🕓 সংবাদ শিরোনাম

জামায়াত-হেফাজতের তেঁতুল হুজুররা আলেম নয়: ইনুনাসির ইউ মাহমুদ ‘ভালো লোক’: সংসদে এমপি চুন্নুনোয়াখালীতে ২৪ ঘণ্টায় বছরের সর্বোচ্চ করোনা শনাক্তপরীমনিকে ডিবি কার্যালয়ে ডেকেছে পুলিশকোনো প্রকৃত আলেমকে গ্রেফতার করা হয়নি : সংসদে ধর্ম প্রতিমন্ত্রীএসএসসি-এইচএসসিতে বিকল্প মূল্যায়ন নিয়েও কাজ চলছে: শিক্ষামন্ত্রীটাঙ্গাইলে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর এক নারীর ধর্ষকদের গ্রেফতার দাবিতে মানববন্ধনপরীমনি ভাগ্যবতী, ত্ব-হা’র পরিবারের সেই সৌভাগ্য হয়নি: সংসদে রুমিন ফারহানাচট্টগ্রামে ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত ১৫৮ জনযাত্রাবাড়ী থেকে হেফাজত নেতা আজহারুল ইসলাম গ্রেফতার

  • আজ মঙ্গলবার, ১ আষাঢ়, ১৪২৮ ৷ ১৫ জুন, ২০২১ ৷

সোনাগাজীতে ছাত্রদলের কমিটি বাণিজ্যের অভিযোগ

ছাত্রদল নেতা
❏ সোমবার, নভেম্বর ২, ২০২০ চট্টগ্রাম, দেশের খবর

ফেনী প্রতিনিধি: ফেনীর সোনাগাজীতে কমিটি গঠন নিয়ে বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক হাসান মাহমুদের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে তৃণমূলের দুই নেতা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন।

অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, ছাত্রদলের আহবায়ক হাসান মাহমুদ উপজেলা ও পৌর ছাত্রদলের পদ দিবে বলে সোনাগাজী পৌর ছাত্রদল কর্মী আবদুল কাদের সেলিম ও উপজেলার সদর ইউনিয়ন ছাত্রদল কর্মী পারভেজ থেকে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে ৭০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন।

গত ৩০ অক্টোবর ফেসবুকে সোনাগাজী উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক হাছান মাহমুদের বিরুদ্ধে পদ দেওয়ার নামকরে ৫০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ করে স্ট্যাটাস লিখেন সোনাগাজী পৌর ছাত্রদল কর্মী আবদুল কাদের সেলিম।

তিনি বলেন, হাছান মাহমুদ তাকে (সেলিমকে) পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব মনোনীত করবে বলে ৫০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিলেও গঠিত আহ্বায়ক কমিটিতে তাকে সদস্যও করেনি। তাকে কেন কমিটিতে রাখা হয়নি বিষয়টি জানতে চাইলে হাছান মাহমুদ তাকে (সেলিমকে) মারধর করেন।

অপরদিকে মিনহাজুল ইসলাম ফরহাদ নামে এক ছাত্রদল কর্মীও পহেলা নভেম্বর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেজবুকে লিখেন, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক হাছান মাহমুদ তাকে (ফরহাদকে) উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মনোনীত করবে বলে ২০ হাজার টাকা দাবী করলে সে গত ৩/৪ সেপ্টেম্বর সোনাগাজী পৌরসভার কাশ্মীর বাজার সড়কের স্বপ্নচূড়া মাল্টিপারপাস এর সামনে ১৮ হাজার টাকা দিলেও উপজেলা আহ্বায়ক কমিটিতে তাকে রাখা হয়নি।

সোনাগাজী উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক হাছান মাহমুদের এমন কর্মকাণ্ডে বিব্রত জেলা ছাত্রদলের নেতৃত্ব। জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সালাহ উদ্দিন মামুন বলেন, আমাদের কাছে হাছান মাহমুদের বিরুদ্ধে লিখিত কোন অভিযোগ আসেনি। লিখিত অভিযোগ আসলে তদন্তপূর্বক দলীয় ভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সোনাগাজী উপজেলার সাবেক এক ছাত্রদল নেতা বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শকে বুকে ধারণ করে ও বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া এবং বিএনপির ভাইস প্রেসিডেন্ট তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করার লক্ষে ছাত্রদলের রাজনীতি করে আসছি। দলীয় কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে হামলা-মামলা জেল-জুলুম ও নির্যাতন নিপীড়নের শিকার হয়েছি। দলের এই দুর্দিনে রাজপথে থেকে দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে আন্দোলন সংগ্রামে মাঠে রয়েছি। কিন্তু টাকার বিনিময়ে পদ বিক্রি ও ছাত্রদলের নির্যাতিত নিপীড়িত ত্যাগী নেতাকর্মীদের অবমূল্যায়ন করা হচ্ছে। আমি মনে করি এতে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়েছে।’

উপজেলার আরেক ছাত্রদল নেতা বলেন, ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে জড়িত থেকে পদ-পদবী কিনতে হয়। এটি আসলে আমাদের জন্য অত্যন্ত দুঃখজনক। পদ-পদবী পেতে হলে সোনাগাজী উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক হাসান মাহমুদকে টাকা দিতে হবে কেন? এই ভাবে টাকায় কেনা পদ-পদবী নিয়ে বিএনপির আদর্শ বুকে ধারণ করে কেউ আর রাজনীতি করবে না। বরং দলের ক্ষতি এবং সবসময় নিজের স্বার্থটাই চিন্তা করবে।

উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক হাছান মাহমুদ বলেন, রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে আমাকে হেয়-প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে কিছু কুচক্রী মহল মিথ্যা অভিযোগ এনে বিভ্রান্ত ছড়াচ্ছে। যারা অভিযোগ করেছে তাদের আমি চিনিই না। এসএসসি পাশ ছাড়া কেউ ছাত্রদলের সদস্য হতে পারেনা। এরা কেউ এসএসসি পাশ করেনি।