🕓 সংবাদ শিরোনাম

নেতানিয়াহুর বিদায়, ইসরায়েলের নতুন প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেটবাড়ছে করোনা রোগী, হিলিতে লকডাউন চায় সচেতন মহলপেকুয়ায় বিদ্যুতের ছেঁড়া তারে জড়িয়ে দুই কিশোরের মৃত্যুলিখিত অভিযোগ দিলেন পরীমনি, বাসার সামনে পুলিশ মোতায়েনকোম্পানীগঞ্জে কাদের মির্জার কুশপুত্তলিকা দাহরাঙামাটিতে গ্রামপ্রধানকে গুলি করে হত্যা করেছে পাহাড়ি সন্ত্রাসীরাছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাকিরের গাড়িতে হামলার চেষ্টামক্কা-মদিনায় জমজমের পবিত্র পানি বিতরণ করছে রোবটনেইমার নৈপুণ্যে জয় দিয়ে কোপা শুরু ব্রাজিলেরধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টা চালায় নাসির, ঘটনা উত্তরা বোট ক্লাবে: পরীমনি

  • আজ সোমবার, ৩১ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ ৷ ১৪ জুন, ২০২১ ৷

পাকিস্তান ও তুরস্কের পতাকা উড়ছে আজারবাইজানে!

pak
❏ মঙ্গলবার, অক্টোবর ১৩, ২০২০ আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ নাগোরনো-কারাবাখের বিতর্কিত যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলে সংঘটিত যুদ্ধে আজারবাইজানকে সমর্থন দিয়েছে পাকিস্তান ও তুরস্ক। রণকৌশল সাজাতে এবং যুদ্ধবহর শক্তিশালি করতে আজারি বাহিনীকে উল্লেখযোগ্য সহযোগিতা দিয়েছে তুরস্ক। এই যুদ্ধে তুরস্কের তৈরি ড্রোনই হামলার দৃশ্য এবং ফল বদলে দিয়েছে।

তাই কৃতজ্ঞতা স্বরূপ বাকুতে সাধারণ মানুষ উড়াচ্ছে পাকিস্তান ও তুরস্কের পতাকা। সম্প্রতি সোস্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া এক ভিডিওতে আজারবাইজানের সড়কে সেদেশের জনগণকে পাকিস্তান ও তুরস্কের পতাকা ওড়াতে দেখা গেছে।

গত সপ্তাহে ভাইরাল হওয়া এই ভিডিওতে দেখা যায় দেশটির কোন এক নগরীতে যুবকরা তিনটি গাড়িতে চড়ে পাকিস্তান ও তুরস্কের পতাকা দোলাতে দোলাতে যাচ্ছে। যুবকদের এভাবে পতাকা দোলানো মূলত পাকিস্তান ও তুরস্কের প্রতি তাদের ভালোবাসার প্রকাশ। পাকিস্তান ও তুরস্কের পতাকা দিয়ে বাড়ি সাজানোর ছবিও ইন্টারনেটে ভাইরাল হয়েছে।

গত ২৭ সেপ্টেম্বর শুরু হওয়া লড়াই গত ৩০ বছরের মধ্যে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যে সবচেয়ে তীব্র লড়াই। নাগরনো-কারাবাখ নিয়ে দেশ দুটির মধ্যে দীর্ঘ লড়াইয়ের ইতিহাস রয়েছে। ১৯৯০-এর দশকে সংঘটিত যুদ্ধে উভয় পক্ষের প্রায় ৩০ হাজার মানুষ নিহতের পর এবারের লড়াইটি সবচেয়ে খারাপ পর্যায়ে চলে গেছে।

আজারবাইজানের অবস্থানকে সম্পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী। দেশটির আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আএসপিআর) এক বিবৃতিতে এ কথা জানিয়েছে।

পাকিস্তানে নিযুক্ত আজারবাইজানের রাষ্ট্রদূত আলি আলিজাদা রাওয়ালপিন্ডিতে জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ কমিটির চেয়ারম্যানের সঙ্গে দেখা করেন। সেখানে দ্বিপক্ষীয় স্বার্থ ও আঞ্চলিক নিরাপত্তার বিষয়ে আলোচনা করেন।

অন্যদিকে, আজারবাইজানকে ব্যাপক রাজনৈতিক, সামরিক–প্রযুক্তিগত ও নৈতিক সমর্থন প্রদান করেছে তুরস্ক। এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধক্ষেত্রে আজারবাইজান তুলনামূলকভাবে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে, এবং আজারবাইজানের এই সাফল্যের ক্ষেত্রে তুর্কি সহায়তা একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক হিসেবে ভূমিকা রেখেছে।

তুরস্ক ও আজারবাইজানের নেতৃবৃন্দ রাষ্ট্র দুটির মধ্যেকার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বুঝাতে যে শব্দগুচ্ছ ব্যবহার করে থাকেন, সেটি হলো ‘এক জাতি, দুই রাষ্ট্র’। রাষ্ট্র দুটি জাতিগত, ভাষাগত, সংস্কৃতিগত, ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক দৃষ্টিকোণ থেকে পরস্পরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কযুক্ত।