের মন থেকে পুলিশভীতি দূর করতে হবে’- রাষ্ট্রপতি | ফ্রান্স ইস্যুতে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করলেন ওজিল | যশোরে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৩ | নোয়াখালীর হাতিয়ায় বিধবাকে ধর্ষণ, কিশোরীকে ধর্ষণ চেষ্টায় ৩ জন গ্রেফতার | বিশেষ প্রার্থনার মধ্য দিয়ে শেষ হলো শেরপুরের তীর্থ উৎসব |
  • আজ ১৫ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

বাবা ৮০ বছরের বৃদ্ধ, কন্যা ২৫ বছর ধরে বিধবা; কেউ পায়নি সরকারি ভাতা

১২:১২ অপরাহ্ন | সোমবার, অক্টোবর ১২, ২০২০ খুলনা, দেশের খবর

মতিন রহমান, মাগুরা সংবাদদাতা: দারিদ্র্যের কষাঘাতে দূর্বিষহ জীবনযাপন করছেন ৮০ বছর বয়সী বৃদ্ধ ইনছার উদ্দিন বিশ্বাস এবং তার মেয়ে ৫০ বছর বয়সী বিধবা নারী হাসি বেগম।

২৫ বছর আগে স্বামীর অকাল মৃত্যুতে বিধবা হয়েছেন তিনি। স্বামীর পরিবারের কেউ না থাকায় তিনি স্বামীর মৃত্যুর পরে বাবার বাড়িতে চলে আসেন। দরিদ্র পিতামাতা তাদের মেয়েকে রক্তের টানে দূরে ঠেলে না দিয়ে নিজ ভিটায় তুলে দিয়েছেন একটি ছোট্ট ঘর। বসবাসের ঘরটা তাউ আবার মাত্র ৩ শতাংশ জায়গায়।

জানতে চাইলে হাসি বেগম এই প্রতিবেদককে জানান, একটি বিধবা ভাতার কার্ডের জন্য ২৫ বছর অপেক্ষায় রয়েছি। কেউ একটু খোঁজ নিয়েও দেখেনি।

হাসি বেগম মাগুরা সদর উপজেলার গোপালগ্রাম ইউনিয়নের শিয়ালজুড়ি গ্রামের মোঃ ইনছার উদ্দিন বিশ্বাসের মেয়ে। দরিদ্র পরিবারের এই বিধবা নারী এখন তার পুত্র সন্তানকে নিয়ে বাবা ইনসার বিশ্বাসের বাড়িতে থাকেন।

হাসি বেগম আরো জানান, শুনতিছি এহন কত মানষির ভাতার কার্ড হোচ্ছে। তয় আমার কাড্ডা কেউ করে দেয় না। যার কাছে গিছি সেই কোচ্ছে কার্ড হোবেনে। ভোটের কার্ড নেছে কতবার। পরে আর কোনো খবর নেয়না। কাড উনরা যদি করেই দিবি তালি কবে দিবি?

এখন এমনই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে অসহায় বিধবা নারী হাসি বেগমের মনে।

এদিকে হাসি বেগমের বাবা মোঃ ইনছার উদ্দিন জানায়, তিনি বয়সের ভারে নূহ্য হয়ে এখন আর কোনো কাজ করতে পারেন না। বয়স ৮০ বছরের উপরে। তবুও তিনি নিজেও কোনো ভাতার কার্ড পাননি। এমনিতেই অভাবের সংসার। তার উপর বিধবা মেয়েটা ২৫ বছর ধরে তার ভিটায়।

অন্যদিকে তার ছোট মেয়েটাও স্বামী পরিত্যক্তা হয়ে তার সংসারে এসে উঠেছে বলেও জানান ইনছার বিশ্বাস। এখন তার নিজের এবং তার মেয়ে হাসি বেগমের একটা ভাতার কার্ড হলে অনেক উপকার হতো বলেও জানায় ইনছার বিশ্বাস। এজন্য তারা সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন।