🕓 সংবাদ শিরোনাম
  • আজ বুধবার, ২ আষাঢ়, ১৪২৮ ৷ ১৬ জুন, ২০২১ ৷

মানুষ উন্নয়নের চেয়ে অপকর্মের কথাই বেশি মনে রাখে: জি এম কাদের

gmm
❏ রবিবার, অক্টোবর ১৮, ২০২০ জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগ দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকায় অনেক উন্নয়নের ফিরিস্তি তুলে ধরতে পারে। কিন্তু মানুষ উন্নয়নের চেয়ে অপকর্মের কথাই বেশি মনে রাখে। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা অনেক অপকর্মে জড়িয়ে পড়েছে।’

শনিবার বিকেলে সোনারগাঁ উপজেলা ও পৌর জাতীয়পার্টির ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে পৌরসভার আমিনপুর মাঠে জাতীয়পার্টির সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য জি এম কাদের (এমপি) এসব কথা বলেন।

জাতীয় পার্টিকে দেশের রাজনীতিতে ভবিষ্যত সম্ভাবনাময় দল হিসেবে দাবি করে জিএম কাদের বলেন, দেশে নিবন্ধিত ৩০ থেকে ৪০টি রাজনৈতিক দল থাকলেও তিনটি দল ছাড়া আর কোন দলকে জনগণ চেনে না। সরকারি দলের পর বিকল্প প্রথম দল হিসেবে বিএনপি এবং দ্বিতীয় দল হিসেবে রয়েছে জাতীয় পার্টি। তাই জাতীয় পার্টি বাংলাদেশে এখন সম্ভাবনার দল এবং এ দলের প্রতি মানুষ অনেক আগ্রহ ও প্রত্যাশা নিয়ে তাকিয়ে আছে।

তিনি বলেন, বিএনপি নেতৃত্ব সংকটের কারণে ঘুরে দাঁড়াতে না পারায় রাজনীতিতে তাদের কোনো সম্ভাবনা নেই। যে কারণে মানুষ জাতীয় পার্টিকেই বেছে নিয়েছে।

জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের নয় বছরের শাসনামলে দেশে আইনের সুশাসন প্রতিষ্ঠিত ছিল-এ দাবি করে জি এম কাদের বলেন, এরশাদের আমলে এসিড সন্ত্রাস অপরাধের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড আইন করা হয়েছিল বলে দেশে তখন ধর্ষণ ও নারী নির্যাতন ছিলো না।

জাপা চেয়ারম্যান বলেন, ‘সোনারগাঁ পৌরসভার নির্বাচনে ডালিয়া লিয়াকত মেয়র পদে নির্বাচন করলে আমার দোয়া রইলো।’

দলের সোনারগাঁ উপজেলা ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য লিয়াকত হোসেন খোকার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব জিয়া উদ্দিন, সোনারগাঁ পৌরসভার মেয়র সাদেকুর রহমান, সোনারগাঁ পৌরসভার মেয়র প্রার্থী ডালিয়া লিয়াকত, জাতীয় পার্টির নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাইম ইকবালসহ অনেকে।

এ সময় জাতীয় পার্টির মহাসচিব জিয়া উদ্দিন বাবলু বলেন, ‘জাতীয় পার্টির আমলে দেশে সন্ত্রাস ছিল না। বর্তমানে দেশে ধর্ষণ মহামারি আকার ধারণ করেছে। ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দাবি করেছি। সরকার আমাদের দাবির প্রেক্ষিতে ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড করে আইন করেছে। দেশ হত্যাকাণ্ডের শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ডের আইন রয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশে হত্যাকাণ্ড কমছে। বিচার ঝুলে থাকার কারণে হত্যা বন্ধ হয়নি। ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড আইনে থাকলে হবে না, বিচার ব্যবস্থার মাধ্যমে সেটি দ্রুত কার্যকর করতে হবে।’