সংবাদ শিরোনাম

ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়, ত্যাগের মহিমায় জীবন সাজান: কাদেরআল্লাহ’র সঙ্গে শিরক, নিষিদ্ধ হলো তুরস্কের বিখ্যাত ‘ইভিল আই’ তাবিজক্ষমা চাইলেন এমপি একরামুলএবার এসএসসি-এইচএসসিতে অটোপাস সম্ভব নয়: শিক্ষামন্ত্রীবাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দনসৈয়দপুর-রংপুর মহাসড়ক থেকে অজ্ঞাত লাশ উদ্ধারনন্দীগ্রামে আন্তজেলা ডাকাত দলের সদস্য গ্রেফতারশাহজাদপুরে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তাদের অর্থায়নে পাকা ঘর পাচ্ছে প্রতিবন্ধী দম্পতিবাংলাদেশে পরীক্ষা চালানোর জন্য ২০ লাখ টিকা দিয়েছে ভারত: রিজভীফরিদপুরের ভাঙ্গায় ট্রাক-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষ: ২ স্কুলছাত্র নিহত

  • আজ ১২ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ’র জন্মবার্ষিকী আজ

◷ ২:৪৩ অপরাহ্ন ৷ শুক্রবার, অক্টোবর ১৬, ২০২০ গুণীজন সংবাদ
rudro

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ বাংলা সাহিত্যে প্রেম ও প্রতিবাদে উজ্জ্বল কবি রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ’র জন্মবার্ষিকী আজ। ১৯৫৬ সালের আজকের এদিনে পিতার কর্মস্থল বরিশালের আমানতগঞ্জ রেডক্রস হাসপাতালে জন্মগ্রহণ করেন তিনি।

রুদ্রর পিতা ড. শেখ ওয়ালীউল্লাহ এবং মাতা শিরিয়া বেগম। তার মূল বাড়ি বাগেরহাট জেলার মংলা উপজেলার অন্তর্গত সাহেবের মেঠ গ্রামে। উচ্চ মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম নেওয়া রুদ্রের শৈশবের অধিকাংশ সময় কেটেছে নানাবাড়ি মিঠেখালি গ্রামে (বাগেরহাট জেলার মংলা থানার অন্তর্গত)। এখানকার পাঠশালাতেই তার পড়াশুনা শুরু।

উচ্চ মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম নেওয়া রুদ্র ঢাকা ওয়েস্ট অ্যান্ড হাইস্কুল থেকে ১৯৭৪ সালে এসএসসি এবং ঢাকা কলেজ থেকে ১৯৭৬ সালে এইচএসসি পাস করেন। অতঃপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে ভর্তি হন। ১৯৮০ সালে সম্মানসহ বিএ এবং ১৯৮৩ সালে এমএ ডিগ্রি লাভ করেন।

তিনি ছিলেন সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট ও জাতীয় কবিতা পরিষদ গঠনের অন্যতম উদ্যোক্তা এবং জাতীয় কবিতা পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা যুগ্ম সম্পাদক। ১৯৭৫ সালের পরের সবকটি সরকারবিরোধী ও স্বৈরাচারবিরোধী সংগ্রামে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। প্রতিবাদী কবি হিসেবে খ্যাত। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, দেশাত্মবোধ, গণআন্দোলন, ধর্মনিরপেক্ষতা, ও অসাম্প্রদায়িকতা তার কবিতায় বলিষ্ঠভাবে উপস্থিত।

১৯৮১ সালের ২৯ জানুয়ারি বহুল আলোচিত নারীবাদী লেখিকা তসলিমা নাসরিনকে বিয়ে করেন তিনি। তবে ১৯৮৮ সালে তাদের দাম্পত্য জীবনের অবসান ঘটে।

রুদ্রের লেখা ভালো আছি ভালো থেকো আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখো, বাংলা গানে অসম্ভব জনপ্রিয় ও বিখ্যাত একটি গান। ‘অন্তর বাজাও’ নামে একটি গানের দল গড়েছিলেন রুদ্র। শেষ জীবনে রুদ্র ফিল্ম বানাতে চেয়েছিলেন। কিন্তু জীবনের সঙ্গে আর পেরে উঠেননি তিনি। আশির দশকে যে কজন কবি বাংলাদেশিদের কাছে প্রিয় হয়ে ওঠেন তিনি তাদের অন্যতম। ৩৪ বছরের স্বল্পায়ু জীবন ছিল তার।

রুদ্রের উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ হলো ‘উপদ্রুত উপকূল’ (১৯৭৯), ‘ফিরে পাই স্বর্ণগ্রাম’ (১৯৮২), ‘মানুষের মানচিত্র’ (১৯৮৪), ‘ছোবল’ (১৯৮৬), ‘গল্প’ (১৯৮৭), ‘দিয়েছিলে সকল আকাশ’ (১৯৮৮) ও মৌলিক মুখোশ (১৯৯০)। এ ছাড়া ছোটগল্প ‘সোনালি শিশির’, বড়গল্প ‘মনুষ্য জীবন’ ও নাট্যকাব্য ‘বিষ বিরিক্ষের বীজ’ তিনি রচনা করেন। তিনি অর্ধশতাধিক গান রচনা ও সুরারোপ করেছেন।

রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ১৯৯১ সালের ২১ জুন ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। কবির প্রতি গ্রভীর শ্রদ্ধা।

mizinur Khan সাংবাদিক মিজানুর রহমান খান আর নেই

⊡ সোমবার, জানুয়ারী ১১, ২০২১

gunigon ২০২০ সালে যেসব গুণীজন হারিয়েছে বাংলাদেশ

⊡ বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ৩১, ২০২০

trudo জাস্টিন ট্রুডোর ৪৯তম জন্মদিন আজ

⊡ শুক্রবার, ডিসেম্বর ২৫, ২০২০

rokeya বেগম রোকেয়া দিবস আজ

⊡ বুধবার, ডিসেম্বর ৯, ২০২০