সংবাদ শিরোনাম

বগুড়া আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপিপন্থীদের জয় | বাংলাদেশকে আফগানিস্তান-পাকিস্তান হতে দেবো না: নওফেল | টি-টোয়েন্টিতে ৫ হাজার রানের মাইলফলকে সাকিব | শেষপর্যন্ত ভেঙে গেলো অভিনেত্রী শবনম ফারিয়ার সংসার | মৌলবাদ-ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকুন: তথ্যমন্ত্রী | আরব সাগরে ভেঙে পড়ল ভারতীয় যুদ্ধবিমান | ধর্মপ্রাণ প্রধানমন্ত্রী যখন ক্ষমতায়, এ দেশে ইসলামবিরোধী কোনো কার্যক্রম হবে না: কাদের | কুড়িগ্রামে নারিকেল দেয়ার কথা বলে শিশু ধর্ষণ, ধর্ষক গ্রেপ্তার | প্রবাসী স্বামীকে ছেড়ে প্রেমিককে বিয়ে, কাবিনের 'টাকার চাপে' স্ট্রোক করে বৃদ্ধ বাবার মৃত্যু | রাস পূজায় অংশ নিতে দুবলার পথে তীর্থযাত্রী ও হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা |

  • আজ ১৩ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

হঠাৎ পাহাড়ি ঢলে ফেনীর ৫ গ্রাম প্লাবিত

১:৩১ অপরাহ্ন | রবিবার, নভেম্বর ১, ২০২০ চট্টগ্রাম, দেশের খবর
পানিতে প্লাবিত

সময়ের কণ্ঠস্বর, ফেনী- ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ফেনীর মূহুরী নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙে পাঁচটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। গতকাল শনিবার মধ্যরাতে ফুলগাজীর উত্তর দৌলতপুর এলাকায় মুহরী ও কহুয়া নদীর দুটি স্থানে বাঁধ ভেঙে এ ঘটনা ঘটে। প্লাবিত গ্রামগুলো হলো-দৌলতপুর, ঘনিয়ামোড়া, সাহাপাড়া, বৈরাগপুর ও দক্ষিণ দৌলতপুর।

ফুলগাজীর স্থানীয় বাসিন্দা জহিরুল ইসলাম রাজু জানান, পানির ক্ষীপ্রতা অনেক বেশি। আজ রোববার বিকেলের মধ্যে আরও বেশ কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ফুলগাজী সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম বলেন, এখন পর্যন্ত তার ইউনিয়নে ১ হাজার একর পাকা আমন ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে করে কৃষকের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এছাড়াও পানিবন্দি হয়েছে কয়েকশ পরিবার, ডুবে গেছে জমির ফসল, রাস্তাঘাট ও মুরগির খামার। ভেসে গেছে কয়েকশ পুকুরের মাছ। কৃষকরা পানিতে ডুবে থাকা ফসল নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন।

সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নুর ইসলাম জানান, নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় ভাঙনের আশঙ্কা দেখে শনিবার দুপুরে ইউপি সদস্যসহ স্থানীয়রা ভাঙন ঠেকাতে বালির বস্তা তৈরি করে রেখেছিলেন। রাত ১২টার দিকে ভাঙন দেখা দিলে ৫০-৬০টি বস্তা ফেললেও পানির তোড়ে ভাঙন ঠেকানো যায়নি।

দৌলতপুর এলাকার রফিক মিয়া জানান, তিনি সাড়ে ৬ একর জমিতে রোপা আমন ও খিরা চাষ করেছেন। ঢলের পানিতে খেত পানির নিচের ডুবে আছে। ঢলের পানি নিয়ে এলাকার সব কৃষক দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।

ফুলগাজী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোমিনুল ইসলাম জানান, উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে ৬ হাজার ২শ হেক্টর জমির রোপা আমন ও ৪০ হেক্টর শীতকালীন সবজির খেত আবাদ হয়েছে। সদর ইউনিয়নের ঘনিয়মোড়া ব্লকে ৪২০ হেক্টর রোপা আমন হয়েছে। এর মধ্যে ১০৫ হেক্টর রোপা পানিতে ডুবে আছে। ১৩.৫ হেক্টরের মধ্যে ৬ হেক্টর সবজি পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে।

ফেনীর পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আক্তার হোসেন জানান, রোববার সকালে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

বাঁধে ভাঙনের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, রাত থেকেই পানি ৭০ সেন্টিমিটারে ওপরে ডেঞ্জার লেবেলে রয়েছে। আর কোনো বাঁধ যাতে না ভাঙে সেজন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষ সম্মিলিতভাবে চেষ্টা করছেন।