🕓 সংবাদ শিরোনাম

নেতানিয়াহুর বিদায়, ইসরায়েলের নতুন প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেটবাড়ছে করোনা রোগী, হিলিতে লকডাউন চায় সচেতন মহলপেকুয়ায় বিদ্যুতের ছেঁড়া তারে জড়িয়ে দুই কিশোরের মৃত্যুলিখিত অভিযোগ দিলেন পরীমনি, বাসার সামনে পুলিশ মোতায়েনকোম্পানীগঞ্জে কাদের মির্জার কুশপুত্তলিকা দাহরাঙামাটিতে গ্রামপ্রধানকে গুলি করে হত্যা করেছে পাহাড়ি সন্ত্রাসীরাছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাকিরের গাড়িতে হামলার চেষ্টামক্কা-মদিনায় জমজমের পবিত্র পানি বিতরণ করছে রোবটনেইমার নৈপুণ্যে জয় দিয়ে কোপা শুরু ব্রাজিলেরধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টা চালায় নাসির, ঘটনা উত্তরা বোট ক্লাবে: পরীমনি

  • আজ সোমবার, ৩১ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ ৷ ১৪ জুন, ২০২১ ৷

দীর্ঘ ছুটিতে টাঙ্গাইলে অনেক শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার শঙ্কা


❏ শনিবার, অক্টোবর ১৭, ২০২০ ঢাকা, দেশের খবর, ফিচার

অন্তু দাস হৃদয়, স্টাফ রিপোটার- বৈশ্বিক মহামারি করোনার প্রভাবে দীর্ঘদিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় টাঙ্গাইলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে নিম্নবিত্ত পরিবার থেকে আসা অনেক শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি একাধিক বার বেড়ে যাওয়ায় এক ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরী হয়েছে এ সব শিক্ষার্থীদের মাঝে। ফলে অনেক শিক্ষার্থী যুক্ত হচ্ছে নানা ঝুকিপূর্ন পেশায়। শিক্ষকরা মনে করেন, এমন পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থী ঝরে পড়া রোধে এখনই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া আবশ্যক।

টাঙ্গাইলের ১২টি উপজেলায় তিন হাজারেরও বেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এ সকল প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী রয়েছে প্রায় ৫ লক্ষ। এদের মধ্যে বেশির ভাগ শিক্ষার্থীই নিন্মবিত্ত পরিবার থেকে আসা। চলমান করোনা মহামারি থেকে বাংলাদেশে শিক্ষার্থীদের রক্ষা করতে এ বছরের ১৭ মার্চ থেকে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষনা করা হয়। প্রায় ৮ মাস বন্ধ রয়েছে জেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। কিছু প্রতিষ্ঠান অনলাইনে ক্লাস চালু করেলেও, নিম্নবিত্ত পরিবারের শিক্ষার্থীদের মধ্যে এর কোন ইতিবাচক প্রভাব পড়েনি। এই মহামারিতে গ্রামীণ অর্থনীতিতে ফেলেছে নেতিবাচক প্রভাব। ফলে মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের অবিভাবকদের পক্ষে অনলাইন ক্লাস করার উপকরন স্মার্ট ফোন, ট্যাব, ল্যাপটপসহ প্রয়োজনীয় উপকরন কেনার সামর্থ নেই।

এ ছাড়া করোনার প্রভাবে নিম্ন আয়ের পরিবার আর্থিক সমস্যায় পড়েছে। এই আর্থিক অনটনে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের বেশির ভাগ শির্ক্ষাথী যুক্ত হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের পেশায়। এই সব কোমলমতি শিক্ষার্থীরা কেউ শহরে অটো চালাচ্ছে, কেউ যুক্ত হয়েছে ঝুঁকিপূর্ণ ওয়েলডিং এর মত পেশায়।

এদিকে শিক্ষার্থীরা জানান, পরিবারের অভাব অনটনে মেটাতে এই সব শিক্ষার্থীরা যুক্ত হয়েছে পারিবারিক পেশ সহ বিভিন্ন ধরনের পেশায়। বিশেষ করে পরিবারের অভাব-অনটন তাদের বাধ্য করেছে এই সব পেশায় আসতে।

অন্যদিকে, মাদরাসাতুন নুজুম আল-ইসলামিয়্যাহ প্রধান শিক্ষক আব্দুল বারী জানান, শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধে এখনই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার দাবি জানালেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক আতাউল গনি সময়ের কন্ঠস্বর’কে বলেন, করোনা পরবর্তী সময়ে এমন ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের পুনরায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মুখী করতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।