সংবাদ শিরোনাম

সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ৩ বাংলাদেশির | ভোট জালিয়াতির প্রমাণ মেলেনি, পেনসিলভানিয়ার মামলায়ও হারলেন ট্রাম্প | কুমিল্লায় কাভার্ডভ্যান চাপায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত | সঞ্জয় দত্তকে দেখতে গেলেন কঙ্গনা, নাখোশ ভক্ত সমর্থকরা | ঘরে বসেই তৈরি করুন মজাদার চিকেন রোল | চাঁদপুরে লঞ্চে অনৈতিক কার্যক্রম রোধে নিয়মিত টহলে থাকবে নৌ-পুলিশ | বিমানের টিকিটের জন্য জমানো টাকায় তরুণকে ইজিবাইক কিনে দিলেন সুমন | মৌলবাদী গোষ্ঠী ধর্মীয় সংগঠন করে রাজনৈতিক খায়েশ মেটাচ্ছে: শিক্ষা উপমন্ত্রী | ‘আওয়ামী লীগ-বিএনপি লড়াই নাই, দেশের মানুষ ভাই ভাই'- বাবুনগরী | নাগরিকদের বিনামূল্যে করোনা ভ্যাকসিন দেবে মালয়েশিয়া |

  • আজ ১৩ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত হলেন নারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ভারতেশ্বরী হোমস

১১:৩৮ পূর্বাহ্ন | শুক্রবার, অক্টোবর ৩০, ২০২০ ঢাকা
homes

মো. সানোয়ার হোসেন, মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধিঃ প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য ৮ বিশিষ্ট ব্যক্তি ও এক প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত হরা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ২৯ (অক্টোবর) সকালে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক পুরস্কারে ভূষিতদের হাতে পদক তুলে দেন। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে পদক প্রদান অনুষ্ঠানে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এ সময় এশিয়াখ্যাত দানবীর রণদা প্রসাদ সাহার নিজ হাড়ে গড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ভারতেশ্বরী হোমসের পক্ষ থেকে স্বাধীনতা পুরস্কার পদক গ্রহণ করেন কুমুদিনী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের পরিচালক (শিক্ষা) ও ভারতেশ্বরী হোমসের সাবেক অধ্যক্ষ একুশে পদকপ্রাপ্ত ভাষা সৈনিক প্রতিভা মুৎসুদ্দি।

দক্ষিণ এশিয়াখ্যাত দানবীর ও বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী রণদা প্রসাদ সাহার হাত ধরে ১৯৩৮ সালে মাত্র ১৪ জন ছাত্রী নিয়ে এই নারী বিদ্যানিকেতনের যাত্রা শুরু হয়েছিল। সেই প্রতিষ্ঠানটিই ২০২০ সালে এসে রাষ্টীয় ও দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ পদকে ভূষিত হয়। বর্তমানে প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থী নিয়ে পরিচালিত এই প্রতিষ্ঠানটি দেশের অন্যতম প্রাচীন নারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

নারীর ভাগ্যোন্নয়নের লক্ষ্যে রণদা প্রসাদ সাহা তার জন্মস্থান মির্জাপুর গ্রামে মন্মদ পোদ্দারের বাড়ির বাংলাঘরে ১৪ জন ছাত্রী নিয়ে এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি শুরু করেন। পরে বাড়ির পাশের লৌহজং নদীর তীরে ১৯৪০ সালে বর্তমান স্থানে এটি স্থানাস্তর করে অবকাঠামো নির্মাণ করেন।

যার নামকরণ করেন তার ঠাকুর মার মা ভারতেশ্বরী দেবীর নামানুসারে। সম্পূর্ণ আবাসিক এই নারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান উদ্দেশ্যে হলো শিক্ষার্থীদের সর্বক্ষেত্রে আত্মনির্ভশীল করে গড়ে তোলা। শৃঙ্খলা ও নিয়মানুবর্তিতার জন্য ভারতেশ্বরী হোমসের নাম দেশজুড়ে সুবিদিত।

এর আগে ১৯৮৭ ও ১৯৯৫ সালে জাতীয় পর্যায়ে দু’বার শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে পুরস্কার পেয়েছিল ভারতেশ্বরী হোমস।