করোনার পর চীনের অর্থনীতি টপকে যাবে আমেরিকাকে!

৯:১৫ অপরাহ্ন | শুক্রবার, অক্টোবর ১৬, ২০২০ আন্তর্জাতিক
uss

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ করোনায় পুরো বিশ্বের অর্থনীতিই টালমাটাল। অধিকাংশ দেশের প্রবৃদ্ধিতে নেমেছে ধস। তবে এ অবস্থাতেও অর্থনৈতিক বাজিমাত করতে যাচ্ছে চীন। করোনা কাটিয়ে বিশ্ব অর্থনীতিতে চীনের প্রভাব আরও বাড়ছে। এমনই পূর্বাভাস দিল আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল-আইএমএফ।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণের জেরে গোটা বিশ্বে অর্থনৈতিক সঙ্কট দেখা দিলেও কার্যত তার প্রভাব মুক্ত চীনের অর্থনীতি। সংক্রমণ শুধুমাত্র উহান শহরের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখতে পেরেছে চীন। দেশকে করোনামুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে কয়েক মাস আগেই। অথচ গোটা বিশ্ব এখনও এই মহামারির সঙ্গে লড়াই করে চলেছে। এই পার্থক্যই চীনকে আর্থিক বৃদ্ধিতে এগিয়ে রাখবে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।

এই পরিস্থিতিতেই বিশ্ব অর্থনীতির আগামী রূপরেখা কেমন হতে পারে, তার একটা আগাম চিত্র তুলে ধরেছে আইএমএফ। বর্তমানে ক্রয়ক্ষমতার নিরিখে বিশ্ব অর্থনীতিতে আমেরিকার অবদান সবচেয়ে বেশি, যা ২৩ শতাংশেরও বেশি। সেখানে চীনের অবদান ১৫.৫ শতাংশের মতো।

২০২৫ সালের যে অর্থনৈতিক চিত্র আইএমএফ প্রকাশ করেছে, সেই তথ্য নিয়ে মার্কিন সংবাদসংস্থা ব্লুমবার্গের দাবি, ২০২৫ সালে চীনের সেই অবদান বেড়ে হতে পারে ২৭.৭ শতাংশ। আমেরিকার অবদান নেমে যেতে পারে ১০.৪ শতাংশে। তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে থাকতে পারে ভারত, ১৩ শতাংশ অবদান নিয়ে।

অন্য দিকে মোটের উপর বিশ্ব অর্থনীতিতে কিছুটা সদর্থক ইঙ্গিত রয়েছে আইএমএফ-এর পূর্বাভাসে। আগে বলা হয়েছিল, চলতি অর্থ বছরে বিশ্বের জিডিপি সঙ্কোচন হতে পারে ৪.৯ শতাংশ।

সাম্প্রতিক পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সেটা কিছুটা বেড়ে হতে পারে ৪.৪ শতাংশ। আগামী অর্থ বছরে কোভিড পরবর্তী বিশ্বের জিডিপি বৃদ্ধি হতে পারে ৫.২ শতাংশ, বলছে আইএমএফ।

তবে চীনের অর্থনীতির এমন আশাব্যাঞ্জক চিত্র হলেও এর বিপরীতে দেশটিকে ঘিরে শংকাও কম নয়। সংস্থাটি ইঙ্গিত দিয়েছে, চীনের হতদরিদ্র মানুষের সংখ্যা গেলো দুই দশকের চেয়েও বেশি হবে। ২০২৫ সালে অতিদরিদ্র মানুষের সংখ্যা দিয়ে ঠেকবে ৯ কোটিতে।

ফরাসি পণ্য বয়কটের ডাক এরদোয়ানের

সোমবার, অক্টোবর ২৬, ২০২০