🕓 সংবাদ শিরোনাম
  • আজ বৃহস্পতিবার, ৩ আষাঢ়, ১৪২৮ ৷ ১৭ জুন, ২০২১ ৷

গাজীপুরে সহপাঠীকে ডেকে এনে গণধর্ষণ, গ্রেফতার-২

Gazipur
❏ শনিবার, অক্টোবর ১৭, ২০২০ আলোচিত

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, সময়ের কণ্ঠস্বর:  গাজীপুর মহানগরের ২৪নং ওয়ার্ডের পশ্চিম চতর এলাকায় এক কলেজছাত্রীকে (১৮) কয়েকজন মিলে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে। পরে রাতেই ওই কলেজছাত্রীর মা বাদী হয়ে গাজীপুর মেট্রোপলিটন সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

এ ঘটনায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত দুই যুবককে গ্রেফতার করেছে। তারা হলেন, গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার জৈনাবাজার এলাকার আবুল কালামের ছেলে মাসুদ রানা (২৫) ও ময়মনসিংহের কোতোয়ালি থানার গলগন্ডা গ্রামের নূরুল ইসলামের ছেলে মো. আনন্দ (২২)। দুজনই গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের চতর এলাকায় বসবাস করতেন।

এজাহার এবং স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রীর সহপাঠী নাঈম বৃহস্পতিবার বিকেলে ভিকটিম ওই ছাত্রীকে মোবাইল ফোনে শিমুলতলী বটতলা যেতে বলেন। ভিকটিম সেখানে গিয়ে নাঈম, আনন্দ ও রানাকে দেখতে পান। কিছুক্ষণ পরে আনন্দ ও রানা সেখান থেকে চলে যায়।

তারা চলে যাওয়ার পর নাঈম পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী ওই কলেজছাত্রীকে একটি অটোরিকশায় করে পশ্চিম চতর স্কুল গেট সংলগ্ন এলাকায় একটি নির্মাণাধীন ভবনে নিয়ে যান। সেখানে পৌঁছালে ওই কলেজছাত্রীর বিষয়টি সন্দেহ হলে তিনি পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় নাঈম ও তার সহযোগী আনন্দ ও মাসুদ রানা তাকে জোড়পূর্বক ধরে পালাক্রমে ধর্ষণ করে পালিয়ে যান।

ভিকটিম রাস্তার পাশে বসে কান্নাকাটি করতে থাকলে আশপাশের লোকজন বিষয়টি জেনে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের স্থানীয় কাউন্সিলরকে জানান। পরে কাউন্সিলর থানায় খবর দিলে পুলিশ ভিকটিমকে উদ্ধার করে গাজীপুরের শহীদ তাজ উদ্দীন আহমদ মেডিক‌্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ ব্যাপারে ভিকটিমের মা বাদী হয়ে জিএমপির সদর থানায় মামলা করেছেন।

এ বিষয়ে সদর থানা পুলিশের ওসি আলমগীর ভুইয়া জানান,  তিনজনকে আসামি করে ভুক্তভোগীর মা একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে আনন্দ ও মাসুদ রানাকে গ্রেফতার করেছে। ঘটনার পর থেকেই মামলার প্রধান আসামি নাঈম পলাতক রয়েছেন।

পুলিশের এ কর্মকর্তা আরও জানান, মামলার প্রধান আসামি নাঈমকে গ্রেফতার করতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত আছে।