জেএইচএম গ্রুপের ডিএমডি'র সঙ্গে দুবাই প্রবাসীদের সৌজন্য সাক্ষাৎ

⏱ ১:০৮ অপরাহ্ন | শনিবার, অক্টোবর ২৪, ২০২০ 📂 প্রবাসের কথা
প্রবাসীদের সৌজন্য সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক, সময়ের কণ্ঠস্বর- আন্তর্জাতিক কোল এনার্জি কোম্পানি জেএইচএম ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর (ডিএমডি) মো. মেহেদী হাসান বিপ্লবের সঙ্গে মতবিনিময় ও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন দুবাই প্রবাসীরা।

দুবাই জুমেরাতে শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) ফটিকছড়ির 'দাতঁমারা প্রবাসী মানব কল্যাণ পরিষদের' সভাপতি জাহাঙ্গীর মীর্জার নেতৃত্বে দুবাই অবস্থানরত ফটিকছড়ির প্রবাসী বাংলাদেশির সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।

এ সময় এলাকার উন্নয়নের ব্যাপক অবদান রাখায় মেহেদি হাসান বিপ্লবকে ধন্যবাদ জানান প্রবাসীরা। তারা উনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন। পরে ক্রেস্ট ও ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান প্রবাসী মানব কল্যাণ সমিতির সদস্যরা।

বাংলাদেশ-ভারত-দুবাইকেন্দ্রীক জ্বালানি ও পাথর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান জেএইচএম ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড এ অঞ্চলে ইন্দোনেশিয়ার খনি থেকে পাথর কয়লা আমদানি করে সরকারী বেসরকারী উন্নয়ন কাজ ত্বরাম্বিত করছে।

জানা যায়, প্রথমে সাধারণভাবে ছোট একটি ব্যবসার মাধ্যমে জীবন যাপন শুরু করলেও কিছু দিনের মাথায় মেহেদী হাসান বিপ্লব ভারতীয় কোম্পানী জেএইচএম ইন্টারন্যাশনালকে (যার কিছু শাখা পৃথিবীর কয়েকটি দেশে রয়েছে) বাংলাদেশে ব্যবসার করার প্রস্তাব দিলে তারা বাংলাদেশ বিনিয়োগ করতে রাজি হয়। সেইসূত্রে অল্প সময়ের মধ্যে জেএইচএম ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশে তাদের বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা শুরু করে এবং ব্যাপক সফলতা অর্জন করে। যার ফলে মেহেদী হাসান বিপ্লবের জীবনেও বড় সফলতা আসে এবং তাকে কোম্পানিটির বাংলাদেশ শাখার ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর হিসেবেও নিযুক্ত করা হয়।

মেহেদী হাসান বিপ্লব শুধু ব্যবসায়ী মহলেই পরিচিত নন, তিনি একজন মানবতার সেবক হিসাবেও পরিচিত। মহামারি করোনাকালীন সময়ে তিনি নিম্ন আয়ের মানুষদের পাশে ত্রাণকর্তা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিলেন। তার সবগুলো অফিসের মাধ্যমে জানা গেছে, করোনাকালীন সময়ে তিনি তার আয়ের একটি বিরাট অংশ দান করেছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষদের মাঝে। তার কিছু সাইট ব্যবসা বন্ধ থাকার পরও নিয়মিত বেতন দিয়েছেন কর্মচারীদের।

দেশের ক্রান্তিকাল করোনার চরম দুর্যোগময় মুহূর্তে মেহেদী হাসান বিপ্লবের মাধ্যমে ফটিকছড়ির আব্দুল্লাহপুর থেকে বাগান বাজার পর্যন্ত অসহায় কর্মহীন হত-দরিদ্র মানুষের মাঝে পর্যাপ্ত ত্রাণ (খাদ্য সামগ্রী), নগদ অর্থ বিতরণসহ অসংখ্য গৃহহীন মানুষের ঘরবাড়ি তৈরি ও মেরামত করে দেওয়া হয়। নানা অপ্রতুলতার মধ্যেও তিনি খুঁজে বেড়ান অসুস্থ এবং অসহায় মানুষের। এজন্য খুব অল্প সময়েই এলাকায় তিনি ‘মানবতার ফেরিওয়ালা’ হিসেবে পরিচিত হয়েছেন।