• আজ ১৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় আরও একজনের সাক্ষ্যগ্রহণ

৯:৩১ অপরাহ্ন | বুধবার, অক্টোবর ২৮, ২০২০ ঢাকা
abrar

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় আরও একজনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে। আদালতে বুধবার (২৮ অক্টোবর) বুয়েটের ছাত্রকল্যাণ পরিচালক ড. মো. মিজানুর রহমানের সাক্ষ্য নেয়া হয়েছে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামানের আদালতে সাক্ষ্য দেন তিনি। এ নিয়ে মামলায় মোট ৬০ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৮ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হলো।

এর আগে কারাগার আটক ২২ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর তাঁদের উপস্থিতিতে শুরু হয় সাক্ষ্যগ্রহণ। এরপর সাক্ষী মিজানুরের জবানবন্দি শেষ হলে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাঁকে জেরা করেন। এ সময় আদালত পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ২ নভেম্বর দিন ধার্য করেন।

এদিকে গত ৫ অক্টোবর এ মামলার বাদী ও আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ আদালতে সাক্ষ্য দেন। এর মধ্য দিয়ে এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে।

এর আগে গত ১৫ সেপ্টেম্বর এ মামলার অভিযোগ গঠন করেন আদালত। গত ১৩ নভেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির পরিদর্শক ওয়াহিদুজ্জামান ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। অভিযোগপত্রে ২৫ আসামিকে অভিযুক্ত করেন।

উল্লেখ্য ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়ার জের ধরে বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে ডেকে নিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। নিহত আবরার বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি শেরেবাংলা হলের ১০১১ নম্বর কক্ষে থাকতেন।

এ মামলায় গ্রেফতাররা হলেন, মেহেদী হাসান রাসেল, মো. অনিক সরকার, ইফতি মোশাররফ সকাল, মো. মেহেদী হাসান রবিন, মো. মেফতাহুল ইসলাম জিওন, মুনতাসির আলম জেমি, খন্দকার তাবাখখারুল ইসলাম তানভির, মো. মুজাহিদুর রহমান, মুহতাসিম ফুয়াদ, মো. মনিরুজ্জামান মনির, মো. আকাশ হোসেন, হোসেন মোহাম্মদ তোহা, মাজেদুর রহমান, শামীম বিল্লাহ, মোয়াজ আবু হুরায়রা, এ এস এম নাজমুস সাদাত, ইসতিয়াক আহম্মেদ মুন্না, অমিত সাহা, মো. মিজানুর রহমান ওরফে মিজান, শামসুল আরেফিন রাফাত, মোর্শেদ অমত্য ইসলাম ও এস এম মাহমুদ সেতু।

মামলার তিন আসামি এখনও পলাতক। তারা হলেন- মোর্শেদুজ্জামান জিসান, এহতেশামুল রাব্বি তানিম ও মোস্তবা রাফিদ। তাদের মধ্যে প্রথম দুজন এজাহারভুক্ত ও শেষের জন এজাহারবহির্ভূত আসামি।