টাঙ্গাইলে ৬টি স্থানে ইউপি উপ-নির্বাচনে বিজয়ী হলেন যারা

৭:২৭ অপরাহ্ন | বুধবার, অক্টোবর ২১, ২০২০ ঢাকা, দেশের খবর
tangail map

মোল্লা তোফাজ্জল, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি- টাঙ্গাইলে ইউনিয়ন পরিষদের একটি চেয়ারম্যান পদে ও চারটি মেম্বার পদে উপ-নির্বাচন মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়েছে।

সকাল ৯টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে তা টানা বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলে। সকালে ভোটার উপস্থিতি কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটার উপস্থিতি বাড়ে। বিকাল ৫টার পর ভোট গণনা শুরু হয়।

জেলা নির্বাচন অফিস সূত্র জানায়, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের তোফায়েল আহম্মেদ (নৌকা) ভোট পেয়েছেন ৬২৬০ পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আবুল হোসেন সরকার আবু (আনারস) পেয়েছেন ৪৬৪৫ ভোট।

করটিয়া ইউনিয়নের ৯নং ওর্য়াডের মেম্বার পদে লতিফ মিয়া (মোরগ) পেয়েছেন ১৬৬৫ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আলী আজম পেয়েছেন ৭৭৯ ভোট।

ছিলিমপুর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের মেম্বার পদে আরিফুল ইসলাম (মোরগ) পেয়েছেন ৬৬৩ পেয়ে জযলাভ করেছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হায়দার আলী (ফুটবল) পেয়েছেন ৫৯৪ ভোট।

দেলদুয়ার উপজেলার ডুবাইল ইউনিয়নের ৩নং সংরক্ষিত ওয়ার্ডের সদস্য পদে উপ-নির্বাচনে হাজেরা বেগম (সূর্যমুখী) পেয়েছেন ১৩৭৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী সালমা বেগম (তালপাখা) পেয়েছেন ১০৩৯ ভোট।

এছাড়া দেলদুয়ার সদর ইউনিয়নের ২ নং সাধারণ ওয়ার্ডে সেলিনা বেগম বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

অন্যদিকে জেলা পরিষদের ১৫নং ওয়ার্ডের (গোপালপুর) সদস্য পদে উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগের এসএম রফিকুল ইসলাম পেয়েছেন ৬১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আব্দুল লতিফ পেয়েছেন ৪২ ভোট। এদিন সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত ১০৪ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।

জেলা সিনিয়র কর্মকর্তা এএইচএম কামরুল হাসান বলেন, নির্বাচন অবাধ এবং সুষ্ঠু করতে আইন-শৃঙ্খলার বাহিনীর পর্যাপ্ত সংখ্যক সদস্য নিয়োজিত ছিল। করোনার সময় সব স্বাস্থ্যবিধি মেনে ভোটগ্রহণ করা হয়েছে। কোথাও কোন বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেনি। ভোটের মাঠ সুষ্ঠু ও শান্তিপুর্ণ থাকায় সকল প্রার্থীই তাদের ফলাফল মেনে নিয়েছেন।

নির্বাচনে প্রতিটি কেন্দ্রে ১০ জন পুলিশ এবং ১২ জন আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও র‌্যাবের ২টি টিম এবং স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে পুলিশের একাধিক টিম মোতায়েন কাজ করেছে। নির্বাচনে ১০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং একজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্বে পালন করেছেন।