সংবাদ শিরোনাম

১৯৬৭ সালের সীমান্ত অনুযায়ী স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র চায় বাংলাদেশ | রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলা লড়তে গাম্বিয়াকে ৫ লাখ ডলার দিয়েছে বাংলাদেশ | মির্জাপুরে মাটি উত্তোলনের দায়ে ব্যবসায়ীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা | ঝালকাঠিতে হত্যা মামলায় স্কুল শিক্ষিকাসহ গ্রেপ্তার ২ | সিলেট জাপায় শতাধিক নেতাকর্মীর যোগদান | পঞ্চগড় পৌরসভায় আ.লীগের মনোনয়ন পেলেন জাকিয়া খাতুন | মানিকগঞ্জ পৌর নির্বাচনে নৌকা প্রতীক পেলেন সাবেক মেয়র রমজান আলী | চিনিকল বন্ধের ঘোষণা বাতিলসহ ৪ দফা দাবিতে শ্রমিকদের মানববন্ধন | বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের বিরোধিতাকারীদের শাস্তির দাবিতে ঠাকুরগাঁওয়ে মানববন্ধন | একটু জোরে ধাক্কা দিলে সরকার ক্ষমতা থেকে পড়ে যাবে: ডা. জাফরুল্লাহ |

  • আজ ১৪ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

আমিও সাংবাদিক পরিবারের একজন সদস্য: প্রধানমন্ত্রী

১২:৪১ অপরাহ্ন | রবিবার, অক্টোবর ২৫, ২০২০ জাতীয়
প্রধানমন্ত্রী

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা- দেশপ্রেম ও মানবতাবোধ নিয়ে কাজ করতে সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, সাংবাদিকদের অবশ্যই দায়িত্বশীল হতে হবে। দায়িত্ব নিয়ে কাজ করতে হবে। আমরা এরই মধ্যে সম্প্রসারণ ও প্রচারণা আইন প্রণয়ন করেছি। আমরা গণমাধ্যমকর্মীদের চাকরির নিশ্চয়তার বিষয়টাও দেখছি। আমরা হলুদ সাংবাদিকতা রোধে কাজ করে যাচ্ছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাংবাদিকতার সঙ্গে তার একটা সম্পর্ক ছিল। সেদিক থেকে আমি দাবি করতে পারি আমিও বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবের সন্তান হিসেবে সাংবাদিক পরিবারেরই একজন সদস্য। সেভাবেই আমি আপনারে দেখি।

রোববার (২৫ অক্টোবর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) রজতজয়ন্তীর উদ্বোধনকাল এ এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে সাংবাদিকদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনারা যে যেভাবে পারেন, যা খুশি আপনারা কিন্তু রিপোর্ট করতে পরেন। সেখানে আমরা কোন বাঁধা দেইনি। সেভাবে স্বাধীনতার পর জাতির পিতাও কিন্তু আপনাদের সেই সুযোগটা দিয়েছিল। তার জীবনটাও কিন্তু সাংবাদিকতার সাথে জড়িত ছিলেন। তিনি যখন কোলকাতায় পড়াশোনা করতেন তখন সাপ্তাহিক একটি পত্রিকার সঙ্গে তিনি জড়িত ছিলেন, কিন্তু সেটা বেশিদিন চলেনি।

এরপর ইত্তেহাদ নামে একটি পত্রিকা বেড় হয়, সে পত্রিকার সঙ্গে তিনি ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন। হাসেম সাহেব মূলত দায়িত্ব ছিলেন সে পত্রিকার। কিন্তু তিনি (বঙ্গবন্ধু) আমাদের পূর্ব বাংলার প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেছেন।

পাকিস্তান হওয়ার পর যখন সবাই বাংলাদেশে চলে আসে তখন ইত্তেফাক বের করা হয় হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর অর্থে। এই ইত্তেফাক পত্রিকাটা তোফাজ্জেল হোসেন মানিক মিয়া এটার দায়িত্বে ছিলেন। সেখানেও কিন্তু বঙ্গবন্ধু ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন।

আওয়ামী লীগের জন্য তিনি আর একটি পত্রিকা বের করেছিলেন ‘নতুন দিন’ নামে। সেই পত্রিকার সঙ্গেও তিনি জড়িত ছিলেন। পরবর্তিতে তিনি বাংলার বাণী সপ্তাহিক বের করেন। সেটা মার্শাল ল জারির পর গ্রেফতার এবং এরপর যখন তিনি মুক্তি পান সেই ১৯৬১ সালের দিকে তখন থেকে সাপ্তাহিক বাংলার বাণী করেন এভাবে তিনি সাংবাদিকতার সঙ্গে তার একটা সম্পর্ক ছিল। সেদিক থেকে আমি দাবি করতে পারি, আমিও বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবের সন্তান হিসেবে সাংবাদিক পরিবারেরই একজন সদস্য। সেভাবেই আমি আপনারে দেখি।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে। বর্তমান সময়ে সবাই স্বাধীনভাবে সাংবাদিকতা করতে পারছে।

আওয়ামী লীগ সরকার বিশ্বের কাছে বাংলাদেশের হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে এনেছে এমন মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে ব্যর্থ করতে ৭৫ পরবর্তী সরকারগুলো কাজ করেছে। ওই সময়ে যারা ক্ষমতায় ছিল দুর্নীতিই ছিল তাদের একমাত্র নীতি।

দুর্নীতি ধরা পড়লে সরকার ব্যবস্থা নিচ্ছে জানিয়ে বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, আগে দুর্নীতি অন্যায় ধামাচাপা দেয়া হতো। কিন্তু এই সরকার তা করে না। যারা দুর্নীতি করছে সরকার তাদের ছাড় দিচ্ছে না।