সংবাদ শিরোনাম

১৯৬৭ সালের সীমান্ত অনুযায়ী স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র চায় বাংলাদেশ | রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলা লড়তে গাম্বিয়াকে ৫ লাখ ডলার দিয়েছে বাংলাদেশ | মির্জাপুরে মাটি উত্তোলনের দায়ে ব্যবসায়ীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা | ঝালকাঠিতে হত্যা মামলায় স্কুল শিক্ষিকাসহ গ্রেপ্তার ২ | সিলেট জাপায় শতাধিক নেতাকর্মীর যোগদান | পঞ্চগড় পৌরসভায় আ.লীগের মনোনয়ন পেলেন জাকিয়া খাতুন | মানিকগঞ্জ পৌর নির্বাচনে নৌকা প্রতীক পেলেন সাবেক মেয়র রমজান আলী | চিনিকল বন্ধের ঘোষণা বাতিলসহ ৪ দফা দাবিতে শ্রমিকদের মানববন্ধন | বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের বিরোধিতাকারীদের শাস্তির দাবিতে ঠাকুরগাঁওয়ে মানববন্ধন | একটু জোরে ধাক্কা দিলে সরকার ক্ষমতা থেকে পড়ে যাবে: ডা. জাফরুল্লাহ |

  • আজ ১৪ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

হাজী সেলিমের প্রটোকল অফিসার টাঙ্গাইলে গ্রেফতার

১:৩৪ অপরাহ্ন | মঙ্গলবার, অক্টোবর ২৭, ২০২০ আলোচিত বাংলাদেশ
হাজী সেলিমের প্রটোকল অফিসার

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা- নৌবাহিনীর লেফটেন্যান্ট ওয়াসিফ আহমেদ খানকে মারধরের মামলায় সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের প্রটোকল অফিসারকে টাঙ্গাইল থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃত আসামির নাম এবি সিদ্দিক দিপু (৪৫)। সোমবার দিনগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে টাঙ্গাইল শহরে এক বন্ধুর বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এবি সিদ্দিক দিপু মামলার এজাহারভুক্ত ২ নস্বর আসামি।

ডিএমপি গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) রমনা বিভাগের উপকমিশনার এইচ এম আজিমুল হক মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকালে সংবাদমাধ্যমকে এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, আসামি এবি সিদ্দিক দিপু নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ওয়াসিমকে সবচেয়ে বেশি মারধর করেছেন। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডের আবেদন করে আজ তাকে আদালতে পাঠানো হবে।

এর আগে গতকাল এই মামলায় গ্রেফতার হন -ইরফান সেলিম, তার দেহরক্ষী মো. জাহিদ ও গাড়িচালক মিজানুর রহমান। ধানমণ্ডি থানায় দায়ের করা ওই মামলায় এ নিয়ে চারজন গ্রেফতার হলেন। এর মধ্যে হাজী সেলিমের ছেলে ওয়ার্ড কাউন্সিলর ইরফান সেলিম, তার দেহরক্ষী মোহাম্মদ জাহিদ এবং তার গাড়িচালক মিজানুর রহমানকে সোমবার গ্রেফতার করা হয়।

এর আগে সোমবার ভোরে ধানমন্ডিতে নৌবাহিনীর কর্মকর্তাকে মারধরের ঘটনায় ভুক্তভোগী কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট ওয়াসিম নিজেই বাদী হয়ে ধানমন্ডি থানায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর ইরফান সেলিমসহ চারজনের নামে মামলা দায়ের করেন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ইরফানের গাড়ি ওয়াসিমকে ধাক্কা মারার পর নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ওয়াসিম সড়কের পাশে মোটরসাইকেলটি থামান এবং গাড়ির সামনে দাঁড়ান। নিজের পরিচয় দেন। তখন গাড়ি থেকে আসামিরা একসঙ্গে বলতে থাকেন, ‘তোর নৌবাহিনী/সেনাবাহিনী বের করতেছি, তোর লেফটেন্যান্ট/ক্যাপ্টেন বের করতেছি। তোকে এখনই মেরে ফেলবো’।

এরপর বের হয়ে ওয়াসিমকে কিল-ঘুষি মারেন এবং তার স্ত্রীকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন। তারা মারধর করে ওয়াসিমকে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে যান। তার স্ত্রী, স্থানীয় জনতা এবং পাশে ডিউটিরত ধানমন্ডির ট্রাফিক পুলিশ কর্মকর্তা তাকে উদ্ধার করে আনোয়ার খান মডেল হাসপাতালে নিয়ে যান।