সংবাদ শিরোনাম

১৯৬৭ সালের সীমান্ত অনুযায়ী স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র চায় বাংলাদেশ | রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলা লড়তে গাম্বিয়াকে ৫ লাখ ডলার দিয়েছে বাংলাদেশ | মির্জাপুরে মাটি উত্তোলনের দায়ে ব্যবসায়ীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা | ঝালকাঠিতে হত্যা মামলায় স্কুল শিক্ষিকাসহ গ্রেপ্তার ২ | সিলেট জাপায় শতাধিক নেতাকর্মীর যোগদান | পঞ্চগড় পৌরসভায় আ.লীগের মনোনয়ন পেলেন জাকিয়া খাতুন | মানিকগঞ্জ পৌর নির্বাচনে নৌকা প্রতীক পেলেন সাবেক মেয়র রমজান আলী | চিনিকল বন্ধের ঘোষণা বাতিলসহ ৪ দফা দাবিতে শ্রমিকদের মানববন্ধন | বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের বিরোধিতাকারীদের শাস্তির দাবিতে ঠাকুরগাঁওয়ে মানববন্ধন | একটু জোরে ধাক্কা দিলে সরকার ক্ষমতা থেকে পড়ে যাবে: ডা. জাফরুল্লাহ |

  • আজ ১৪ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

এরফান সেলিমের বাসা থেকে বিদেশি মদ-বিয়ার-অস্ত্র উদ্ধার

৫:২২ অপরাহ্ন | সোমবার, অক্টোবর ২৬, ২০২০ আলোচিত বাংলাদেশ
মদ উদ্ধার

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা- ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের ছেলে ও ওয়ার্ড কাউন্সিলর এরফান সেলিমের বাসা থেকে অবৈধভাবে মজুত রাখা বিদেশি মদ ও বিয়ার উদ্ধার করেছে র‌্যাব। এছাড়া তার শয়নকক্ষ থেকে বিপুল পরিমাণ ওয়াকিটকি, ইলেকট্রনিক ডিভাইস ও একটি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলমের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে এসব উদ্ধার করা হয়। অভিযান এখনও চলছে। র‌্যাব সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ বলেন, ‘সোয়ারি ঘাট এলাকায় হাজী সেলিমের একটি বাড়ি আছে, সেটা ঘেরাও করে র‌্যাব সদস্যরা অভিযান চালাচ্ছে।

এর আগে দুপুরে অভিযান চালিয়ে এরফান সেলিমকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। এদিকে হাজী সেলিমের গাড়িচালক মিজানুর রহমানকে এক দিনের রিমান্ডে নেয়ার আদেশ দিয়েছেন আদালত।

রোববার (২৫ অক্টোবর) রাতে ঢাকা-৭ আসনের এমপি হাজী মোহাম্মদ সেলিমের ‘সংসদ সদস্য’ লেখা সরকারি গাড়ি থেকে নেমে নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ওয়াসিফ আহমেদ খানকে মারধর করা হয়। রাতে এ ঘটনায় জিডি হলেও আজ (সোমবার) ভোরে হাজী সেলিমের ছেলেসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। রাজধানীর কলাবাগান সিগন্যালের পাশে এ ঘটনা ঘটে।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, এরফানের গাড়ি ওয়াসিফকে ধাক্কা মারার পর তিনি সড়কের পাশে মোটরসাইকেলটি থামিয়ে গাড়ির সামনে দাঁড়ান এবং নিজের পরিচয় দেন। তখন গাড়ি থেকে আসামিরা একসঙ্গে বলতে থাকেন, ‘তোর নৌবাহিনী/সেনাবাহিনী বের করতেছি, তোর লেফটেন্যান্ট/ক্যাপ্টেন বের করতেছি। তোকে এখনি মেরে ফেলব’ বলে কিল-ঘুষি মারেন এবং আমার স্ত্রীকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন।

‘তারা আমাকে মারধর করে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে যায়। পরে আমার স্ত্রী, স্থানীয় জনতা এবং পাশে ডিউটিরত ধানমন্ডি থানার ট্রাফিক পুলিশ কর্মকর্তা আমাকে উদ্ধার করে আনোয়ার খান মডার্ণ হাসপাতালে নিয়ে যায়।’