সংবাদ শিরোনাম
  • আজ ১২ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

দিনাজপুর সদরে আ.লীগের সোহাগ চিরিরবন্দরে বিএনপির এনামুল বিজয়ী

৯:২৩ অপরাহ্ন | মঙ্গলবার, অক্টোবর ২০, ২০২০ রংপুর
দিনাজপুর

শাহ আলম শাহী, স্টাফ রিপোর্টার, দিনাজপুর থেকেঃ দিনাজপুরে উপ নির্বাচনে সদর উপজেলায় ভাইস-চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের একাংশের প্রার্থী চশমা প্রতীকে রবিউল ইসলাম সোহাগ এবং চিরিরবন্দর উপজেলার সাতনালা ইউনিয়নে বিএনপির প্রার্থী ধানের শীর্ষ প্রতীকে মো.এনামুল হক বিজয়ী হয়েছেন।

বেসরকারি প্রাপ্ত ফলাফলে জানা গেছে, দিনাজপুরে উপ নির্বাচনে সদর উপজেলায় ভাইস-চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের একাংশের প্রার্থী চশমা প্রতীকে রবিউল ইসলাম সোহাগ পেয়েছেন ৫২৩৭০ ভোট তার প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী টিউবওয়েল প্রতীকে উত্তম কুমার রায় পেয়েছেন ১৪৮০৩ ভোট এবং আওয়ামী লীগের আরেকাংশের প্রার্থী উড়োজাহাজ প্রতীকে ইবনে আজিজ চঞ্চল পেয়েছেন ১৩২২৪ ভোট।

অন্যদিকে চিরিবন্দর উপজেলার সাতনালা ইউনিয়নে উপ নির্বাচনে ধানের শীর্ষ প্রতীকে বিএনপির প্রার্থী মো.এনামুল হক পেয়েছেন ৩৩৮০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের প্রার্থী নৌকা প্রতীকে মো.আব্দুল হামিদ শাহ পেয়েছেন ২৮১৩ ভোট। জাতীয় পার্টির প্রার্থী লাংগল প্রতীকে মো মোস্তাফিজুর রহমান ১৯ ভোট পেয়েছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ মোটরসাইকেল প্রতীকে ২২১৫ ভোট এবং মো.সাইফুল ইসলাম শাহ আনারস প্রতীকে ১৯৮৬ ভোট পেয়েছেন।

মূলত আজ অস্তিত্বের লড়াইয়ের নির্বাচন হয়েছে দিনাজপুর সদর উপজেলায়। বিরোধী দলের সাথে নয় ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের মধ্যে দু’টো গ্রুপের এ লড়াই। শূন্য ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন হলেও এ নির্বাচনী লড়াইটি দু’টি গ্রুপের জন্যই গুরুত্ব বহণ করে।

নিজের প্রার্থীকে বিজয় নিশ্চিত করতে মরিয়া হয়ে কম বেশি মাঠ চষে বেরিয়েছে উভয় পক্ষের প্রার্থী ও রাজনৈতিক সমর্থরা। দু’হাতে অর্থও বিলিয়েছেন। যা জাতীয় সংসদের নির্বাচনকেও হার মানিয়েছে। প্রার্থীর বিরুদ্ধে ডিজিটাল আইনে প্রতারণার মামলা সমর্থন ও পাল্টা সমর্থনের ঘটনাও ঘটেছে। এ দু’টি গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন থেকে সাপে নেইলে বসবাস।

সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান কিশোর কুমার রায়ের মৃত্যুতে শূন্য পদে উপ নির্বাচনের তফশিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। শূন্যপদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সমর্থিত দুই প্রার্থী ও একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী।

নির্বাচনে লড়ার আগেই বিএনপি প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। তবে ভোটারদের তেমন কোন আগ্রহ ছিলো না ভোট প্রদানে। ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ডেকে এনে ভোট নেয়া হয়েছে। এজন্যে ইজিবাইকে আনা এবং পৌঁছে দেয়ার পাশাপাশি নগর অর্থ প্রদান করতেও দেখা গেছে।

ভোট কেন্দ্রগ্রলো ভোটার শূন্য থাকলেও সমর্থিত রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের কমতি ছিলোনা। তাদের উপস্থিতিতেই স্বরগরম ছিলো ভোট কেন্দ্রগুলো।