সংবাদ শিরোনাম
পুলিশি নির্যাতনে নিহত রায়হানের বাড়িতে সদর দফতরের তদন্ত দল | টাঙ্গাইলে ঘারিন্দা ইউপি উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জয়ী | সাতক্ষীরায় ৪ জন‌কে গলা ‌কে‌টে হত্যা: আরো তিনজন গ্রেপ্তার | দেবীগঞ্জে মাইকে সাবধান করে বসত ভিটায় হামলা! | দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে ৫ম শ্রেণীর মাদ্রাসা ছাত্র গ্রেপ্তার! | এক শিশু দিয়ে টানা একাধিক রাত তৃপ্তি খুঁজে পান না তিনি! | প্রাথমিকে শিক্ষক পদে আবেদন করবেন যেভাবে | এবার ভিসা ছাড়াই ভ্রমণে সম্মত আমিরাত-ইসরায়েল | দিনাজপুর সদরে আ.লীগের সোহাগ চিরিরবন্দরে বিএনপির এনামুল বিজয়ী | সন্ত্রাসবাদের মাধ্যমে মুসলিম ভ্রাতৃত্ববোধে ফাটল ধরানোর ষড়যন্ত্র চলছে: এরদোয়ান |
  • আজ ৫ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

‘দুশ্চরিত্রা নয়, আমি দুশ্চরিত্রহীন বলেছি’- নুর

১২:৫৮ পূর্বাহ্ণ | বুধবার, অক্টোবর ১৪, ২০২০ আলোচিত বাংলাদেশ
nur

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ ফেসবুক লাইভে ধর্ষণ মামলার বাদীকে ‘দুশ্চরিত্রা’ বলার অভিযোগ সম্পর্কে ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর বলেন, ‘দুশ্চরিত্রা নয়, আমি দুশ্চরিত্রহীন বলেছি৷’ এ অভিযোগের বিষয়ে নুরের একটি সাক্ষাৎকার প্রকাশ করে জার্মানভিত্তিক বাংলা গণমাধ্যম ডয়েচ ভেলে।

নুর বলছেন, ‘দুশ্চরিত্রাহীন, মানে তাকে চরিত্রবান বা চরিত্রহীন কোনোটাই বলিনি। তিনি অন্যের প্ররোচনায় এসব কাজ করছেন।’ এর জবাবে ধর্ষণের মামলা করা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই ছাত্রী বলেন, ‘নূর আগেই আমাকে দেখে নেয়ার হুমকি দিয়েছিলে। আর এখন ফেসবুক লাইভে আমাকে দুশ্চরিত্রা বললো। এতেই বোঝা যায় যে, তার আসল উদ্দেশ্য কী?’

অন্যদিকে, নারীনেত্রী ও মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, বাংলা ভাষায় ‘দুশ্চরিত্রহীন’ শব্দই নেই, নুর আসলে কৌশলে দায় অস্বীকারের অপচেষ্টা করছেন।

নুরের এ বক্তব্যকে দায়িত্বজ্ঞানহীন, মনগড়া ও বানোয়াট বলে মন্তব্য করেছেন নুর ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে মামলা করা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই ছাত্রী। তিনি বলেন, ‘নুর ফেসবুক লাইভে আমাকে নিয়ে যে কথা বলেছেন তা ছাত্র প্রতিনিধি হিসেবে তার মুখে মানায় না। এ কথার মাধ্যমে তিনি এক রকম ধর্ষণের বৈধতা দিচ্ছেন। নুর যা বলেছেন সব বানোয়াট ও মনগড়া। ’

ওই ঢাবি ছাত্রী প্রশ্ন ছুড়েন, ‘নুরের কথার প্রেক্ষিতে যদি ধরেও নেই আমি দুশ্চরিত্রা, তাহলে তার সহযোগী সোহাগ বা মামুন কী? তারা কি চরিত্রবান?’

প্রসঙ্গত, গত ২০ সেপ্টেম্বর রাতে নুরুল হক নুরের বিরুদ্ধে ধর্ষণে সহযোগিতার অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই শিক্ষার্থী লালবাগ থানায় একটি মামলা করেন। মামলায় ছয়জনকে আসামি করা হয়। আসামিরা হলেন – ছাত্র অধিকার পরিষদের (সাময়িক অব্যাহতিপ্রাপ্ত) আহ্বায়ক হাসান আল মামুন, নাজমুল হাসান, নুরুল হক নুর, মো. সাইফুল ইসলাম, নাজমুল হুদা ও আবদুল্লাহ হিল বাকি। মামলায় নুরকে করা হয় তিন নম্বর আসামি।

মামলার পরদিন সন্ধ্যা সাড়ে ৮টার দিকে নুরকে আটক করে পুলিশ। পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে তাকে আটক করা হয়। এরপর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) চিকিৎসা শেষে রাত ১২টা ৩৫ মিনিটে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়।

এরপর ২৩ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরসহ তার ৬ সহযোগীর বিরুদ্ধে ধর্ষণ, অপহরণ, ধর্ষণে সহযোগিতা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চরিত্রহননের অভিযোগে শহবাগ থানায় সাইবার বুলিংয়ের অভিযোগে আরও একটি মামলা দায়ের করেন ওই ঢাবি ছাত্রী।

এরপর গত ৮ অক্টোবর নুরুল হক নুর ও তার সহযোগীদের গ্রেফতারের দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যের সামনে অনশনে বসেন ওই ঢাবি ছাত্রী। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত অনশন চালিয়ে যাবেন বলে ঘোষণা দেন তিনি।