• আজ ১২ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

‘ধর্ষণ মহামারী’র জন্য ভারতীয় চলচ্চিত্রকে দায়ী করল ওলামা লীগ

৩:১৪ অপরাহ্ন | সোমবার, অক্টোবর ১২, ২০২০ আলোচিত বাংলাদেশ
ligg

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামা লীগের নেতারা বলেছেন, এদেশে এতোদিন যাবত কোনো ধর্ষণ প্রবণতা ছিল না। এখন এটা মহামারীরূপে ব্যাপকতা ছড়াচ্ছে। এর পেছনে মূল কারণ হলো- স্মার্ট ফোনের মাধ্যমে ভারতীয় চলচ্চিত্রের প্রচার প্রসার। কাজেই এদেশে ধর্ষণ প্রবণতা রুখতে হলে ভারতীয় চলচ্চিত্র, পর্নোগ্রাফি ইত্যাদি অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।

সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আওয়ামী ওলামা লীগসহ সমমনা ১৩ দলের আয়োজনে মানববন্ধনে বক্তারা এসব কথা বলেন। তারা বলেন, সারাদেশে নৃশংস ও জঘন্য ন্যক্কারজনকভাবে চলছে শিশু থেকে বয়স্কদের সম্ভ্রম লুণ্ঠন। মূলত এসবের পেছনে ভারতীয় চলচ্চিত্র, ওয়েব সিরিজ, পর্ণোগ্রাফিসহ দেশীয় সিনেমা দায়ী। দেশীয় সিনেমার জন্য হাজার কোটি টাকা অনুদান বন্ধসহ ভারতীয় চলচ্চিত্র এবং সব অশ্লীলতা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।

বক্তারা বলেন, ‘ভারত মুখে বন্ধুত্বের কথা বলে এদেশ থেকে হাজার হাজার টন ইলিশ নিচ্ছে। ট্রানজিট, ট্রান্সশিপমেন্টসহ অসংখ্য সুবিধা দিচ্ছে। বিনিময়ে পেঁয়াজ বন্ধ করছে। আর গরুর, মহিষের পঁচা গোশত এবং অন্যান্য নিম্নমানের দ্রব্যাদি পাঠিয়ে এদেশের বাজার অর্থনীতি ধ্বংস করছে। বাণিজ্য বৈষম্য দিন দিন পাহাড়সম হচ্ছে। তিস্তা চুক্তি করছে না, গঙ্গা চুক্তির সম্পূর্ণ বরখেলাপ করছে। ভারতের এসব আগ্রামী ও বাংলাদেশ বিধ্বংসী কার্যক্রমের বিরুদ্ধে জোর কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালাতে হবে।

মানববন্ধনে বক্তারা আরও বলেন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের রাষ্ট্রধর্ম পবিত্র দ্বীন ইসলাম। এদেশের ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমান। কিন্তু মুসলমান জানে না তাদের নবী-রসূল, হুজুরপাক (সা.)-এর জীবনী মুবারক। মুসলমান হিসেবে নবী করীম (সা.)-এর মুহব্বত আজ মুসলমানদের মাঝে নেই। এর কারণ হচ্ছে বর্তমানে যথাযথভাবে পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ হুজুরপাক (সা.) পালন করা হচ্ছে না।

তাই আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের মতো ১২ই রবিউল আউয়াল শরীফ দিবসকে বিশ্বছুটির ঘোষণার উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। আন্তর্জাতিক সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ আন্তর্জাতিক উদযাপন কমিটিকে সর্বোচ্চ সরকারী পৃষ্ঠপোষকতা করতে হবে।

এসময় বক্তারা রাষ্ট্রীয়ভাবে বছরব্যাপী ইসলামী ও সামাজিক অনুষ্ঠানসূচী ঘোষণা করা। যেমন, ওয়াজ মাহফিল, দ্বীনি তা’লীম উনার ব্যবস্থা, বই প্রদর্শনী, সামরিক প্রদর্শনী, সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা, পতাকা উত্তোলন, অস্বচ্ছল ও বেকারদের চাকুরীর ব্যবস্থা দেয়া, গৃহহীনদের গৃহ দেয়ার ঘোষণা দেয়ার দাবি জানান।

সমাবেশ ও মানববন্ধন সমন্বয় করেন, বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামা লীগের সভাপতি- আলহাজ্জ মাওলানা মুহম্মদ আখতার হুসাইন বুখারী। বক্তব্য রাখেন- সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্জ কাজী মাওলানা মুহম্মদ আবুল হাসান শেখ শরীয়তপুরী, সম্মিলিত ইসলামী গবেষণা পরিষদের সভাপতি- আলহাজ্জ হাফেজ মাওলানা মুহম্মদ আব্দুস সাত্তার, মাওলানা মুহম্মদ শওকত আলী শেখ ছিলিমপুরী প্রমুখ।

সুত্রঃ পার্সটুডে

cyber ফ্রান্সে বড় সাইবার হামলার ঘোষণা

মঙ্গলবার, অক্টোবর ২৭, ২০২০

selim ইরফান সেলিম কাউন্সিলর পদ থেকে বরখাস্ত

মঙ্গলবার, অক্টোবর ২৭, ২০২০