• আজ ১০ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুরে ইউপি মেম্বারের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ

৬:৩৪ অপরাহ্ন | সোমবার, অক্টোবর ২৬, ২০২০ ঢাকা, দেশের খবর
ফরিদপুরে

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর প্রতিনিধি: ফরিদপুরের সালথায় হাসান আশরাফ নামের এক ইউপি মেম্বারের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানীর অভিযোগ উঠেছে । সে উপজেলার আটঘর ইউপি সদস্য বলে জানা যায়।

ঘটনার সময়ে হাসান আশরাফ না থাকলেও ষড়যন্ত্রমূলক ভাবে তাকে আসামী করা হয়েছে বলে এলাকাবাসি অনেকেই জানিয়েছেন। এরই মধ্যে এই মামলায় আসামী ইকরাম মুসল্লী (৪৫) নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। যেকোনো সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারনা করছে এলাকাবাসি।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, ২১ অক্টোবর বুধবার বিকেলে নকুলহাটি বাজারে ইট কেনাবেঁচা নিয়ে কিত্তা গ্রামের আখের আলীর সাথে বোয়ালমারী উপজেলার নতিবদিয়া গ্রামের বিশু মাতুব্বরের সাথে কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এসময় বিশু মাতুব্বরের মাথায় আঘাত লাগে। নকুলহাটি বাজারের পল্লী চিকিৎসক ডাক্তার মোস্তফা কামাল বিশু মাতুব্বরকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে এবং তার মাথায় সেলাই দিয়ে বাড়ী পাঠিয়ে দেয়।

কিন্তু এলাকার কুচক্রী মহল বিষয়টি নিয়ে এলাকায় অস্থিতিশীল গড়ে তুলতে ওঠে পড়ে লাগে। ষড়যন্ত্রমূলক ভাবে বিশু মাতুব্বরকে ফরিদপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করায়। এবিষয়ে বিশু মাতুব্বরের ভাই নুর ইসলাম মাতুব্বর বাদি হয়ে সালথা থানায় মামলা দায়ের ।

এ ব্যাপারে ইউপি সদস্য হাসান আরশাফ বলেন, যে সময় বাজারে মারামারি হয় তখন আমি বাজারেই ছিলাম না। পল্লী চিকিৎসক ডাক্তার মোস্তফা কামাল বিশু মাতুব্বরকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়ী পাঠিয়ে দিয়েছে। কিন্তু একজন সুস্থ লোককে ষড়যন্ত্র করে এখনো হাসপাতালে রেখে চিকিৎসা দিচ্ছে এই ঘটনাটি অনাকাংখিত। এলাকার একটি মহল রাজনৈতিক কারণে আমাকে এই মামলায় আসামী দিয়ে ফায়দা হাসিলের চেষ্টা করছে।

মামলার বাদী নুর ইসলাম বলেন, যারা এই হামলার সাথে জড়িত তাদেকেই আসামী করা হয়েছে ।