সংবাদ শিরোনাম

প্রবাসী স্বামীকে ছেড়ে প্রেমিককে বিয়ে, কাবিনের 'টাকার চাপে' স্ট্রোক করে বৃদ্ধ বাবার মৃত্যু | ধর্মপ্রাণ প্রধানমন্ত্রী যখন ক্ষমতায়, এ দেশে ইসলামবিরোধী কোনো কার্যক্রম হবে না: কাদের | কুড়িগ্রামে নারিকেল দেয়ার কথা বলে শিশু ধর্ষণ, ধর্ষক গ্রেপ্তার | রাস পূজায় অংশ নিতে দুবলার পথে তীর্থযাত্রী ও হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা | গোপালগঞ্জে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে নিহত ৪, আহত ১৯ | বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ঠেকানোর কোনও শক্তি নেই, প্রতিষ্ঠিত হবেই: হানিফ | একদিনে আরও ৩৬ জনের মৃত্যু | বাংলাদেশে করোনায় মৃত্যু বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ | আগামীকাল বঙ্গবন্ধু রেলসেতুর ভিত্তি স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী | জিনের আছর ভর করেছিল, ১৭ দিনের শিশু হত্যার দায় স্বীকার করলেন মা |

  • আজ ১৩ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

‘এসআই আকবর ভারতে পালিয়ে গেছেন’

৯:৫৯ পূর্বাহ্ন | সোমবার, নভেম্বর ২, ২০২০ আলোচিত বাংলাদেশ
এসআই আকবর

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক- সিলেটের বন্দরবাজার ফাঁড়িতে পুলিশি নির্যাতনে রায়হান হত্যার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত এসআই আকবর হোসেন ভূঁইয়া ভারতে পালিয়ে গেছেন। সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে তিনি ভারতে পালিয়ে গেছেন বলে দাবি করেছে পিবিআই।

আকবরের সঙ্গে তার আত্মীয় পরিচয়দানকারী স্থানীয় সংবাদকর্মী আবদুল্লাহ আল নোমানও ভারতে পালিয়ে গেছেন বলে জানা গেছে। তাদের সহায়তা করে হেলাল আহমদ নামে এক চোরাকারবারি। এমনটাই দাবি মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার।

সিলেটের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন সময় সংবাদকে বলেন, ‘আকবরকে ধরার জন্য সম্ভাব্য সব জায়গায় তল্লাশি চালানো হয়। আকবরের সহযোগী নোমানের সঙ্গে আকবর থাকতে পারে এমন খবরের ভিত্তিতে নোমানের কোম্পানীগঞ্জের গ্রামের বাড়ি এবং তার শ্বশুর বাড়ি নারায়ণগঞ্জেও তল্লাশি চালানো হয়। নোমানের স্ত্রী, মা ও বাবাকে জিজ্ঞাসাবাদে নোমানের উপস্থিতি জানা যায়নি।

তবে আকবর নোমানের মাধ্যমেই ১৪ অক্টোবর ভোরে সিলেট ত্যাগ করেছে এমনটা নিশ্চিত করে বলা যায়। তাকে দেশত্যাগে সহায়তা করেছে বলে অভিযোগের ভিত্তিতে চোরাকারবারি হেলালকে রিমান্ডে নিয়েও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। কিন্তু সে স্বীকার করেনি। হেলালকে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলনের অন্য একটি মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।’

এদিকে, হেলালের মাধ্যমে আকবর ও নোমান দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে মামলার তদন্তকারী সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। গোয়েন্দা সংস্থার কাছেও এমন তথ্য রয়েছে। চোরাকারবারি হেলালকে ২২ অক্টোবর একটি মামলায় গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পিবিআইয়ের মামলায় হেলাল ও নোমানকে আসামি করা হতে পারে বলে তদন্তকারী কর্মকর্তা আভাস দিয়েছেন।

১১ অক্টোবর রাতে বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে রায়হানকে নির্যাতন ও তার মৃত্যুর পর ফাঁড়ির ইনচার্জ এস আই আকবর হোসেন ভূঁইয়া কৌশলে গা-ডাকা দেন। ১৩ অক্টোবর বিকেলে এসএমপির তদন্ত কমিটির মুখোমুখি হওয়ার পরই ওইদিন রাত থেকে লাপাত্তা হয়ে যান তিনি। এর আগে মদিনা মার্কেট এলাকার কালীবাড়ি রাস্তার মুখে ফুলকলি নামের একটি মিষ্টির দোকানের সিসিটিভি ফুটেজে রাত ৯টা ১৫ মিনিটের সময় সমবয়সী আরেক ব্যক্তির সঙ্গে নাশতা করতে দেখা যায় আকবরকে। ওইসময় তিনি মোবাইল ফোনে কার সঙ্গে যেন কথা বলছিলেন।

ফাঁড়ির টুআইসি এস আই হাসান উদ্দিন ও সিলেটের কোম্পানীগঞ্জের বুড়িডহর গ্রামের বাসিন্দা সংবাদকর্মী আবদুল্লাহ আল নোমানের সহযোগিতায় ওই কাজটি করেন তিনি। ইতোমধ্যে হাসানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। আকবরকে পালাতে সহযোগিতাকারীদের খোঁজে বের করতে তদন্তে নামে পুলিশ সদর দফতরের একটি টিম। পাশাপাশি আকবরের অবস্থান নিশ্চিতে কাজ শুরু করে পুলিশ ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা।