একই পরিবারে তিনজনকে হত্যার ৩ বছর পর রহস্য উন্মোচন, প্রধান অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

৪:০৪ অপরাহ্ন | সোমবার, অক্টোবর ১২, ২০২০ দেশের খবর, বরিশাল

জাহিদ রিপন, পটুয়াখালী প্রতিনিধি- পটুয়াখালীর গলাচিপাা আলোচিত একই পরিবারের তিনজনকে হত্যার রহস্য ৩ বছর ২ মাস ৮ দিন পর উন্মোচন হয়েছে। ক্লু বিহীন এ হত্যাকান্ডের প্রধান অভিযুক্ত শহীদ প্রধানকে ঢাকার সাভার থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে পুলিশ সুপারের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মইনুল হাসান।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মইনুল হাসান সাংবাদিকদের জানান, ২০১৭ সালের ১ আগষ্ট গভীর রাতে গলাচিপা উপজেলার আমখোলা ইউনিয়নের ছৈলাবুনিয়া গ্রামে দেলোয়ার মোল্লা, স্ত্রী পারভীন বেগম এবং পালিত কন্যা কাজলী আক্তারকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। পরদিন সকালে তাদের বিভৎস মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তখন কাজলীর ব্যাবহৃত ফোনটি পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় নিহত দেলোয়ার মোল্লার ভাই ইদ্রিস মোল্লা অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে গলাচিপা থানায় ও বোন পিয়ারা বেগম ২২ জনের নামে গলাচিপা কোর্টে পৃথক ২ টি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এ হত্যা ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ গত ৯ অক্টোবর ঢাকার বাউনিয়া বাঁধ এলাকায় আবু রায়হানের কাছ থেকে কাজলীর খোয়া যাওয়া মোবাইল ফোনটি উদ্ধার করে। জিজ্ঞাসাবাদে আবু রায়হান জানান তার ফুপুর ননদের স্বামী শহীদ প্রধান ২০১৭ সালের আগষ্ট মাসে তাকে ফোনটি দিয়েছেন। এ বিষয়ে আবু রায়হান ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দেয়। পরে গত ১০ অক্টোবর সাভার থেকে শহীদকে গ্রেফতার করা হয়।

শহীদ প্রধান নিহত দেলোয়ার মোল্লার ভাই ইদ্রিস মোল্লার ছেলে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শহীদ তার স্বীকারোক্তিমূলক বক্তব্যে জানান, দুই স্ত্রী থাকা স্বত্ত্বেও সে কাজলীকে বিয়ে করতে চেয়েছিল। কিন্তু শহীদের চাচী (কাজলীর মা) ঐ বিয়েতে রাজী না হওয়ায় শহীদ ক্ষিপ্ত হয়ে তাদের হত্যা করে। অভিযুক্ত শহীদকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

এসিল্যান্ডের যোগদান সালথায় নবাগত এসিল্যান্ডের যোগদান

সোমবার, অক্টোবর ২৬, ২০২০